Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে পরিশোধ করছে

    অক্টোবর ১১, ২০২৩ ৫:২০ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মূল্যস্ফীতি কমাতে ব্যাংকিং খাত থেকে নতুন করে ধার নেওয়ার বদলে পরিশোধ করেছে সরকার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৪ অর্থবছরের প্রথম তিনমাসে সরকার ব্যাংক খাতের ৩,৭৭৮ কোটি টাকা ধার পরিশোধ করেছে। সেপ্টেম্বর শেষে এ খাতে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.৯০ লাখ কোটি টাকা, যা জুন শেষে ৩.৯৪ লাখ কোটি টাকা ছিল।

    গত ২০২৩ অর্থবছরের প্রথম তিনমাসে সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ধার বাড়িয়েছিল ১০,৫০০ কোটি টাকা। পুরো অর্থবছরে এ খাত থেকে ধার বাড়িয়েছিল ১.১৮ লাখ কোটি টাকা। 

    মূলত মানি সাপ্লাই টাইট করার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরে সরকারের ঋণ কমানোর পাশাপাশি পলিসি রেট এবং ল্যান্ডিং রেট বাড়িয়ে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিচ্ছে আর্থিক খাতের নীতিনির্ধারণী এই প্রতিষ্ঠান। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেছেন, "মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতেই আমরা এখন ফ্রেশ (প্রিন্টেড) মানি সরকারকে দিচ্ছি না। এর বদলে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ধার করা বাড়িয়েছে সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া ধার কমাচ্ছে।" কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসব পদক্ষেপ মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

    ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের ধার কমানোর পদক্ষেপকে প্রশংসা করেছেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, "সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন সঠিক রাস্তাতেই আছে। সরকার গত অর্থবছরে এ ধরনের পদক্ষেপ নিলে মূল্যস্ফীতি এত বাড়তো না। দেরিতে হলেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এখন যেসব পলিসি নেওয়া হচ্ছে, সেগুলো ঠিক আছে।" 

    "অর্থবছরের শুরুর দিকে সরকারের টাকার চাহিদাও অবশ্য খুব বেশি থাকে না। তবে মনে হচ্ছে, আমরা এখন মানিটারি ও ফিসক্যাল দুই পলিসিতেই কন্ট্রাকশনারি মুডে আছি। সামনের নির্বাচনকে সামনে রেখে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে সরকার। এজন্য সরকারকে এখন ব্যয় সংকোচন করতে হচ্ছে," বলেন তিনি।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ধার বাড়িয়েছে ২৫,৭০৯ কোটি টাকা। এর বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া ধার কমানো হয়েছে ২৯,৪৮৭ কোটি টাকা। 

    অবশ্য একই সময়ে নন-ব্যাংক ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন, ইনস্যুরেন্স কোম্পানি এবং ইন্ডিভিজুয়াল ইনভেস্টরদের মতো নন-ব্যাংক উৎস থেকে সরকার ধার করেছে ৪,৬৪৭ কোটি টাকা।

    ব্যাংকারদের মতে, রিজার্ভ থেকে চলতি অর্থবছরের এ পর্যন্ত ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে দেশের মানি মার্কেট থেকে প্রায় ৪১,২৫০ কোটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে চলে গেছে। এর বাইরে সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ধার বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধার পরিশোধের কারণে টাকার লিকুইডিটি স্ট্রেস (তারল্য সংকট) শুরু হয়েছে। 

    এসব কারণে ব্যাংকের নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে ইন্টার-ব্যাংক কল মানি মার্কেট ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে রেপোর মাধ্যমে ধার করার প্রবণতা বেড়েছে ব্যাংকগুলোর। 

    অবশ্য, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় টাকার লিকুইডিটি স্ট্রেসকে স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেছেন আহসান এইচ মনসুর। 

    তিনি বলেন, "টাকার লিকুইডিটি স্ট্রেস হলে ডলারের চাহিদাও কমে যায়। ফলে, ডলারের এক্সচেঞ্জ রেটের ওপর চাপ কিছুটা হলেও কমবে।"

