Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৬ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বৈদ্যুতিক গাড়ি

    জুলাই ৩, ২০২১ ৬:৫৯ পূর্বাহ্ণUpdated:জুলাই ৩, ২০২১ ৬:৫৯ পূর্বাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    পেট্রল ও ডিজেলচালিত মোটরগাড়ি একদিন উঠে যাবে। সেই জায়গায় আসবে ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল বা বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি)। বিশ্বের বড় বড় সব গাড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানি এখন এই বৈদ্যুতিক গাড়ির নতুন নতুন মডেল উদ্ভাবন ও তৈরির কাজে বেশ মনোযোগী।

    আর দু-তিন দশকের মধ্যেই বিশ্বে পেট্রল ও ডিজেলচালিত মোটরগাড়ি অতীত হয়ে যাবে। কারণ, কার্বন নিঃসরণ কমাতে আগামী ১০ বছরের মধ্যে জ্বালানি তেলের পরিবর্তে বিদ্যুৎচালিত গাড়ির জগতে প্রবেশ করবে অটোমোবাইল শিল্প। ফলে বৈশ্বিক গাড়ির বাজার চলে যাবে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) দখলে। সে জন্য দুনিয়ার তাবৎ সব বড় বড় গাড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানি এখন বৈদ্যুতিক গাড়ির নতুন নতুন মডেল তৈরির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, ১৯১৩ সালে হেনরি ফোর্ড প্রথমবারের মতো মোটরগাড়ি উৎপাদন শুরু করার পর বৈশ্বিক গাড়ি শিল্পে সবচেয়ে বড় বিপ্লব ঘটতে চলেছে। এই বিপ্লব আপনার কল্পনার চেয়েও দ্রুত ঘটবে। বদৌলতে পেট্রল ও ডিজেলচালিত মোটরগাড়িকে হটিয়ে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক গাড়িই বাজার দখল করে নেবে। সে রকম পরিকল্পনা নিয়েই এখন গাড়ি নির্মাতারা এগোচ্ছে।

    যুক্তরাজ্যের বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা জাগুয়ার ২০২৫ সাল নাগাদ ব্যাটারি তথা বিদ্যুৎচালিত গাড়ি বাজারে আনতে চায়। তারা ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ‘ব্রাসেলস এক্সপো’ শীর্ষক মেলায় জাগুয়ার ওয়ান পেস গাড়ি প্রদর্শন করেছে। সুইডেনের বহুজাতিক গাড়ি প্রস্তুতকারক ভলভো অবশ্য আরও পাঁচ বছর সময় নিয়ে ২০৩০ সালের দিকে এই গাড়ি বাজারে ছাড়বে। যুক্তরাজ্যের স্পোর্টস কার কোম্পানি লোটাস ২০২৮ সালে বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত জেনারেল মোটরস (জিএম) ২০৩৫ সালে ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারে নিয়ে আসবে। অর্থাৎ ব্যবহার বাড়লে দাম কমবে, আবার দাম কমলেও ব্যবহার বাড়বে। জেনারেল মোটরস এর আগে ১৯৯৮ সালের জানুয়ারিতে ইভি ওয়ান নামে একটি পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক গাড়ির মডেল উদ্বোধন করে। এ জন্য শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করলেও কোম্পানিটির সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। অবশেষে দুই দশক পরে আবার তারা ইভি উৎপাদনের পথে এসেছে। সেই দেশের বৃহৎ আরেক গাড়ি প্রস্তুতকারক ফোর্ড মোটরও জানিয়েছে, তারা ২০৩০ সাল নাগাদ ইউরোপে যত গাড়ি বিক্রি করবে তার সবগুলোই হবে বিদ্যুৎচালিত।

    আবার জার্মানির গাড়ি প্রস্তুতকারক ফক্স ওয়াগনও জানিয়েছে, ২০৩০ সালে তাদের বিক্রীত গাড়ির ৭০ শতাংশই হবে বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি)।

    জাপানের টয়োটা মোটর করপোরেশনও ২০২৫ সাল নাগাদ বৈশ্বিক বাজারে ব্যাপক হারে বৈদ্যুতিক গাড়ি সরবরাহ করতে চায়।

