Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    শিল্পখাতে ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ বেড়েই চলেছে

    অক্টোবর ৪, ২০২২ ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশে শিল্পখাতে ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) খেলাপি ঋণের পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে, যেসব প্রতিষ্ঠান অতীতেও বিভিন্ন কেলেঙ্কারির জন্য পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের পরিমাণ অনেক বেশি।

    চলতি বছরের জুন শেষে দেখা যায়, দেশের ১৬টি ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শিল্পখাতে মোট খেলাপি ঋণের গড় হার দাঁড়িয়েছে ৪০ শতাংশের ওপরে।স্বতন্ত্রভাবে, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রত্যেকটিরই বকেয়া শিল্প ঋণের অন্তত ৩০ শতাংশ খেলাপি অবস্থায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যথাযথভাবে ক্রেডিট রিস্ক মূল্যায়ন ছাড়াই বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়ার কারণে খেলাপির পরিমাণ এত বেশি বেড়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশের ব্যাংক ও এনবিএফআইগুলোর কাছে শিল্পখাতে প্রায় ৬.৬৯ লাখ কোটি টাকা বকেয়া ঋণ জমেছে। এরমধ্যে ৫৮ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা খেলাপি হয়েছে, যা মোট অঙ্কের প্রায় ৯ শতাংশ। ৩ মাস আগেও শিল্পখাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫২ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা।

    প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, খারাপ অবস্থায় থাকা ৯টি ব্যাংক ও ৭টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শিল্পখাতে মোট ঋণের পরিমাণ ৫৬ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণ রয়েছে ২৪ হাজার ৬১১ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪৩.২৩ শতাংশ।

    ব্যাংকগুলো হলো- বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক। অন্যদিকে নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, সিভিসি ফাইন্যান্স, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, ফাস ফাইন্যান্স, আইআইডিএফসি ফাইন্যান্স এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঠিকভাবে ঋণ বিতরণ না করায় কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। বেশিরভাগ ঋণ বিতরণ হয়ে থাকে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানে, যাতে আদায়ে ব্যর্থ হলে খেলাপির পরিমাণটা বেড়ে যায়। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান আবার অতিরিক্ত মুনাফার লাভে যাছাই-বাছাই ছাড়াই কিছু প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিচ্ছে, যা সহজেই হয়ে যাচ্ছে খেলাপি।

    এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, শিল্প খাতে ছোট প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানের খেলাপি হওয়ার হার বেশি।

    "বড় প্রতিষ্ঠানগুলো খেলাপি হওয়ার পরও বারবার ঋণ পাচ্ছে। তাই এ খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ছেই। এছাড়া পুনঃতফসিলীকরণ ও পুনর্গঠন সুবিধার কারণে এ খাতের দুর্দশাগ্রস্ত ঋণ, খেলাপি ঋণের চেয়ে অনেক বেশি," যোগ করেন তিনি।

    তিনি বলেন, "বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠানের কাছে খেলাপি ঋণ বেশি। কারণ এরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। যারা ধরাছোঁয়ার বাইরে তাদের নতুন করে ঋণ দেওয়া বন্ধ করে দিতে হবে। নতুন ঋণ যাতে না বাড়ে এটি নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই এ খাতে খেলাপি ঋণ কমবে।"

    ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এমরানুল হক বলেন, "আমাদের দেশের সব ব্যাংকই শিল্প খাতে ঋণ দিতে উৎসাহিত করে। এই ঋণ সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি এবং বড় অঙ্কের হয়। এ কারণেই যখন এই ধরনের ঋণ খেলাপি হয়ে যায়, তখন সামগ্রিকভাবে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের অঙ্কটাও বেড়ে যায়।"

    তিনি আরও বলেন, কিছু ব্যাংকে খেলাপি শিল্প ঋণের পরিমাণ বেশি, কারণ ব্যাংকগুলো প্রকল্প ঋণের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে ঝুঁকি মূল্যায়ন করে না।

    প্রকল্পের জন্য কত টাকা প্রয়োজন, প্রকল্পটি কার্যকর কিনা, এর ব্যবস্থাপনা সক্ষম কিনা এবং বাজারে ঋণগ্রহীতার প্রতিযোগিতা কতটুকু- এসব বিষয় সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করা হলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, "শিল্প ঋণ খুবই টেকনিক্যাল একটি বিষয়। যেসব ব্যাংকের ভালো টেকনিক্যাল নলেজ রয়েছে, তারা এই ঋণগুলো ভালোভাবে পরিচালনা করতে পারে; আর যারা যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়াই ঋণ দেয়, তাদের ক্ষেত্রেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়তে দেখা যায়।"

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২২ সালের জুন শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। এরমধ্যে শিল্পখাতে খেলাপি ৫৮ হাজার ১৪৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, যা ব্যাংকিং খাতের মোট খেলাপি ঋণের ৪৬.৪১ শতাংশ। শিল্পখাতের খেলাপি ঋণের ব্যাংকগুলোতে রয়েছে ৪৭ হাজার ৬১৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

    অন্যদিকে, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেওয়া মোট ১৫ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা ঋণের ১০ হাজার ৫২৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকাই খেলাপি ঋণ, যা শিল্পখাতে দেওয়া খেলাপি ঋণের ৬৬ শতাংশ।

    বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেলাপি বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে। বেসরকারি ব্যাংকে শিল্পখাতে খেলাপির পরিমাণ ১৯ হাজার ৬৮৯ কোটি বা ৫.৬৬ শতাংশ। এসব ব্যাংকের মোট শিল্প ঋণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা।

    এরপর রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ৬ ব্যাংকে খেলাপি ১৯ হাজার ৫২৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা, যা বিতরণকৃত ঋণের ২২.৫৬ শতাংশ। এই ব্যাংকগুলোর শিল্পঋণের পরিমাণ ৮৬ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৮৪ কোটি টাকা, যা ৩ মাস আগে ছিল ১ লাখ ২১ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা। সে হিসেবে ৩ মাসের ব্যবধানে শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ৬ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা বা ৫.৫১ শতাংশ।

    এদিকে, শিল্পঋণ বিতরণ বাড়লেও আদায়ের হারের অবস্থা নাজুক। চলতি বছরের জুন শেষে আদায় কমেছে ১৩ শতাংশের বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে শিল্পখাতে ঋণ আদায় হয়েছে ৮৮ হাজার ২৩১ কোটি টাকা, যা ৩ মাস আগে ছিল ১ লাখ ১ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা। সে হিসেবে ৩ মাসের ব্যবধানে শিল্পখাতে ঋণ আদায় কমেছে ১৩ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা বা ১৩.৩৯ শতাংশ।

    #

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ৪ অক্টোবর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    শিল্পখাতে ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ বেড়েই চলেছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ঈদের আগেই ছয় প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন শুরু
    এনবিএফআই খাতে অবসায়নের পথে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.