Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পরিচালনা পর্ষদই খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলি করতে পারবে

    জুলাই ১৯, ২০২২ ৪:০৬ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ব্যাংকিং খাতে পাহাড়সম খেলাপি ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ঋণখেলাপিদের আবারও বড় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদই খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলি বা নিয়মিত করতে পারবে। অর্থাৎ খেলাপি ঋণের ধরন বিবেচনা করে ব্যাংকের পর্ষদ ঠিক করবে কী ধরনের সুবিধা দেয়া যেতে পারে। তবে ঋণ নিয়মিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছে।

    ‘ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ ও পুনর্গঠন’ সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, খেলাপি ঋণ নিয়মিত করতে এখন আড়াই থেকে সাড়ে ৪ শতাংশ অর্থ জমা দিলেই চলবে; আগে যা ছিল ১০ থেকে ৩০ শতাংশ। এসব ঋণ পাঁচ থেকে আট বছরে শোধ করা যাবে। আগে ঋণ শোধ করতে সর্বোচ্চ দুই বছর সময় দেওয়া হতো। আবার নতুন করে ঋণও পাওয়া যাবে।

    তবে নতুন নীতিমালার মাধ্যমে জাল-জালিয়াতি ও অনিয়ম-প্রতারণার ঋণ এই সুবিধার আওতায় নিয়মিত করা যাবে না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি এবং নীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। আগে বিশেষ সুবিধায় ঋণ নিয়মিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নেয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক যাচাই-বাছাই করে স্বয়ং গভর্নর অনুমোদন করতেন।

    নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯-এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব, বহির্বিশ্বে সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থা প্রলম্বিত হওয়ার কারণে উদ্ভূত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা চলছে। নতুনভাবে কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও শ্রেণীকৃত ঋণের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা জারি করা হলো।

    এতে আরও বলা হয়েছে, এই নীতিমালা ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ ও পুনর্গঠনের ন্যূনতম মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাংকগুলো ঋণ পুনঃতফসিলি ও পুনর্গঠন সংক্রান্ত নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়ন করবে, যা তাদের পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

    ব্যাংকের নীতিমালায় প্রজ্ঞাপনে দেয়া শর্তের চেয়ে নমনীয় কোনো শর্ত যুক্ত করা যাবে না।

    নীতিমালায় অনুৎপাদনশীল খাতের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অথবা উৎপাদনশীল খাতের অলাভজনক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ থাকতে হবে।

    কোনো ঋণগ্রহীতা প্রয়োজনীয় ডাউন পেমেন্ট দিয়ে ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের আবেদন করলে ব্যাংক আবশ্যিকভাবে আবেদনপত্র গ্রহণের তিন মাস সময়ের মধ্যে তা নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    এ ছাড়া ঋণ পুনঃতফসিলি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকের দায় বিবেচনায় নিয়ে গ্রাহকের সামগ্রিক ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা যাচাই করতে হবে।

    শ্রেণীকৃত ঋণ সর্বোচ্চ তিনবার পুনঃতফসিলীকরণ করা যাবে। তবে খেলাপি ঋণ আদায়ের স্বার্থে বিশেষ বিবেচনায় চতিুর্থ বার পুনঃতফসিল করা যাবে।

    ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের ক্ষেত্রে মেয়াদি ঋণে ১০০ কোটি টাকার কম হলে সর্বোচ্চ সময়সীমা হবে ছয় বছর। এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম ডাউন পেমেন্টের হার হবে সাড়ে ৪ থেকে ৭ শতাংশ। ১০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে হলে সর্বোচ্চ সময়সীমা হবে সাত বছর এবং ডাউন পেমেন্টের হার হবে সাড়ে ৩ থেকে ৬ শতাংশ। ৫০০ কোটি টাকার ওপর হলে সর্বোচ্চ সময়সীমা হবে আট বছর এবং ডাউন পেমেন্টের হার হবে আড়াই থেকে ৫ শতাংশ।

    তবে তলবি ঋণে ৫০ কোটি টাকার কম হলে সর্বোচ্চ সময়সীমা হবে পাঁচ বছর এবং ন্যূনতম ডাউন পেমেন্টের হার হবে ৪ শতাংশ, ৫০ থেকে ৩০০ কোটির কম হলে সর্বোচ্চ সময়সীমা ছয় বছর এবং ডাউন পেমেন্টের হার হবে ৩ শতাংশ। ৩০০ কোটি টাকার ওপরে হলে সময়সীমা হবে সর্বোচ্চ সাত বছর এবং ডাউন পেমেন্টের হার হবে আড়াই শতাংশ।

    এ ক্ষেত্রে কোনো গ্রাহকের ঋণ হিসাব দ্বিতীয় পুনঃতফসিলীকরণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মেয়াদ সাত বছর হলে তৃতীয় পুনঃতফসিলীকরণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ছয় বছর এবং চতুর্থ পুনঃতফসিলীকরণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