    বৈদ্যুতিক গাড়ির বিকাশ অনেকটা ইন্টারনেট বিপ্লবের মতো হবে। বলা হচ্ছে, গত শতকের নব্বইয়ের দশক বা এই শতকের শুরুতে পৃথিবীব্যাপী কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও বিশ্বের শীর্ষ ধনী জেফ বেজোসের আমাজন কিংবা সার্চ ইঞ্জিন ইয়াহু ও গুগলসহ অনলাইনভিত্তিক নানা ধরনের সেবার প্রচলন যেভাবে দ্রুতগতিতে বিকশিত হয়েছে, ঠিক সেভাবে বৈদ্যুতিক গাড়িও দ্রুত বাজার দখল করে নেবে। স্মার্টফোন এসে তো ইন্টারনেটভিত্তিক সেবায় রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে। সে রকম বড় বিপ্লবই আশা করা হচ্ছে বৈশ্বিক গাড়ি শিল্পে।

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ক্লিন এনার্জি রিসার্চ গ্রুপের আরএমআইর কর্মকর্তা ম্যাডেলিন টাইসন বলেন, এক দশক আগে তেসলার মতো একটি বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি চার্জ করাতে ঘণ্টায় প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের খরচ পড়ত এক হাজার ডলার। তা কমে এখন ১০০ ডলারে নেমে এসেছে।

    পর্যবেক্ষকেরা বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজার সম্ভাবনা সম্পর্কে বলেন, দিন দিন ব্যবহার ও বিক্রি বৃদ্ধি পাওয়ায় অর্থাৎ বাজার সম্প্রসারণের ফলে কম্পিউটারের দাম ও ইন্টারনেটের খরচ কমেছে। আবার দাম কমার কারণেও বাজার বেড়েছে। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলো, ১৯৯৫ সালে বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১ কোটি ৬০ লাখ, যা ২০০১ সালে বেড়ে হয় ৫১ কোটি ৩০ লাখ। আর এখন বিশ্বে ৩০০ কোটির বেশি মানুষ কোনো না কোনোভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। একইভাবে ইভি গাড়ির ব্যবহার মানে বাজার বাড়বে বলে মনে করা হয়। অর্থাৎ ব্যবহার বাড়লে দাম কমবে, আবার দাম কমলেও ব্যবহার বাড়বে।

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ক্লিন এনার্জি রিসার্চ গ্রুপ আরএমআইর কর্মকর্তা ম্যাডেলিন টাইসন বলেন, এক দশক আগে তেসলার মতো একটি বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি চার্জ করাতে ঘণ্টায় প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের খরচ পড়ত এক হাজার ডলার। তা কমে এখন ১০০ ডলারে নেমে এসেছে।

    বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের কোম্পানি তেসলার সর্বশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি মডেল থ্রি একবার চার্জ করলে ৩০০ মাইল পর্যন্ত চলতে পারে। আর ৩ দশমিক ১ সেকেন্ডের মধ্যে এই গাড়ির গতি শূন্য থেকে ৬০ কিলোমিটারে ওঠে।

    বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিশ্বে ২০২০ সালে অন্য সব মোটর গাড়ির বিক্রি যেখানে কমেছে, সেখানে ইভি গাড়ির বিক্রি ৪৩ শতাংশ বেড়েছে। মোট গাড়ি বিক্রি হয়েছে ৩২ লাখ।

    ইলন মাস্ক গত মাসে জানিয়েছিলেন, তাঁর কোম্পানি তেসলার তৈরি বৈদ্যুতিক গাড়ির মডেল থ্রি সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে। আর তুলনামূলক সস্তা দামের মডেল ওয়াই অন্য সব গাড়ির চেয়ে বেশি বিক্রি হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রতি গ্রাহকদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ অগ্রিম বিষয়টি লক্ষ করেছি।’

    সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক ইউবিএসও বলেছে, ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বে মোট গাড়ি বিক্রির ২০ শতাংশ হবে বৈদ্যুতিক গাড়ি। এই হার ২০৩০ সালে ৪০ শতাংশে উন্নীত হবে। আর ২০৪০ সালে যত গাড়ি বিক্রি হবে তার সবগুলোই হবে বৈদ্যুতিক গাড়ি। এ ধরনের গাড়ির উৎপাদন বাড়লে দামও কমবে। তখন আর বাজারে ডিজেল ও পেট্রলচালিত গাড়ি থাকবে না।

    তবে বৈদ্যুতিক গাড়ি কিনলেই তো আর হবে না, বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে কম খরচে এখানে-ওখানে এটির ব্যাটারি চার্জ করার সুবিধাও থাকতে হবে। এ জন্য অবশ্য নতুন বিনিয়োগের প্রয়োজন পড়বে। তবে সেটিও সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এক শ’ বছর আগে পেট্রল স্টেশন নেটওয়ার্কও এভাবেই দ্রুত গড়ে উঠেছিল।

    প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের সুবাদে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) প্রবল সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে দেশে দেশে সরকারগুলো এখন পেট্রল ও ডিজেলচালিত গাড়ি বিক্রি নিষিদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। একই সঙ্গে তারা ইভির উৎপাদন ও ব্যবহার উৎসাহিত করতে সুবিধা দিচ্ছে। যেহেতু দুনিয়ার বড় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এরই মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদনে বড় বিনিয়োগ শুরু করেছে সেহেতু বাংলাদেশকেও একই পথে হাঁটতে হবে। এদিকে বাংলাদেশ সরকারও এবারই প্রথম দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির মালিকদের বাজেটে স্বীকৃতি দিয়েছে। সেটি অবশ্য করা হয়েছে অগ্রিম কর পরিশোধ বিষয়ে। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী এই ধরনের গাড়ির মালিকদেরও অগ্রিম কর দিতে হবে। ৭৫ কিলোওয়াটের গাড়ির অগ্রিম কর দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা। যত কিলোওয়াট বাড়বে, অগ্রিম করের পরিমাণও তত বাড়বে। ১৭৫ কিলোওয়াটের গাড়ির মালিককে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা অগ্রিম কর দিতে হবে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 5 years আগে

    বৈদ্যুতিক গাড়ি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার বিভ্রাট

    কোরবানির আগে কমেছে মসলার দাম

    ঈদুল আজহায় সাত দিনের ছুটি ঘোষণা

    এপ্রিলেও বাড়লো মূল্যস্ফীতি

    সংকটে রফতানি খাত; পুনরুদ্ধার সম্ভব?

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুযোগ দিল ইসলামী ব্যাংক

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ইডি হলেন নরসিংদীর আশিকুর রহমান

    অবৈধ সম্পদ ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলা
    বেনজীরের নথিপত্র দুবাইয়ে পাঠাবে দুদক

    সংশোধিত বাজেট পেশ
    ঘাটতি ২ লাখ কোটি টাকা, ছাঁটাই প্রস্তাব ৩০৪টি

    আর্জেন্টিনার সমর্থক পারশার উচ্ছ্বাস

    অস্থিরতার মুখে পুরো জ্বালানি খাত

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন
    কৃষিতে বাজেট বাড়ালেও কমছে উৎপাদনশীলতা

    কালোটাকা সাদা করার সুযোগও রাখা হয়নি: এনবিআর

    বিশ্ববাজারে ৩ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে তেলের দাম

    তিউনিসিয়াকে গোল বন্যায় ভাসালো সুইডেন

    প্রণোদনার অর্থ আটকে কমছে ব্যাংকের মুনাফা

    স্বর্ণ বিক্রির মুনাফায় ১৫% কর!

    ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    রিজার্ভ বেড়ে সাড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার

    আড়াই হাজার কোটি টাকা পেল ইসলামী ব্যাংক

    প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    সাইবার অপরাধ ও নারীর হেনস্থা

    অনুমোদন দেয়নি ভারত
    নেপাল থেকে বাড়তি বিদ্যুৎ আসছে না বাংলাদেশে

    ড্র করে শেষ রক্ষা পেল ব্রাজিল

    কক্সবাজারে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
    বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.