Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    শেয়ারবাজারে সংকট বাড়ছেই

    ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৩ ৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    শেয়ারবাজারে সংকট বাড়ছেই। ক্রেতাশূন্য বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার। টানা সাত মাস ফ্লোর প্রাইসে আটকে আছে বাজার। অর্থাৎ কৃত্রিম সাপোর্ট দিয়ে বাজার ধরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। ২ শতাধিক কোম্পানির শেয়ারে কোনো ক্রেতা নেই। ফলে লেনদেন ২০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। নতুন কোনো আশার আলো নেই। ফলে হতাশ হয়ে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ আবারও রাস্তায় নেমে এসেছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিতে যে সংকট চলছে, শেয়ারবাজারে তার প্রভাব পড়ছে। পরিস্থিতির উন্নয়নে বর্তমান বাজারে সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে তেমন কিছুই করার নেই। ফলে ফ্লোর প্রাইস তুলে দিয়ে বাজারকে নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বলছে ভিন্ন কথা।

    জানতে চাইলে বিএসইসির চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, আশা করছি শিগগিরই বাজার ইতিবাচক হবে। কারণ এই মুহূর্তে বিভিন্ন কোম্পানির মূল্যস্তর যেখানে রয়েছে, তা যেকোনো বিনিয়োগকারীর জন্য আকর্ষণীয়। তবে তিনি বলেন, ফ্লোর প্রাইস আপাতত উঠানো হচ্ছে না। কারণ এটি তুলে দেওয়া হলে সূচক কমবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে আমরা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। তিনি বলেন, বাজারের উন্নয়নে ফ্লোর প্রাইস কোনো বাধা নয়। কারণ সূচক কিছুটা বাড়লে এটি এমনিতে উঠে যাবে। এ বিষয় নিয়ে কাজ করছে কমিশন।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, শেয়ারবাজারের বর্তমান অবস্থা অস্বাভাবিক, তবে অপ্রত্যাশিত নয়। কারণ সামগ্রিকভাবে অর্থনীতির যে অবস্থা তাতে বাজারের অবস্থা এরকমই হওয়া উচিত। তাদের মতে, গত ১০ বছরের বাজারের সমস্যাগুলো একই রকম। সেখানে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারা বলছেন, করোনার পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে অর্থনীতি বড় ধরনের চাপে রয়েছে। শেয়ারবাজারে সরাসরি এর প্রভাব পড়েছে। অর্থনীতির খারাপ অবস্থার কারণে ২০২২ সালের ২৮ জুলাই দ্বিতীয়বারের মতো ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে কমিশন। এর মানে হলো কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম এই সীমার নিচে নামতে পারবে না। এর বাইরে বাজারে আগের সমস্যাই রয়েছে। যেমন ২০১০ সালে বাজারে বিপর্যয় হয়েছিল। ওই সময়ের সঙ্গে বর্তমান বাজারের বেশ কয়েকটি জায়গার মিল রয়েছে। সে সময় বাজারে মার্জিন ঋণ ছিল সীমাহীন। ভালো কোম্পানির সংখ্যা ছিল কম। কোম্পানির মৌলভিত্তি নয়, বিনিয়োগ ছিল গুজবনির্ভর। সূচকের উত্থান ছিল খুব দ্রুত। দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছিল। অর্থনীতির অন্যান্য সূচকের সঙ্গে পুঁজিবাজারের উত্থানের মিল ছিল না। বর্তমানে এর সবই বাজারে রয়েছে। উলটো করোনা ও ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বর্তমানে বেশ কিছু কোম্পানির আর্থিক অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে।

    অপর দিকে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশের প্রত্যাশা জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিনিয়োগকারীদের সন্তুষ্ট করতে সরকার বাজারে সাপোর্ট দেবে। তবে সূত্র বলছে, সরকারের সামনে ১০টি অগ্রাধিকার খাত থাকলে শেয়ারবাজার ১০ নম্বরেও নেই। অর্থাৎ সরকারের কাছে শেয়ারবাজারের গুরুত্ব কমেছে। অন্যদিকে আরেকটি সূত্র বলছে, ফ্লোর প্রাইস না তুললে বাজার ইতিবাচক হবে না। উলটো সংকট আরও বাড়বে। তাদের মতে, যারা ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করেছে, ফ্লোর প্রাইসের কারণে তাদের সমস্যা সবচেয়ে বেশি। কারণ ঋণের সুদ প্রতিদিন বাড়ছে। এ ছাড়াও যেসব মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজ ঋণ দিয়েছে তারাও বিপদে পড়েছে। তবে বাজার উন্নয়নে বিকল্প ভাবছে কমিশন। এজন্য তহবিল সংগ্রহের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাজারকে সহায়তা দিতে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজড ফান্ডকে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, স্বাভাবিক নিয়মে এক দিনে কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বাড়তে বা কমতে পারে। অর্থাৎ আজ কোনো শেয়ারের দাম ১০০ টাকা থাকলে আগামীকাল তার দাম ১১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। আবার দাম কমলে তা ৯০ টাকার নিচে নামতে পারবে না। শেয়ারবাজারের পরিভাষায় একে সার্কিট ব্রেকার বলা হয়। কিন্তু অর্থনীতিতে অস্থিরতাসহ নানা কারণে বাজারে টানা পতন হয়েছে। এ কারণে করোনার সময় অস্থিরতা ঠেকাতে নতুন নিয়ম চালু করেছে। এর নাম শেয়ারের ‘ফ্লোর প্রাইস’। এ ক্ষেত্রে কোনো শেয়ারের দামের ভিত্তি হবে আগের ৫ দিনের সর্বশেষ লেনদেনের (ক্লোজিং প্রাইস) গড় দর। কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম ফ্লোর প্রাইসের নিচে নামতে পারবে না। কিন্তু দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারবে। এরপর ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলেও, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের কারণে দরপতন ঠেকাতে চলতি বছরের ২৮ জুলাই পুঁজিবাজারে দ্বিতীয়বারের মতো ফ্লোর প্রাইস আরোপ করেছিল বিএসইসি। আর ইতোমধ্যে ফ্লোর প্রাইসের কারণে দুই শতাধিক কোম্পানির লেনদেন আটকে আছে।

    অকা/পূঁবা/সকাল, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    শেয়ারবাজারে সংকট বাড়ছেই

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.