Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    দেশের ব্যাংক খাত কেমন অবস্থানে!

    এপ্রিল ২০, ২০২২ ৫:০৬ অপরাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ব্যাংকের বিতরণ করা বিপুল পরিমাণ টাকা আটকে আছে গ্রাহকের কাছে। করোনার কারণে অনেকেই ঋণের টাকা ফেরত দিতে পারেনি। তবে ব্যাংকের অবস্থা খারাপ হয়েছে—এমনটি বলা যাচ্ছে না। কারণ,  গত দুই বছর ধরে বিশেষ সুবিধা পেয়েছে ব্যাংক খাত। শুধু তাই নয়,  কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শিথিল নীতিমালার কারণে ২০২১ সালে কয়েকটি বাদে অধিকাংশ ব্যাংক উচ্চ পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে। শিথিল নীতিমালার কারণে অপরিশোধিত কিস্তির সুদকে লাভের খাতায় দেখানোর সুযোগ পেয়েছে ব্যাংকগুলো। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এতে দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার পরও ২০২১ সালে নিট লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে অন্তত ৯টি ব্যাংক। এর মধ্যে ৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক।

    এগুলো হলো বেসিক ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। এছাড়া বেসরকারি খাতের পদ্মা ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং বিদেশি খাতের পাকিস্তানের হাবিব ব্যাংক।

    এর মধ্যে জনতা ব্যাংক গত বছর ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা নিট লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে। ২০২০ সালে ব্যাংকটি নিট লোকসান করেছিল ৫ হাজার ৫৪ কোটি টাকা। পদ্মা ব্যাংকের ক্রমবর্ধমান নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা। গত বছরে পদ্মা ব্যাংকের নিট লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা। ২০২০ সালে ব্যাংকটির নিট লোকসান ছিল ১৫১ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক পদ্মা ব্যাংকটির ব্যালেন্স শিটে নিট লোকসানের তথ্য প্রকাশ না করার অনুমতি দিয়েছে। এই লোকসানকে তারা ২০৩২ সাল পর্যন্ত ‘ইনটেনজিবেল অ্যাসেট’ হিসাবে দেখাতে পারবে।

    এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের নিট লোকসান গত বছর বেড়ে হয়েছে ৩৯০ কোটি টাকা, যা ২০২০ সালে ছিল ৩৬৬ কোটি টাকা।

    গত বছরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের নিট লোকসান গুনেছে ৫৯৬ কোটি টাকা। ২০২০ সালে এটি ছিল ৫৩৩ কোটি টাকা। বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক গত বছর ১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা নিট লোকসানের সম্মুখীন হয়। ব্যাংকটি গত বছর কার্যক্রম শুরু করে।

    সংকটে থাকা আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের আর্থিক পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। মোট ৩৩টি শাখার ১৮টিই লোকসানে পরিচালিত হচ্ছে। ব্যাংকটির আয় চেয়ে ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি, যা ব্যাংকিং খাতে বিরল। বিনিয়োগের (ঋণের) সাড়ে ৭৮ শতাংশই খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। খেলাপি ঋণের প্রায় শতভাগই মন্দমানের, যা আদায় হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ। বিপুল অঙ্কের খেলাপিঋণের কারণে প্রতি বছরই নিট লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে।  ব্যাংকটির পুঞ্জীভূত লোকসান বাড়তে বাড়তে এখন ১৯০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাংকটির কাছে এখনও আমানতকারীদের পাওনা রয়েছে প্রায় ৪২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) প্রায় ৭ কোটি টাকার আমানত আটকে আছে। এই ব্যাংকটি চলতি অর্থবছরসহ টানা চার অর্থবছর লাভের মুখ দেখেনি। যা আয় করছে তার চেয়ে ব্যয় করছে বেশি। জানা গেছে, ব্যাংকটির মোট ৩৮৩টি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে শহরে রয়েছে ৫০টি আর পল্লী শাখা রয়েছে ৩৩৩টি। এসব শাখার মধ্যে ১৫১টি শাখাই লোকসানে রয়েছে। সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা লাভ করে ব্যাংকটি। এরপর টানা চার বছর কোনও লাভের দেখা নেই।

    ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ব্যাংটি লোকসান দেয় ৪৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে লোকসান হয় ৩৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২০-২১ অর্থবছরে লোকসান গুণতে হয় ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ২৬ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আয় এবং ১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয় করেছে রাকাব। এ সময়ে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে বিশেষায়িত এ ব্যাংকটির।

    এছাড়া ২০২১ সালের প্রথম নয় মাসে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে মুনাফা কমেছে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ (এক্সিম ব্যাংক),  মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক ও সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের।

    এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংকিং খাতে  সুশাসনের অভাব দেখা দিয়েছে। এতে কিছু ব্যাংক কয়েক বছর ধরেই  লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। ব্যাংকের টাকা ফেরত আনার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শক্ত হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচিত ব্যাংকগুলোকে চাপ দেওয়া যাতে খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারে জোর প্রচেষ্টা চালানো যায়।

    এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শিথিল নীতিমালার কারণে ২০২১ সালে বেশ কিছু ব্যাংক উচ্চ পরিচালন মুনাফা করেছে। এই নীতিমালার কারণে অপরিশোধিত কিস্তির সুদকে লাভের খাতায় দেখানোর সুযোগ পেয়েছে ব্যাংকগুলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুসারে, গত বছর ঋণগ্রহীতারা তাদের সবগুলো কিস্তির মধ্যে মাত্র ১৫ শতাংশ পরিশোধ করলে ব্যাংকগুলো তাদের খেলাপি হিসেবে বিবেচনা করতে পারবে না। এর বিপরীতে অপরিশোধিত বাকি ৮৫ শতাংশ কিস্তির সুদ ব্যাংকের মুনাফা হিসেবে স্থানান্তর করার অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা বাস্তবে পরিশোধই করা হয়নি। এই প্রক্রিয়া ব্যাংকগুলোর মুনাফার অঙ্ক বাড়াতে সহযোগিতা করেছে।

    ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে,  ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড বিদায়ী বছরে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর আগের বছরে ব্যাংকটির মুনাফা ছিল ২ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। এছাড়া গত বছরের নয় মাসে মুনাফা দেখানো ব্যাংকগুলোর শীর্ষ তালিকার মধ্যে রয়েছে বেসরকারি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের নাম। ব্যাংকটি ২০২০ সালে ৫৫০ কোটি মুনাফা করেছে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (নয় মাসে) মুনাফা করেছে ৩৯৫ কোটি টাকা। একই সময়ে ইস্টার্ন ব্যাংক মুনাফা করেছে ৪০২ কোটি টাকা। ২০২০ সালের পুরো সময়ে ব্যাংকটি ৪১৮ কোটি মুনাফা  করেছে। এছাড়া একই সময়ে বেসরকারি ট্রাস্ট ব্যাংক মুনাফা করেছে ২৭৮ কোটি টাকা। ২০২০ সালে (১২ মাসে) ১৮০ কোটি মুনাফা করেছিল ব্যাংকটি।

    এ প্রসঙ্গে  বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকিং খাতের প্রকৃত অবস্থা আড়ালে চলে গেছে। কারণ বেশিরভাগ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শিথিল নীতিমালার সুযোগ নিয়ে মুনাফা করেছে। তিনি বলেন, এখন সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। সুতরাং বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত ব্যাংকগুলোকে তাদের নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) ও মূলধনের ভিত্তি উন্নত করতে বাধ্য করা।

    #

    অকা/ব্যাংখা/দুপুর, ২০ এপ্রিল, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    দেশের ব্যাংক খাত কেমন অবস্থানে!

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.