Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শুক্রবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ২২ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ধস, বিনিয়োগে আস্থাহীনতা গভীরতর

    মে ২১, ২০২৬ ১০:২১ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    দেশের বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি চলতি বছরের মার্চে নেমে এসেছে মাত্র ৪ দশমিক ৭২ শতাংশে, যা গত দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের মতে, এই পতন শুধু ঋণচাহিদার দুর্বলতাই নয়; বরং এটি বিনিয়োগ স্থবিরতা, ব্যবসায়িক আস্থাহীনতা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তার একটি স্পষ্ট প্রতিফলন।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর রাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা কমলেও ব্যবসা পরিবেশে কাঙ্ক্ষিত স্থিতি ফেরেনি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং জ্বালানি সংকট মিলিয়ে উদ্যোক্তাদের বড় অংশ এখন নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বরেও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ডিসেম্বর তা কমে দাঁড়ায় ৬ দশমিক ২০ শতাংশে। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ০৩ শতাংশে স্থির থাকলেও মার্চে এসে তা হঠাৎ করেই বড় ধরনের পতনের মুখে পড়ে। বর্তমানে বেসরকারি খাতে মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৮ লাখ কোটি টাকা।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় হলেও তা একমাত্র শর্ত নয়। ব্যবসা পরিচালনার খরচ, লজিস্টিক সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ এবং মূল্যস্ফীতির মতো কাঠামোগত সমস্যাগুলো অপরিবর্তিত থাকায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসছে না।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মার্চ মাসে জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঋণচাহিদায়।

    ব্যাংকারদের ভাষ্য, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর কার্যক্রম সংকুচিত হয়েছে। নাসা গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ ও গাজী গ্রুপের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কারখানা বন্ধ বা সীমিত সক্ষমতায় পরিচালিত হওয়ায় মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি ও কার্যকরী মূলধনের চাহিদা কমেছে। বর্তমানে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান আগের তুলনায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কম উৎপাদনে চলছে।

    এদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত অবস্থান নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে ব্যাংক খাতে। একাধিক ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা মনে করছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সুদের হার ব্যবস্থাপনা, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এবং প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার মধ্যে কোনটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে—সে বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা নেই।

    ব্যাংকারদের মতে, ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে শুধু গ্রাহকের সক্ষমতাই নয়, সামগ্রিক নীতিগত পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। সুদের হার কোন দিকে যাবে, ডলারের দাম কতটা স্থিতিশীল থাকবে কিংবা মূল্যস্ফীতির চাপ কতদিন থাকবে—এসব অনিশ্চয়তা নতুন ঋণ অনুমোদনে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করে তুলছে।

    কিছু ব্যাংকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক নীতিনির্ধারণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে সুদের হার কমানোর আলোচনা এবং স্থানীয় মুদ্রার ওপর চাপ থাকা সত্ত্বেও ডলারের বিনিময় হার স্থির রাখার নীতি নিয়ে তারা সংশয় প্রকাশ করেছেন।

    একজন ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ট্রেড ফাইন্যান্সে সুদের হার ৩ শতাংশে সীমাবদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ব্যাংকগুলোর জন্য চাপ তৈরি করছে। কারণ বর্তমানে বৈদেশিক ঋণের ব্যয় ‘সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেট’ (এসওএফআর)-এর সঙ্গে অতিরিক্ত ২ দশমিক ৫ শতাংশ যুক্ত হয়ে অনেক বেড়ে গেছে। এর পাশাপাশি ইউপাসভিত্তিক আমদানি অর্থায়নে সীমাবদ্ধতা আরোপ করায় বৈদেশিক বাণিজ্য অর্থায়ন আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

    তাদের মতে, বৈদেশিক অর্থায়ন সংকুচিত হলে ব্যাংকগুলোকে স্থানীয় মুদ্রায় ১২ থেকে ১৩ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে হবে, যা শিল্প ও ব্যবসার ব্যয় আরও বাড়াবে।

    এছাড়া আগামী কয়েক মাসে বিনিময় হার ও সরকারি ঋণ গ্রহণের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। রাজস্ব ঘাটতির কারণে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ব্যাপক ঋণ নিচ্ছে, যা বেসরকারি খাতের জন্য অর্থের প্রাপ্যতা কমিয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে, বেসরকারি খাতে ঋণচাহিদা দুর্বল হয়ে পড়ায় ব্যাংকগুলো এখন নিরাপদ সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ট্রেজারি বিল ও বন্ডে প্রায় ঝুঁকিমুক্তভাবে উচ্চ সুদ পাওয়া যাওয়ায় অনেক ব্যাংক ঋণ বিতরণের পরিবর্তে সরকারি কাগজে বিনিয়োগেই বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে সরকার ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ৩৩ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এপ্রিলে সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৪৬ হাজার কোটি টাকায়। এর বড় অংশ পুরোনো দায় পরিশোধে ব্যবহৃত হলেও ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ গ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, যখন ব্যাংকগুলো ঝুঁকিপূর্ণ বেসরকারি ঋণের বদলে নিরাপদ সরকারি সিকিউরিটিজে ঝুঁকে পড়ে, তখন তা অর্থনীতিতে বিনিয়োগ স্থবিরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হয়ে ওঠে। বর্তমান পরিস্থিতিও সেই বার্তাই দিচ্ছে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 14 hours আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ব্যাংক খাতে মূলধন সংকটের গভীরতা বাড়ছে

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    নতুন নোট সংকটে চাপে ব্যাংকগুলো

    নবম পে-স্কেলে বাড়তে পারে বেতন-ভাতা

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নন লাইফ বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইওদের সঙ্গে বিআইএর সভা

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ধস, বিনিয়োগে আস্থাহীনতা গভীরতর

    হাওড়ে ফসল ডুবি ও টেকসই স্থানীয় জাতের ধান চাষাবাদ

    ন্যূনতম কর ফেরতে আসতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    ব্যাংক খাতে মূলধন সংকটের গভীরতা বাড়ছে

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির শঙ্কা

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    নতুন নোট সংকটে চাপে ব্যাংকগুলো

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    আস্থাহীনতায় চাপে শেয়ার বাজার

    নবম পে-স্কেলে বাড়তে পারে বেতন-ভাতা

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন নীতিমালায় উচ্ছ্বাস

    ঈদের আগে চাঙ্গা প্রবাসী আয়

    অনিরাপদ অভিবাসনের কারণ ও প্রতিকার

    ধানে দাম নেই, খরচে দিশেহারা কৃষক

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.