    এ ছাড়া কৃষি ও ক্ষুদ্রঋণ প্রথম বার পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ তিন বছর এবং দ্বিতীয় ও তৎপরবর্তী প্রতিবার পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ২ বছর ৬ মাস।

    ঋণের পরিমাণ বিবেচনায় ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে গ্রেস পিরিয়ড ছয় মাস হবে। তবে গ্রাহকের ক্ষতির পরিমাণ বিবেচনায় উক্ত গ্রেস পিরিয়ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর নির্ধারণ করা যাবে।

    নীতিমালার আওতায় ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের পর পুনঃতফসিলকৃত ঋণ স্থিতির ন্যূনতম ৩ শতাংশ (রপ্তানিকারক ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে ২ শতাংশ) নগদে আদায় সাপেক্ষে ঋণগ্রহীতাকে নতুন ঋণ সুবিধা প্রদান করা যাবে এবং ঋণগ্রহীতার বিদ্যমান ঋণসীমা বৃদ্ধি করা যাবে।

    তবে নতুন ঋণ মঞ্জুরি বা ঋণসীমা বৃদ্ধির আগে গ্রাহক প্রকৃতই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল মর্মে ব্যাংক কর্তৃক নিশ্চিত হতে হবে। এ ছাড়া দীর্ঘদিনের পুরোনো খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের নতুন ঋণ প্রদানে ব্যাংক কর্তৃক সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    নিয়মিত মেয়াদি ঋণ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে সার্কুলারে বলা হয়েছে, নিয়মিত (অশ্রেণীকৃত: স্ট্যান্ডার্ড বা এসএমএ) মেয়াদি ঋণের বিদ্যমান অবশিষ্ট মেয়াদের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মেয়াদ বর্ধিত করে ঋণ পুনর্গঠন করা যাবে। কোনো ঋণ হিসাবকে ঋণের মেয়াদের মধ্যে শুধুমাত্র একবার এরূপ পুনর্গঠন সুবিধা প্রদান করা যাবে। এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ডাউন পেমেন্ট গ্রহণ না করে মেয়াদি ঋণ পুনর্গঠন করা যাবে।

    ঋণ পুনর্গঠন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পরিচালনা পর্ষদ/নির্বাহী কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। পুনঃতফসিলকৃত কোনো ঋণ পুনর্গঠন করা যাবে না।

    নীতিমালার শর্ত অনুযায়ী, তলবি ঋণ, চলমান ঋণ বা মেয়াদি ঋণ বিভিন্ন প্রকৃতির হওয়ায় এ-জাতীয় ঋণসমূহকে একত্রিত করে একক ঋণ হিসেবে পুনঃতফসিল করা যাবে না। তবে একই প্রকৃতির একাধিক ঋণ হিসাবকে (পুনঃতফসিলের ক্রম একই হওয়া সাপেক্ষে) একত্রিত করে একক ঋণ হিসেবে পুনঃতফসিল করা যাবে।

    শ্রেণীকৃত কোনো ঋণ এ প্রজ্ঞাপন জারির আগে চার বা ততোধিক বার পুনঃতফসিলকৃত হলে বিশেষ বিবেচনায় ঋণ হিসাবটি সর্বশেষ একবার পুনঃতফসিল করা যাবে, যা চতুর্থ বার হিসেবে গণ্য হবে।

    আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত এরূপ পুনঃতফসিলীকরণের সুযোগ থাকবে।

    চতুর্থ বার পুনঃতফসিলীকরণের পরও কোনো ঋণ খেলাপি হয়ে পড়লে পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে ব্যাংককে আবশ্যিকভাবে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জাল-জালিয়াতি বা অন্য কোনো ধরনের অনিয়মের মাধ্যমে সৃষ্ট ঋণের ক্ষেত্রে এসব সুবিধা প্রদান করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে সার্কুলারে।

    মহামারি করোনার কারণে দেয়া ছাড় উঠে যাওয়ার পর ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। ব্যাংক খাতে মার্চ শেষে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। নতুন করে অনেক ঋণ খেলাপি হয়ে যাওয়ার তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

    পাশাপাশি করোনায় অর্থনীতি গতি ধরে রাখতে যে দেড় লাখ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে, তারও বড় একটা অংশ অনাদায়ি হয়ে পড়েছে। এই কারণে এখন ছাড় দিয়ে খেলাপি ঋণের লাগাম টেনে ধরতে চাইছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    করোনা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও বন্যার কারণে এর আগেও ঋণখেলাপিদের অনেক ছাড় দেয়া হয়েছে।
    #
    অকা/ব্যাংখা/দুপুর, ১৯ জুলাই, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    পরিচালনা পর্ষদই খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলি করতে পারবে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.