Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    অস্বাভাবিকভাবে কমেছে ব্যাংক খাতের তারল্য

    ডিসেম্বর ২২, ২০২২ ৪:০৫ পূর্বাহ্ণUpdated:ডিসেম্বর ২২, ২০২২ ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    অস্বাভাবিকভাবে কমেছে ব্যাংক খাতের তারল্য। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই তিন মাসে তারল্য কমেছে ২৭ হাজার ১৫১ কোটি টাকা। গত বছরের জুন শেষে ব্যাংকে মোট তারল্য ছিল ৪ লাখ ৩১ হাজার ৯২৯ কোটি টাকা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৪ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকায়। তবে গত অক্টোবরে এসে তারল্য কিছুটা বেড়েছে।

    ওই সময়ে মোট তারল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকায়। এ হিসাবে গত জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই চার মাসে তারল্য কমেছে ২৬ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

    প্রতিবেদনে ব্যাংকিং খাতে তারল্য কমার জন্য চারটি কারণকে শনাক্ত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এগুলো হচ্ছে-করোনার পর হঠাৎ করে চাহিদা বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে বাড়তি প্রবৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ার কারণে আমদানি ব্যয়ের মাত্রাতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি ও ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে গ্রাহকরা নিজেদের হাতে রাখার প্রবণতা বেড়ে যাওয়া।

    সূত্র জানায়, এসব কারণের বাইরেও ব্যাংকিং খাতে তারল্য কমার আরও কিছু কারণ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, ‘ব্যাংকিং খাতে টাকা নেই’। এ ধরনের গুজবের শিকার হয়ে ব্যাংক থেকে অনেকে টাকা তুলে নিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে ব্যাংকিং খাতে তারল্যের জোগান স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নগদ টাকার জোগান বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে মুদ্রানীতির বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে ব্যাংকগুলোর চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা দেওয়া হয়েছে প্রায় প্রতিদিনই। কোনো কোনোদিন ১৩ হাজার কোটি টাকারও জোগান দেওয়া হয়েছে। এর বিপরীতে অনেক উপকরণের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ওইসব অর্থ ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ফেরত দিয়ে নতুন করে টাকা নিয়েছেন। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।

    সূত্র জানায়, ডলারের দাম ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সরকারি ও বেসরকারি খাতে ঋণের জোগান বেড়েছে। আমদানি ব্যয় মেটাতে ব্যাংকগুলোকে ডলার দিতে হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতে ঋণ বাড়ায় ও গ্রাহকরা নগদ টাকা তুলে নেওয়ায় সার্বিকভাবে ব্যাংকে তারল্য কমেছে। এদিকে ব্যাংকের আমানত, রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স কমায় নতুনভাবে তারল্যের জোগান কমেছে। এসব মিলে ব্যাংকিং খাতে তারল্য কমেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২০ সালের জুন থেকে ব্যাংকিং খাতে তারল্য পরিস্থিতি বাড়তে থাকে। ওই বছরের জুনে তারল্য ছিল ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। একই বছরের সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ওই বছরের ডিসেম্বরে তা আরও বেড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। করোনার কারণে ওই সময়ে ঋণপ্রবাহ কমে যাওয়া ও আমানত বাড়ার কারণে তারল্য বেড়েছিল। ২০২১ সালের মার্চে তারল্য ২০২০ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় কিছুটা বেড়েছিল। ২০২১ সালের জুনে এসে তারল্য আরও বেড়ে ৪ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তারল্য ছিল ৪ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা। ওই বছরের ডিসেম্বরে সামান্য বেড়ে ৪ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়ায়। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে তারল্য কমতে থাকে। মার্চে কমে ৪ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকায় নামে। জুনে সামান্য বেড়ে ৪ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা হয়। সেপ্টেম্বরে তা আরও কমে ৪ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়ায়। তবে অক্টোবরে কিছুটা বেড়ে ৪ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং খাতে তারল্য পরিস্থিতি এভাবে কখনো কমেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অপর একটি প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, গত জুনে ব্যাংকিং খাতে মোট তারল্য ছিল ৪ লাখ ৪১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা। এ হিসাবে গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে তারল্য কমেছে ৩৬ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা। গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের হিসাবে এক বছরে তারল্য কমেছে ২৮ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা।

    এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, ব্যাংকিং খাতে তারল্য পরিস্থিতি সব সময়ই ওঠানামা করে। এটি বিশেষ করে ব্যাংকগুলোর আমানত সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা জুন ও ডিসেম্বরভিত্তিক সময়ের সঙ্গে তুলনা করে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। এ কারণে জুন ও ডিসেম্বরে আমানত বেড়ে যায়। মার্চ ও সেপ্টেম্বরে তা কিছুটা কমে যায়।

    তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, তারল্য পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে তারল্য বেড়েছে। ডিসেম্বরে গিয়ে তা আরও বাড়বে। কারণ ওই সময়ে আমানত বাড়াতে ব্যাংকগুলো নানা পদক্ষেপ নেয়। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে চাহিদা অনুযায়ী তারল্যের জোগান দেওয়া হচ্ছে।

    ডিসেম্বরের শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) এক সেমিনারে বলেছিলেন, ‘গুজব দ্বারা প্রভাবিত হয়ে গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছিলেন। সেই টাকা ফেরত আসতে শুরু করেছে।’

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত তারল্য কমেছে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা।

    সূত্র জানায়, ব্যাংকিং খাতে ডলার সংকটের কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আমদানি ব্যয় ও বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছিল না। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ডলারের জোগান দেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৭৬২ কোটি ডলার বিক্রি করেছে। এর বিপরীতে ক্রয় করেছে মাত্র ২১ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের জুলাই সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে কোন ডলার ক্রয় করেনি। উলটো ৩৫৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। এর আগে গত এপ্রিল থেকে জুন সময়ে বিক্রি করেছিল ৩৫৮ কোটি ডলার। এ হিসাবে গত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে বিক্রি করেছে ৭১৪ কোটি ডলার। এ খাতে প্রায় ৭১ হাজার কোটি টাকা বাজার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চলে গেছে। তারল্য সংকটের এটিও একটি কারন। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় কমেছে। বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ কমার কারণেও টাকার প্রবাহ কমেছে।

    গত অর্থবছরের প্রথম দিকে ডলারের সংকট তেমন একটা ছিল না। গত এপ্রিল থেকে সংকট প্রকট হতে শুরু করে। এ কারণে গত পুরো অর্থবছরের তুলনায় গত ছয় মাসে প্রায় সমান ডলার বিক্রি করা হয়েছে। এদিকে গত ১ জুলাই থেকে গত ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ৬১০ কোটি ডলার বিক্রি করেছে। এ হিসাবে গত অর্থবছর থেকে চলতি অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ১ হাজার ৩৭২ কোটি ডলার বিক্রি করেছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে।

    একই সময়ে ডলারের বিপরীতে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন হয়েছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতি ডলার ছিল ৮৪ টাকা ৮৪ পয়সা। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৫ টাকা ৫০ পয়সা। ওই এক বছরে ডলারের দাম বেড়েছে ৬৬ পয়সা। গত সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৬ টাকা। ওই দুই বছরে ডলারের দাম বেড়েছে ১১ টাকা ১৬ পয়সা। বর্তমানে ডলার সর্বোচ্চ বিক্রি হচ্ছে ১০৭ টাকা করে। এ হিসাবে দাম বেড়েছে ২২ টাকা ১৬ পয়সা।

    চলতি বছরের এপ্রিল থেকেই ডলারের দাম বেশি বেড়েছে। গত এপ্রিলের শুরুতে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৮৬ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১০৭ টাকা। গত আট মাসে ডলারের দাম বেড়েছে ২১ টাকা।

    ডলারের দাম ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বেড়েছে লাগামহীনভাবে। গত অর্থবছরে আমদানি ব্যয় বেড়েছিল প্রায় ৪৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেড়েছে ৮ শতাংশ। গত অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়েছিল ৮ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেড়েছে ১৪ শতাংশ। #

    অকা/ব্যাংখা/ দুপুর, ২১ ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    অস্বাভাবিকভাবে কমেছে ব্যাংক খাতের তারল্য

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.