    গত অর্থবছরে সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ড কিনে নেওয়ার মাধ্যমে বাজারে নতুন টাকা ছেড়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে নতুন অর্থবছরে এ প্রবণতা থেকে বের হয়ে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ বদলে ট্রেজারি বিল ও বন্ডগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকে টাকার চাহিদা বেড়েছে। অর্থনীতির নিয়ম মেনে তাই সুদহারও বেড়েছে।

    ট্রেজারি বিলের রেট কেন বাড়ছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, "আমাদের পলিসি রেট ৭৫ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে গেছে। এই রেট বাড়লে সেটা ট্রেজারি বিলের সুদের হারে প্রভাব ফেলে। এরসঙ্গে ব্যাংকগুলোর ডিপোজিটের ইন্টারেস্ট রেট (আমানতের ওপর সুদের হার) বেড়েছে বলে তাদের কস্ট অব ফান্ড বেড়ে গেছে।"

    "এছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন আগের মতো ট্রেজারি বিল কিনে নিচ্ছে না। পুরোটাই ব্যাংকের কাছে বিক্রি করছে। ফলে আগে যেরকম কম সুদহারে কাট অফ করে ফেলা যেতো, এখন সেটি করা যাচ্ছে না। এসব কারণে ট্রেজারি বিলের সুদহার অনেক বেড়ে গেছে," বলেন তিনি।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেও যেখানে ৭.৪৫ শতাংশ সুদহারে ৯১ দিনের ট্রেজারি বিল বিক্রি করা হয়েছে, সেখানে সর্বশেষ ৯ অক্টোবর তারিখের অকশনে একই সময়সীমার ট্রেজারি বিলের বিপরীতে সুদ অফার করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৯.২৫ শতাংশ। অন্য মেয়াদের ট্রেজারি বিলেও সুদের হার বেড়েছে। ১৮২ দিনের ট্রেজারি বিলের সুদের হার এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৭.৬০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯.৫০ শতাংশ এবং ৩৬৪ দিনের ট্রেজারি বিলের সুদহার ৮.২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯.৭৫ শতাংশ হয়েছে। 

    সুদের হার বাড়ার কারণে অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ করছে মন্তব্য করে এই কর্মকর্তা আরও জানান, চলতি অর্থবছরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাইরে বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছেন ট্রেজারি বিলে। এর অন্যতম কারণ, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে সীমা আছে, কিন্তু ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগের কোনো সীমা নেই। 

    "২-৩ লাখ টাকার বিল কিনেছেন, এমন বিনিয়োগকারীদেরও আমরা এখন পাচ্ছ," বলেন তিনি।

    ট্রেজারি বিলের সুদহার বেড়ে যাওয়া ১৮২ দিন মেয়াদী ট্রেজারি বিলের স্মার্ট রেটকে বাড়িয়ে দেবে কিনা জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা বলেন, "এটি নিয়ে মন্তব্য করতে গেলে মাসের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ, চলতি অক্টোবরে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইটি অকশন হয়েছে ট্রেজারি বিলের। এ মাসে আরো কয়েকটি অকশন আছে। সেগুলোতেও যদি এখনকার মতো বেশি ইন্টারেস্ট রেট থাকে, তাইলে স্মার্ট রেট বাড়বে। আর স্মার্ট রেট বাড়লে ব্যাংকগুলোর ল্যান্ডিং রেটও বাড়বে।" 

    পরিস্থিতি বিবেচনায়, চলতি অক্টোবর শেষে স্মার্ট রেট কিছুটা বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করেন এই কর্মকর্তা।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ১১ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে পরিশোধ করছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রাজধানীর মিরপুর-১৩ এ গুলিতে যুবদল কর্মী নিহত, আহত ২

    রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ও অতঃপর…

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় যারা

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে ১৮৪ শতাংশ

    শেয়ারবাজারে বড় পতন থামাল মিউচুয়াল ফান্ড

    সপ্তাহের শেষদিনে শেয়ারবাজারে বড় পতন

    দেশে প্রথমবারের মতো ক্রস-বর্ডার নীতিমালা

    ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে কারাগারে প্রিন্স মামুন

    ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

    অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি

    রফতানি আয় সময়মতো না আনলে মিলবে না ইডিএফ সুবিধা

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

    এবার কমলো সোনার দাম

    উৎসে কর তদারকির ক্ষমতা স্থগিতের দাবি শীর্ষ ৮ চেম্বারের

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.