Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আমানতের স্থিতি এখন নিম্নমুখী

    ডিসেম্বর ১৯, ২০২৩ ৪:৪৪ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ব্যাংক খাতে মোট আমানতের প্রবাহ সামান্য বাড়লেও চলতি হিসাবে বা যে কোনো সময়ে উত্তোলনযোগ্য হিসাবে আমানতের স্থিতি এখন নিম্নমুখী। অর্থনৈতিক মন্দায় মানুষের আয় কমে যাওয়ায় জীবনযাত্রার মানও কমেছে। ফলে মানুষের টাকা খরচ যেমন কমেছে, তেমনই ব্যাংক থেকে সহজে টাকা তোলার হিসাবে জমার স্থিতিও কমেছে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যেও চলছে মন্দা। এতে চলতি হিসাবে টাকা জমার স্থিতি কমেছে। একই সঙ্গে সাধারণ সঞ্চয়ী হিসাবে আমানতের স্থিতি বৃদ্ধির হারও একেবারেই কম।

    ব্যাংকের চলতি হিসাব ও সাধারণ সঞ্চয়ী হিসাব থেকে যে কোনো সময় টাকা তোলা যায়। এছাড়া সংক্ষিপ্ত সময়ে নোটিশ দিয়ে টাকা তোলার হিসাব ও বিশেষ নোটিশ দিয়ে টাকা তোলার হিসাব থেকেও স্বল্প সময়ের মধ্যে টাকা তোলার সুযোগ রয়েছে। এসব হিসাবেও টাকার স্থিতি কমে গেছে। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ব্যাংকের চলতি ও নগদ ঋণ হিসাবে জুনে জমা ছিল ১ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা, যা মার্চের তুলনায় বেড়েছিল ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার কোটি টাকা। জুনের তুলনায় কমেছে ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ বা ৮ হাজার কোটি টাকা। মোট আমানতের মধ্যে চলতি হিসাবে আমানতের হার মাত্র ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ।

    সূত্র জানায়, চলতি ও নগদ ঋণ হিসাবে সাধারণত ব্যবসায়ীরা নগদ টাকা জমা রাখেন। কোনো খাতে টাকা খরচের আগে তারা এ হিসাবে জমা করেন। টাকার পরিমাণগত লক্ষ্য অর্জন হলে বা নির্ধারিত সময় হলে ওই টাকা খরচ করেন। যে কারণে এই হিসাবে টাকা বেশিদিন স্থির থাকে না। এছাড়া ব্যাংক থেকে ব্যবসায়ী বা সাধারণ গ্রাহকরা যেসব ঋণ নেন, সেসব অর্থও এ হিসাবেই ব্যাংক স্থানান্তর করে। পরে গ্রাহক এ হিসাব থেকে চাহিদা অনুযায়ী টাকা নিয়ে খরচ করেন।

    করোনার পর থেকে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা চলছে। ওই থেকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুদ্ধার হওয়ার আগেই ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন আক্রমণ করে। এতে বৈশ্বিক মন্দা দেখা দেয়। এর নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশের সব খাতেই পড়ে। ফলে চার বছর ধরেই ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা চলছে। দীর্ঘ এ মন্দায় ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর প্রভাবে বিনিয়োগ কমে গেছে। নতুন কর্মসংস্থানের গতিও নিম্নমুখী। 

    এছাড়া চড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দুই বছর ধরে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণ করছে। এর প্রভাবেও ঋণ প্রবাহ কমেছে। এসব কারণে চলতি হিসাবে আমানতের জোগান যেমন কমেছে, তেমনই স্থিতিও কমেছে। 

    প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, তলবি আমানত হিসাবে জুন পর্যন্ত জমার স্থিতি ছিল ২ লাখ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জমার স্থিতি কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা মোট আমানতের ১১ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে এ খাতে আমানত কমেছিল ১১ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরের একই সময়ে কমেছে ১৩ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা। ওই সময়ে এ হিসাবে আমানতের স্থিতি কমেছে ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, মোট আমানতের মধ্যে যে কোনো সময়ে উত্তোলনযোগ্য হিসাবে টাকা জমার স্থিতি ৬ থেকে ১১ শতাংশ। ফলে এ হিসাবে টাকার স্থিতি কমলেও ব্যাংকিং খাতে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। ব্যাংক আমানতের ধরনই এমন-কখনো মেয়াদি হিসাবে আমানত কমে, চলতি হিসাবে বাড়ে। আবার চলতি হিসাবে কমে, মেয়াদি হিসাবে বাড়ে। গত বছর মেয়াদি হিসাবে আমানত কমেছে, চলতি হিসাবে বেড়েছে। এখন মেয়াদি হিসাবে বাড়ছে, চলতি হিসাবে কমছে।

    প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, বিশেষ নোটিশে উত্তোলনযোগ্য হিসাবে টাকা জমার স্থিতি কমেছে। এ হিসাবে গত জুনে স্থিতি ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার কোটি টাকা। ওই সময়ে জমার স্থিতি কমেছে ৩ হাজার কোটি টাকা।

    এদিকে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ার গতিও কমেছে। গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে এ খাতে ঋণ বেড়েছিল ২৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা। চলতি বছরের একই সময়ে বেড়েছে মাত্র ১৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। ওই সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধি কমেছে ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

    ব্যাংকিং খাতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট আমানতের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। আমানত বেড়েছে ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল/১৯ ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    আমানতের স্থিতি এখন নিম্নমুখী

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রাজধানীর মিরপুর-১৩ এ গুলিতে যুবদল কর্মী নিহত, আহত ২

    রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ও অতঃপর…

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় যারা

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে ১৮৪ শতাংশ

    শেয়ারবাজারে বড় পতন থামাল মিউচুয়াল ফান্ড

    সপ্তাহের শেষদিনে শেয়ারবাজারে বড় পতন

    দেশে প্রথমবারের মতো ক্রস-বর্ডার নীতিমালা

    ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে কারাগারে প্রিন্স মামুন

    ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

    অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি

    রফতানি আয় সময়মতো না আনলে মিলবে না ইডিএফ সুবিধা

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

    এবার কমলো সোনার দাম

    উৎসে কর তদারকির ক্ষমতা স্থগিতের দাবি শীর্ষ ৮ চেম্বারের

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.