Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    কম মুনাফার কারণে প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগ কমছে

    জানুয়ারি ৪, ২০২৩ ৪:২৭ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেশের ডলার বাজারের অস্থিতিশীলতার মধ্যে প্রিমিয়াম বন্ডের মুনাফার হার কমানোয় সরকারি তিনটি বন্ডে প্রবাসীদের নিট বিনিয়োগ ৪৯ মিলিয়ন ডলার কমেছে। ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাকাল প্রবাসীরা বন্ডে বিনিয়োগ না করে সঞ্চিত অর্থ আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে সরকার ২.৫ শতাংশ প্রণোদনা দেয়। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের মতে, বাংলাদেশিদের কাছে কম-রিটার্নের বন্ডে বিনিয়োগের চেয়ে এই আড়াই শতাংশ প্রণোদনাকে বেশি লাভজনক মনে হয়েছে।

    প্রবাসীদের জন্য তিনটি বন্ড সেভিংস স্কিম রয়েছে—ওয়েজ-আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড। তিন থেকে পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়া সাপেক্ষে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত এই বন্ড তিনটিতে সাড়ে ৬ শতাংশ ১২ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যেত। কিন্তু এরপরই সুদের হার গড়ে ৪৪ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়।

    একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, প্রবাসীদের বন্ডে বিনিয়োগের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারা বর্তমান ডলার রেটে সুবিধা পাবেন নাকি বিনিয়োগকালীন রেট পাবেন, তা স্পষ্ট নয়।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, 'দেশের ডলারের তুলনায় টাকার মান কমছে। গত দেড় বছরে ডলারের দাম বেড়েছে প্রায় ২৩ টাকা। এই সময়ে প্রবাসীরা আশঙ্কায় ছিলেন কোথায় বিনিয়োগ করলে তাদের জন্য ভালো হবে। যেহেতু নিয়মিত ডলারের দাম বাড়ছে, তাই তারা বন্ডে বিনিয়োগ না করে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এছাড়া অনেকে বিদেশেই বিনিয়োগ করেছেন।'

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক বলেন, ওয়েজ-আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডের বিনিয়োগ ও এর মুনাফা স্থানীয় মুদ্রা টাকায় নেওয়ার সুযোগ আছে। আর ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডের মেয়াদ শেষ হলে বিনিয়োগ ডলারে নিতে হয়। এই দুটি স্কিমে প্রবাসীদের বিনিয়োগ শুরুর দিনে দেশের বাজারে ডলারের রেট অনুযায়ী টাকায় রূপান্তর করে বিনিয়োগ দেখানো হবে। বন্ডের মেয়াদ শেষ হলে এর সঙ্গে তার সুদ যোগ হবে।

    প্রবাসীদের বন্ডে বিনিয়োগ কমার বিষয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বন্ডের সুদহার বৃদ্ধি পাওয়ার প্রভাব দেশের প্রবাসী বন্ডের বিনিয়োগে পড়েছে।

    তবে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ডিস্টিংগুইশড ফেলো মুস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, সুদ কমার কারণে বন্ডে বিনিয়োগ কমেছে, এমনটি নয়। তার মতে, বন্ডে বিনিয়োগ কমার মূল কারণ ডলারের বাজারের অস্থিরতা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে, ২০২২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ওয়েজ-আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডের নিট বিক্রি কমেছে ৩৫ মিলিয়ন ডলার। তার আগের বছর এ বন্ডের নিট বিক্রি ছিল ১০৭ মিলিয়ন ডলার; ২০২০ সালে ছিল ১৩৫ মিলিয়ন ডলার। আর ২০১৯ ও ২০১৮ সালে এ বন্ডের নিট বিক্রি ছিল যথাক্রমে ১২৫ মিলিয়ন ও ২০০ মিলিয়ন ডলার।

    ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডের নিট বিক্রিও কমেছে। ২০২১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বন্ডটির নিট বিক্রি ছিল ঋণাত্মক ১৪ মিলিয়ন ডলার। ২০২১ সালেও এ বন্ডের নিট বিক্রি ছিল ঋণাত্মক ৯ মিলিয়ন ডলার। যদিও ২০২০ সালে নিট বিক্রি ছিল ২২ মিলিয়ন ডলার। আর ২০১৯ ও ২০১৮ সালে ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডের নিট বিক্রি ছিল যথাক্রমে ২৫ মিলিয়ন ও ২২ মিলিয়ন ডলার।

    ২০২২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ডের নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ২.১৬ মিলিয়ন ডলার। ২০২১ সালে এ বন্ডের নিট বিক্রি ছিল ০.২ মিলিয়ন ডলার, ২০২০ সালে ছিল ঋণাত্মক ১ মিলিয়ন ডলার। আর ২০১৯ ও ২০১৮ সালে এ বন্ডের নিট বিক্রি ছিল যথাক্রমে ১.৯৫ মিলিয়ন ও ৩৬ মিলিয়ন ডলার।

    দেশে ১৯৮৮ সালে পাঁচ বছর মেয়াদি ওয়েজ-আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড এবং ২০০২ সালে তিন বছর মেয়াদি ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড চালু করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক ও এর বিদেশি শাখাসমূহ, এক্সচেঞ্জ হাউস, এক্সচেঞ্জ কোম্পানি ও স্থানীয় অনুমোদিত ডিলারদের (যেসব ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন করে) কাছ থেকে এসব বন্ড কেনা যায়।

    এই তিনটি বন্ডের মুনাফা আয়করমুক্ত। আবার বন্ডের বিপরীতে ঋণ নেওয়ার সুযোগও আছে। এছাড়া এসব বন্ডে একাধিক মেয়াদে বিনিয়োগ করার সুবিধা রয়েছে।

    তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, করোনা মহামারির আগে এসব বন্ডে বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রবণতা ছিল। তখন বিনিয়োগেও কোনো সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত ছিল না।

    কিন্তু ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সরকার তিনটি বন্ডে প্রবাসীদের জনপ্রতি বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা ১ কোটি টাকায় বেঁধে দেয়। এছাড়া এসব বন্ড কেনার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র থাকাটাও বাধ্যতামূলক করা হয়।

    ২০২২ সালের এপ্রিলে এই বিনিয়োগ সীমা তুলে দেওয়া হয়ে। কিন্তু সেইসঙ্গে সুদের হারও প্রায় অর্ধেক কমিয়ে ফেলা হয়। গত বছর জাতীয় পরিচয়পত্রের বাধ্যবাধকতাও আবার উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    ওয়েজ-আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে এখন ৯ শতাংশ সুদ পাওয়া যায়, আগে সুদ পাওয়া যেত ১২ শতাংশ। ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ডে এখন ৩.৫ শতাংশ সুদ দেওয়া হয়, আগে সুদ দেওয়া হতো ৭.৫ শতাংশ। আর ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে এখন ৩ শতাংশ সুদ পাওয়া যায়, আগে পাওয়া যেত ৬.৫ শতাংশ।

    জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগে সুদের হার কম থাকায় প্রভাব পড়েছে। তারা এখন এসব বন্ড জনপ্রিয় করার জন্য বিদেশে রোড শো করার পরিকল্পনা করছেন।

    #

    অকা/ব্যাংখা/ ০৪ জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    কম মুনাফার কারণে প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগ কমছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    অর্থপাচারের অভিযোগ থাকলে ফেরা যাবে না ব্যাংকের বোর্ডে

    ট্রেজারি বন্ডের সুদহারে উল্লম্ফন: ব্যাংক ঋণের ব্যয় বাড়ছে সরকারের

    আরো বাড়লো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    মহান মে দিবসের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
    নারী শ্রমে মানবতা ও বাস্তবতা

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    বাজেটে কালো টাকার সুযোগ এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি

    বিএসইসির বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
    অনলাইনে বিনিয়োগে সাবধান

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    পুঁজি বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর ডিএসই: কোম্পানি পরিদর্শনে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    বিমানের চেয়ারম্যান হলেন ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.