Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ২ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা পরিচালকদের ঋণ

    জুলাই ২৪, ২০২৩ ৪:০৭ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ব্যাংক খাতে ১৪ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক পরিচালকরা নিয়েছেন প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ১০ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে প্রায় ৭৫৭ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ। যদিও ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, এক টাকাও খেলাপি থাকলে ব্যাংকের পরিচালক হওয়া বা থাকার সুযোগ নেই। কিন্তু বাস্তবে এক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ নেই। যে কারণে খেলাপি হয়েও অনেকে পরিচালক পদে বহাল আছেন। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। সংশ্লিষ্টরা বলেন, নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্যাংক পরিচালকরা যোগসাজশের মাধ্যমে ঋণ নিচ্ছেন। মানে-‘আমার ব্যাংক থেকে তুমি নাও, তোমার ব্যাংক থেকে আমি নেব’, এ পদ্ধতিতে ঋণ নিয়েছেন পরিচালকরা। এরপর পরিশোধের ক্ষেত্রে তারা ছলচাতুরির আশ্রয় নেন। এতে তাদের কাছে পাহাড় পরিমাণ অর্থ পুঞ্জীভূত হয়েছে।

    জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, এখানে সুশাসন নেই। নেই কোনো আইনের প্রয়োগ। পরিচালকরা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে তা আর ফেরত দিচ্ছেন না। এক ব্যাংকের পরিচালক অন্য ব্যাংক থেকে যোগসাজশ করে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এসব বন্ধ না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংক খাতে পরিচালকদের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে নিজস্ব ব্যাংক থেকে পরিচালকদের নেওয়া ঋণ ১৪০০ কোটি টাকা। অন্যান্য ব্যাংক থেকে তারা ভাগাভাগি করে নিয়েছেন ২ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ঋণ।

    এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নতুন নিয়মে ব্যাংক পরিচালকরা নিজেদের ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারেন না। এই বাধা পাশ কাটাতে তারা নামে-বেনামে যোগসাজশের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছেন। ঋণের অর্থ কোথায় ব্যবহার হচ্ছে, এরও কোনো হদিস নেই। এভাবে অনৈতিকভাবে ঋণ নেওয়া সুশাসনের জন্য বড় অন্তরায়, যা আমানতকারীদের ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর পদক্ষেপ না নিলে পরিচালকরা আগামী দিনে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবেন, যা ব্যাংক খাতের জন্য অশনিসংকেত হবে বলে তারা মনে করেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংক খাতের দুরবস্থার জন্য কমবেশি সব পক্ষ দায়ী। তবে বেশি দায়ী ব্যাংকের পরিচালকরা। তারা টাকাপয়সা নিলে ফেরত দিতে চান না। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ম্যানেজমেন্টের হাত-পা বেঁধে রাখেন। ব্যবস্থাপনার কাজে খবরদারি করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকও দৃষ্টান্তমূলক কোনো ব্যবস্থা নেয় না। এ কারণে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

    বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক ড. মইনুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকের পরিচালকরা রাজনীতিরও প্রধান পরিচালক হয়ে উঠেছেন। এ কারণে তারা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী। রাজনীতিতে তাদের প্রভাব অনেক বেশি। ফলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। দিনের পর দিন আইন লঙ্ঘন করে যাচ্ছেন। ব্যাংক খাতে এই ভয়াবহ চিত্রের জন্য রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারই দায়ী।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা মিশনের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ব্যাংক পরিচালকের ঋণ মেরিটে নয়, প্রভাবে দেওয়া হয়। এ ঋণ অনেক সময় পরিশোধ হয় না। পরিশোধ না করায় ঋণের উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে। অর্থ তাদের হাতে কুক্ষিগত থাকায় অন্যরা ঋণ পাচ্ছেন না। এতে ব্যাংক দুর্বল হচ্ছে। এসব তথ্য যেহেতু প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এর মানে-কর্তৃপক্ষ সব জেনেশুনেও ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। এখান থেকে বের হতে হবে। তা না হলে সামনে ব্যাংক খাতের জন্য আরও খারাপ দিন অপেক্ষা করছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, পরিচালকদের ঋণের বিষয়ে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ধারায় সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। কেউ চাইলে ইচ্ছামতো ঋণ নিতে পারেন না। নিয়ম মেনেই ঋণ নিতে হয়। তবে কেউ যদি নিয়ম ভঙ্গ করে নিজস্ব ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংক থেকে ঋণ নেয় তবে আইন অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।

    কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে কথা বললে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ব্যাংক কোম্পানি আইনের ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যাংক পরিচালক অন্য কোনো ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ওই খেলাপি পরিচালককে নোটিশ দেবে। নোটিশ দেওয়ার দুই মাসের মধ্যে ঋণ পরিশোধ না করলে খেলাপি ব্যক্তি তার ব্যাংকে পরিচালকের পদ হারাবেন। তবে পরিচালকদের ঋণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সম্পর্ক, যোগসাজশ ও প্রভাব-প্রতিপত্তি খাটিয়ে নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী হয় না অধিকাংশ ব্যাংক। আবার কোনো কোনো ব্যাংক আগ্রহ দেখালেও সংশ্লিষ্ট পরিচালক আদালতে যান। অপরদিকে বেশির ভাগই প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে না। এটা কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় জানার পরও ঘটছে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অসহায়ত্ব ছাড়া আর কিছু করার থাকে না।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল, ২৪ জুলাই, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ২ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা পরিচালকদের ঋণ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    অর্থপাচারের অভিযোগ থাকলে ফেরা যাবে না ব্যাংকের বোর্ডে

    ট্রেজারি বন্ডের সুদহারে উল্লম্ফন: ব্যাংক ঋণের ব্যয় বাড়ছে সরকারের

    আরো বাড়লো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ
    বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    মহান মে দিবসের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
    নারী শ্রমে মানবতা ও বাস্তবতা

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    বাজেটে কালো টাকার সুযোগ এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি

    বিএসইসির বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
    অনলাইনে বিনিয়োগে সাবধান

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    পুঁজি বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর ডিএসই: কোম্পানি পরিদর্শনে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.