Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বনাম বাংলাদেশ ব্যাংক

    জানুয়ারি ১১, ২০২২ ১২:২৬ অপরাহ্ণUpdated:জানুয়ারি ১১, ২০২২ ১২:২৬ অপরাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    প্রণব মজুমদার ●

    নিবন্ধের শিরোনামই বলে দিচ্ছে কি বলতে চাচ্ছি। দেশের ব্যাংকিং খাত পরিচালনায় নিয়োজিত অন্যতম প্রধান সরকারি নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান দু’টি। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক। নিকট অতীতের অনেক ঘটনা ও কার্যক্রমে মনে হয় নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান দু’টি একে অপরের সহযোগী নয়। দেশের অর্থনীতি অঙ্গনে ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে সাড়া জাগানো হলমার্ক কেলেংকারির ঘটনায়ও স্পষ্ট হয়েছিল যে একটি অপরটির বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের গ্রাহক হলমার্ক ঋণের নামে প্রায় ২ হাজার ৬ শ’ কোটি টাকা ‘ছিনতাই’ করে। দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতি অঙ্গনে এ নিয়ে ছিল প্রবল ঝড়। সে ক্ষতি ব্যাংক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ন্যাক্কার ও কলংকজনক এ অর্থ লোপটের দায় কার সে নিয়ে বেশ কথা হয়েছিল। নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান দু’টি ঘটনাটির দায় একে অপরের ওপর চাপিয়েছিল। কিন্তু হলমার্ক কেলেংকারির দায় কেউই নিতে চায়নি।
    দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাত পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দু’টি প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত থাকায় যতো রকমের সমস্যা! শৃংখলাভঙ্গ হয়েছে বারবার। কেলেংকারি প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। দেশের অর্থনীতিতে রাষ্ট্রীয় খাতে আরেকটি অঘটন যুক্ত হয়। তা ছিল শতভাগ সরকারি মালিকাধীন বেসিক ব্যাংকে ৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি। ব্যাংকটির আর্থিক কার্যক্রম এখন খুবই শোচনীয়।
    রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান, পরিচালক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ডিএমডি নিয়োগ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে দলীয় ব্যক্তি এবং অপেশাদার ও প্রায় সময়ই বিষয় বর্হিভূত শিক্ষাপ্রাপ্ত আমলাদের সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উল্লিখিত পদগুলোতে নিয়োগ বেশির ভাগ সময়ই সঠিক হয় না। ফলে দেশের আর্থিক খাতে হলমার্ক, বিসমিল্লাহ গ্রুপসহ অন্যান্য গোষ্ঠীর নৈরাজ্য ও বিশৃংখলা আমরা প্রতিনিয়তই দেখতে পাই। দুঃখজনক হলেও সত্যি দেশের সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্ষদে রাজনৈতিক নেতাদের নিয়োগ! বহুবার প্রমাণিত হয়েছে সমজাতীয় বা একই ধরনের কাজে দু’টি প্রতিষ্ঠান নিয়োজিত থাকলে কাজের পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তৈরি হয় বৈরি সম্পর্ক। বিশেষ করে অতি প্রতিহিংসাপরায়ণ মানুষের আমাদের দেশে।
    নিবন্ধের প্রয়োজনে ৩টি ঘটনার কথা উল্লেখ করছি। ১৯৯৯ সালের ঘটনা। আমি তখন বিলুপ্ত দৈনিক বাংলার বাণীর সিনিয়র রিপোর্টার। মন্ত্রণালয়, পুুঁজি বাজার, ব্যাংক ও বীমা আমার বিট। বিশেষ রিপোর্ট সংগ্রহ করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে গিয়েছি। ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত সচিব গোলাম রহমান (দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও ক্যাবের সভাপতি)। তিনি জানালেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ব্যাংক রেটে গৃহ ঋণ নিয়েছেন। প্রায় ১০ কোটি টাকার ঋণ অনাদায়ী। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ টাকা কোন ক্রমেই আদায় করা যাচ্ছে না। বললেন, এদের ভালমতো ধরতে হবে। এ সম্পর্কে হালনাগাদ উপাত্ত ও তথ্যসহ তৈরি করা আমার বিশেষ প্রতিবেদনটি ছাপা হলো। বাংলার বাণীতে লিড আইটেমটি ছিল- ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ খেলাপী’। যারা শ্রেণী বিন্যাসিত ঋণ তালিকা ও ব্যাংক ঋণ গ্রহীতাদের খেলাপী আখ্যায়িত করে সে প্রতিষ্ঠানই কিনা ঋণ খেলাপী! বাংলাদেশ ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সাল মোঃ মোকাম্মেল হক ভাই অফিসে এসে জানালেন, সিবিএ’র নেতারা নাকি আমার ওপর ক্ষেপে আছেন। ওই রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর ভয়ে রাজধানীর মতিঝিলস্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে ক’দিন আমি যাইনি।
