Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ঋণ পুনঃতফসিল সহজ হওয়ায় ঋণ অবলোপন কমেছে

    জানুয়ারি ১৫, ২০২৩ ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ12
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দীর্ঘদিন খেলাপি হয়ে থাকা গ্রাহকের ব্যাংক ঋণ আদায়ে 'রাইট-অফ' বা ঋণ অবলোপন পদ্ধতি কমিয়ে দিয়েছে ব্যাংকগুলো। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে দেশের ব্যাংকগুলোর রাইট-অফ ঋণ বার্ষিক (ইয়ার-অন-ইয়ার) প্রায় ৪৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগের বছর একই সময়ে রাইট অফ ঋণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১০ কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ব্যাংকগুলোর কাছে এখন খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের সহজ সুবিধা থাকায় এই পদ্ধতির ব্যবহার কমছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, গত বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলো তাদের খেলাপি ঋণের ১১ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা পুনঃতফসিল করেছে, যা ২০২১ সালের একই সময়ে ছিল ৫ হাজার ৪০২ কোটি টাকা। আর ২০২০ সালে এর পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৬২ কোটি টাকা।

    ২০০৩ সালে ব্যাংকিং খাতে লোন রাইট-অফ স্কিম চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর নিয়মিত ঋণের ০.২৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ প্রভিশন রাখার নিয়ম থাকলেও খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে এই সীমা ২০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত। কিন্তু রিট-অফের ক্ষেত্রে, পুরো ঋণের পরিমাণটিই প্রভিশন হিসাবে রাখতে হয়।

    ব্যাংকাররা বলছেন, আগে পুনঃতফসিল করতে হলে কেইস টু কেইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দারস্থ হতে হতো। এছাড়া, খেলাপি ঋণের বয়স তিন বছরের বেশি হয়ে গেলে, পুনঃতফসিল করতে না পেরে বাধ্য হয়ে লোন রাইট-অফ করতে হতো। তবে এখন সকল সুবিধা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের হাতে, তাই সহজেই ঋণ পুনঃতফসিল করে নেওয়া যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাইয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে ঋণ পুনঃতফসিলকরণের ক্ষমতা দেয়।

    এছাড়া, গত বছরের একই মাসে ব্যাংকের জন্য প্রবর্তিত নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়, খেলাপি ঋণ নিয়মিত করতে ২.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট করতে হবে। এর আগে, ঋণ নিয়মিতকরণের জন্য পরিশোধ করতে হতো (ডাউন পেমেন্ট) ঋণের ১০ থেকে ৩০ শতাংশ।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ব্যাংক যদি কোনো খেলাপি গ্রাহকের ঋণ ব্যালেন্স শিট থেকে মুছতে (রাইট-অফ) চায়, তাহলে ব্যাংকটিকে তার মুনাফা থেকে শতভাগ প্রভিশনিং করতে হবে। কিন্তু যদি মাত্র ২ থেকে ৪ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে খেলাপি ঋণ নিয়মিত করা যায়, তবে সেটিই ভালো।

    তিনি আরও বলেন, চলতি বছরজুড়ে অনেক ব্যাংকে তারল্য সংকট রয়েছে; এছাড়া খেলাপি ঋণের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে। এরমধ্যে ঋণ স্বাভাবিক করে যে পরিমাণ আদায় করা যায়, তা-ই ব্যাংকের জন্য ভালো। এ কারণে ব্যাংকগুলো পুনঃতফসিলের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

    ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আহসান আই মনসুর বলেন, একজন গ্রাহক ঋণ পরিশোধ করতে পারবে না, তার সেই সক্ষমতা নেই- সেই ঋণকে পুনঃতফসিল করে দেওয়া হলো ব্যাংকগুলোর চতুরতা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই জায়গায় শক্ত অবস্থান নেওয়া উচিত।

    একজন ভালো গ্রাহক যেকোনো কারণে খেলাপি গ্রাহক হতে পারে, তার অবস্থা বুঝে যদি তার ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা থাকে, তাহলে তাকে পুনঃতফসিল করে সুযোগ দেওয়া উচিত। ব্যাংকের বোর্ড ভালো হলেই এটি সম্ভব, যোগ করেন তিনি।

    ব্যাংক যদি প্রফিটে না থাকে, কোথা থেকে প্রভিশনিং করবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে সমস্ত ব্যাংক প্রফিটে নেই, তাদের মূলধন থেকে প্রভিশনিংয়ের টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংক কেটে রাখতে পারে। তবেই ব্যাংকগুলোর খেলাপি গ্রাহক কমবে এবং ব্যাংকগুলো ভালো গ্রাহককে ঋণ দেবে।

    করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে ২০২০ ও ২০২১ সালে ছাড় পেয়েছিলেন ব্যাংকের খেলাপি গ্রাহকরা। এর ফলে নিয়ন্ত্রণেই ছিল খেলাপি ঋণ। তবে এই সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত বছর থেকে বাড়তে শুরু করে খেলাপি ঋণের পরিমাণ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের শুরুতে ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১.০৩ লাখ কোটি টাকা। জুন শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়ায় ১.২৫ লাখ কোটিতে এবং সেপ্টেম্বর শেষে তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ১.৩৪ লাখ কোটি টাকায়।

    এদিকে, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ব্যাংকগুলো ৩৫০ কোটি টাকার সুদ মওকুফ করেছে। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর সুদ মওকুফ হয়েছে ২১২ কোটি টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য থেকে আরও জানা যায়, ২০১৯ সালে ব্যাংকগুলো ২ হাজার ২৯৩ কোটি টাকার ঋণের সুদ মওকুফ করেছে। অথচ এ সময় দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক ছিল।

    এছাড়া, ২০২০ সালে ১ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা এবং ২০২১ সালে ১ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা সুদ মওকুফ করা হয়েছিল। তবে বিদায়ী বছরের প্রথম নয় মাসে ব্যাংকগুলো ৩ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা ঋণের সুদ মওকুফ করেছে।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    ঋণ পুনঃতফসিল সহজ হওয়ায় ঋণ অবলোপন কমেছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.