    ২০০৩ সালের কোনো এক সময়ে গ্রামীণ ব্যাংকের তহবিল প্রসঙ্গে বিশেষ রিপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়েছি অর্থ মন্ত্রণালয়ে। লক্ষ্য করলাম অপেশাদার এবং বিষয় বর্হিভূত অধিকাংশ প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তার ওপর দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ ন্যস্ত। মূলধন বিনিয়োগ-৪ ’র ডেস্ক তদারকি করেন একজন সিনিয়র সহকারি সচিব। তার নামের আগে ডাক্তার শব্দটি যুক্ত। রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসাপাতাল থেকে এমবিবিএস পাশ করেছেন এই কর্মকর্তা। তারপর সাধারণ বিসিএস দিয়ে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি পেয়ে ওই কর্মকর্তা কর্মরত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগে। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের তহবিল বিষয়ক ফাইলে নোট দিলেন। নোটের ভাষা ছিল এরকম - এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের মতামত নেয়া যেতে পারে। জানা গেল, ওপরের ক’জন কর্মকর্তার কাছে ফাইল ঘুরে সরকারি রেজিষ্ট্রি ডাকের মাধ্যমে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পোছালো ১৮ দিন পর। আর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে মতামত অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসতে সময় লাগলো ১২ দিন। তহবিল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পেতে গ্রামীণ ব্যাংকের সময় লেগেছিল সাড়ে ৪ মাস। সিদ্ধান্তের মাত্র ৬ দিন পর বৃত্তি নিয়ে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে চিকিৎসা শাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রী লাভের জন্য প্রশাসন ক্যাডারের সেই কর্মকর্তা অষ্ট্রেলিয়ায় চলে যান।
    তৃতীয় ঘটনাটি ২০০৩ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে জার্মানীতে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ওপর ১২ দিনের কর্মশালা। যুগ্ম পরিচালক, উপ মহাব্যবস্থাপক, মহাব্যবস্থাপক ও নির্বাহী পরিচালক পদের ৭ জন কর্মকর্তাকে নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে যাবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ জন্য মাস খানেক আগে সরকারি আদেশের (জিও) জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয় অর্থ মন্ত্রাণালয়ে। মন্ত্রণালয় কিছুতেই অনুমতি দিচ্ছিল না। জানা গেলো, উপ সচিব পদের কর্মকর্তা যিনি ইতিহাস বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি নাকি এ ব্যাপারে বাধ সেঁধেছেন। এক মাসের অধিক সময় চলে গেছে। কিছুতেই এ আমলাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্টারা বোঝাতে পারছেন না। অবশেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২ জন বাদ দিয়ে ওই উপ সচিবসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের দু’জন কর্মকর্তাকে অন্তর্ভূক্ত করলেন ৭ জনের প্রতিনিধি দলে। ৩ কর্মদিবসের পর জিও মিলে গেলো। ওই উপ সচিব জার্মানী থেকে ফেরার পর সচিবালয়স্থ তার অফিসে এক সকালে গেলাম। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে কর্মশালার অভিজ্ঞতা জানতে চাইলাম। তিনি বললেন, ভাই আপনি হিসাববিজ্ঞানের ছাত্র। বাজেট, ব্যাংকিং, অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা ও অর্থসংস্থান আপনার বিষয়। আপনাকে আমি কি জ্ঞান দেবো? তাহলে জনগণের টাকা খরচ করে কর্মশালায় গেলেন কেন? তার উত্তর- ‘জার্মানীতে আগে আমার ভ্রমণ হয়নি। বলতে পারেন বেড়াতে যাওয়া। আমি কেন, অনেক সচিবই তা করেন !’
    নিবন্ধে উল্লেখিত ৩টি ঘটনা প্রবাহ বলে দিচ্ছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক পরস্পরের সম্পর্ক ইতিবাচক নয়। উভয়ের মধ্যে ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণের লড়াই! কেউ কাউকে মানতে নারাজ। প্রতিষ্ঠান দু’টির পারস্পরিক দ্বন্দ্বে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনীতির হৃদপিন্ড হিসেবে খ্যাত ব্যাংকিং খাত। তাছাড়া ব্যবসা বাণিজ্য ও অর্থনীতি বিষয়ের ওপর জ্ঞানসম্পন্ন কর্মকর্তা ছাড়া দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতের উন্নয়ন অসম্ভব তা সবময়ই প্রমাণিত। আওয়ামী লীগ শাসিত এর আগের সময়কালের শেষদিকে সাবেক সচিব ও প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. শামসুল হুদা সচিব হিসেবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে বদলী হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া ব্যাংকিং বিভাগ বিলুপ্ত করে দেন। বিএনপি সরকারের অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান ব্যাংকিং বিভাগ পুনর্বহাল করেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রয়োজন নেই এ উপলব্জি থেকে সাইফুর রহমানও এ বিভাগ বিলুপ্ত করে দেন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতা লাভের পরপর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ আবারও প্রতিষ্ঠিত হয়। জানা যায় একজন অতিরিক্ত সচিব এ চাবিকাঠি নাড়েন। তার বিরুদ্ধে বিএনপি সরকারের আমলে বৈদেশিক মুদ্রা মার্কিন ডলারের ভাসমান দর প্রক্রিয়ার জালিয়াতিসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিলো। যিনি দীর্ঘদিন অর্থ মন্ত্রণালয়ে ছিলেন সেই সচিব নিজে ওই পদে আসীন হবার জন্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে বোঝান এই বলে যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর ছেড়ে দিলে চলবে না! যার কথায় অর্থমন্ত্রী ব্যাংকিং বিভাগ পুনঃচালু করলেন হলমার্ক কেলেংকারি পরপর সেই আলোচিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবকে অন্য মন্ত্রণালয়ে চলে যেতে হয়। অনেকের ধারণা, হলমার্কের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় সচিবের বিরুদ্ধেও অভিযোগ ছিলো! তা না হলে তাকে সরে যেতে হবে কেন?
    ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাজ কি? শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ? অর্থনীতি বিষয়ের দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতায় যা দেখেছি সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, পরিচালক ও এমডি, ডিএমডি নিয়োগ, বদলি, বিদেশ সফরের ‘জিও’ ছাড়া এ বিভাগের তেমন একটা কাজ নেই। ব্যাংকিং ও আর্থিক বিষয়ে যেখানে প্রায় সময়েই কেন্দ্রীয় ব্যাংক - বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামত নিতে হয়, তাহলে সেখানে এ বিভাগের প্রয়োজন কেন?
    প্রায় সময়ই দেখা যায়, বিভাগটির প্রশাসিনক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সচিব পর্যায়ের অনেকেই সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বেসরকারি ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বদলী, পদোন্নতি, অনুদান ও বিজ্ঞাপন এবং গাড়ি ব্যবহারের জন্য তদবির করে সুবিধা নিচ্ছেন।
    দেশের ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের উপ মহাব্যবস্থাপক একজন কর্মকর্তার ছেলের বিবাহোত্তর অনুষ্ঠানে গিয়েছি ক’ মাস আগে। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনষ্টিটিউশনে আয়োজিত জমকালো পার্টিতে ৩ হাজারের ওপরে অতিথিদের আপ্যায়িত করা হয়। অধিকাংশ অতিথিই বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং বড় বড় গ্রাহক ও ব্যবসায়ী। ব্যক্তিগত সুসম্পর্কের কথা না হয় বাদই দিলাম। বেসরকারি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপক বেশ উষ্মার সঙ্গে ক’দিন আগে জানালেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রমের একটি প্রসঙ্গ। তিনি বললেন মন্দ গ্রাহক বা ঋণ খেলাপীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আগেই মক্কেলের কাছে তথ্য পৌছে যায়। কর্মকর্তার প্রশ্ন সিআইবি (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো) প্রতিবেদন একটি গোপনীয় বিষয়, সেটা ব্যাংকের আগে গ্রাহক জানেন কি করে?
    রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর উন্নয়নে দুই যুগের ওপরে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কি কাজ করেছে? বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফসহ দাতাদের পরামর্শে সংস্কারের নামে রাষ্ট্রায়ত্ত ৪টি বাণিজ্যিক ব্যাংককে কোম্পানী তৈরি করা ছাড়া কি উন্নতি হয়েছে? ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী, সাংসদ, নেতা এবং আমলাদের দৌরাত্বে হাজার হাজার কোটি টাকার মন্দ ঋণের আধিক্যে রুগ্ন থেকে রুগ্নতর হয়েছে এসব প্রতিষ্ঠান। অর্থ ঋণ আদালত কাজ করছে বলে মনে হয় না। বড় বড় ঋণ খেলাপীর বিচার কার্য কি কারণে থেমে যায় তা রহস্যাবৃত! বরং খেলাপীদের বড় ছাড় দেয়া হয়। প্রস্তাবিত স্বাধীন ব্যাংক কমিশনের বিষয় মুখ থুবড়ে পড়ে আছে বহুদিন ধরে!
    যে বিভাগ আশাব্যঞ্জক উন্নয়ন করতে পারে না এবং নিয়ন্ত্রণমূলক নির্বাহী কাজে অপেশাদার, আর যাই হোক গরীরের দেশে জনগণের অর্থ নাশের পথ বন্ধ হওয়া খুবি জরুরি। তাছাড়া সম পর্যায়ের কাজে একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন নেই। তাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংককেই দেশের সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হোক। পাশাপাশি অর্থ মন্ত্রণালয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে। ভুল হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। যা কিনা দেশের সার্বিক অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক।

    #

    লেখক সাহিত্যিক এবং পাক্ষিক অর্থকাগজ এর সম্পাদক

    reporterpranab@gmail.com

    সর্বশেষ হালনাগাদ 5 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মামলার জট কমাতে মধ্যস্থতা: এখন দরকার বাস্তব প্রয়োগ

    গুদাম ভরা, কিন্তু মানুষের স্বস্তি মিলবে কবে?

    রেমিট্যান্সের স্বস্তি, বাণিজ্যের শঙ্কা

    থমকে গেছে জার্মান অর্থনীতি

    এমএসএমইর শক্তিই টেকসই অর্থনীতির ভিত্তি

    ইসলামী ব্যাংকের পুনরুত্থান কি সম্ভব?

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.