Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    রেমিট্যান্সের স্বস্তি, বাণিজ্যের শঙ্কা

    জুলাই ২১, ২০২৬ ১২:৩৫ অপরাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    কামরুজ্জামান চাঁদ>

    বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বর্তমান চিত্র একদিকে যেমন কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি গভীর উদ্বেগও তৈরি করছে। সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো প্রবাসী আয়ের রেকর্ড প্রবাহ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে এসেছে ৩৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। এই অর্থপ্রবাহের কারণে চলতি হিসাবের ঘাটতি কমেছে এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০২৬ সালের জুন শেষে প্রায় ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

    কিন্তু এই ইতিবাচক চিত্রের আড়ালে লুকিয়ে আছে অর্থনীতির আরেকটি বাস্তবতা। উৎপাদন ও বাণিজ্যের মূল সূচকগুলো আশাব্যঞ্জক নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এলসির মাধ্যমে আমদানি দায় পরিশোধ হয়েছে ৭০ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় মাত্র ০.০৯ শতাংশ বেশি। এই পরিসংখ্যান প্রথম দেখায় স্থিতিশীল মনে হলেও অর্থনীতিবিদদের মতে, এটি শিল্প খাতের মন্থরতারই প্রতিফলন। কারণ কাঁচামাল ও মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানি না বাড়লে নতুন বিনিয়োগ ও উৎপাদন সম্প্রসারণও থমকে যায়।

    রফতানি খাতের অবস্থাও খুব বেশি আশাব্যঞ্জক নয়। বিদায়ী অর্থবছরে দেশের মোট পণ্য রফতানি হয়েছে প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ০.৫৮ শতাংশ কম। অথচ সরকারের লক্ষ্য ছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পও আন্তর্জাতিক বাজারের দুর্বল চাহিদা, জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং লজিস্টিক ব্যয়ের চাপে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারেনি।

    এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাণিজ্য ভারসাম্যে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) দেশের আমদানি হয়েছে ৬৪.০২ বিলিয়ন ডলার, আর রফতানি হয়েছে ৪০.০৪ বিলিয়ন ডলার। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩.৯৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি। এই ব্যবধান কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি অর্থনীতির প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, উৎপাদন কাঠামো এবং বৈদেশিক লেনদেনের দুর্বলতার প্রতিচ্ছবি।

    অবশ্য রেমিট্যান্সের শক্ত অবস্থান আপাতত এই চাপ সামাল দিচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, একটি অর্থনীতি কতদিন শুধু প্রবাসী আয়ের ওপর ভর করে এগোতে পারে? বৈশ্বিক শ্রমবাজারে পরিবর্তন, মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কিংবা অভিবাসন নীতির পরিবর্তন হলে রেমিট্যান্সেও ধাক্কা লাগতে পারে। তখন পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

    এ কারণেই এখন প্রয়োজন উৎপাদন ও রফতানির ভিত্তিকে শক্তিশালী করা। নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, শিল্পে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, ব্যবসার ব্যয় কমানো এবং রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়। শুধু তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ওষুধ, চামড়া, কৃষিপণ্য, আইসিটি এবং হালকা প্রকৌশলসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে এগিয়ে নিতে হবে।

    সরকারের ফ্রি ট্রেড জোন (এফটিজেড) চালুর উদ্যোগ এই প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক পদক্ষেপ হতে পারে। নতুন নীতিমালার আওতায় ব্যবসায়ীরা এলসি ছাড়াই চালানভিত্তিক কাঁচামাল আমদানি, শুল্কমুক্ত সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, রিপ্যাকেজিং এবং পুনঃরফতানির সুযোগ পাবেন। এসব সুবিধা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে উৎপাদন ব্যয় কমবে, সরবরাহ ব্যবস্থা আরও দক্ষ হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা বাড়বে।

    তবে নীতিমালা প্রণয়নই শেষ কথা নয়। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো, দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ বিনিয়োগ ছাড়া উৎপাদন বাড়বে না, উৎপাদন না বাড়লে রফতানিও বাড়বে না।

    বাংলাদেশের বৈদেশিক খাত আজ একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে রেমিট্যান্স অর্থনীতিকে স্বস্তি দিচ্ছে, অন্যদিকে আমদানি-রফতানির ধীরগতি ভবিষ্যতের জন্য সতর্কবার্তা দিচ্ছে। সাময়িক স্বস্তির আড়ালে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি উপেক্ষা করলে চলবে না। এখনই উৎপাদন, বিনিয়োগ ও রফতানিকে কেন্দ্র করে একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক কৌশল গ্রহণ করতে হবে। তাহলেই বৈদেশিক বাণিজ্যে ভারসাম্য ফিরবে, অর্থনীতি হবে আরও শক্তিশালী ও টেকসই।

    লেখক: বিশেষ প্রতিনিধি, অর্থকাগজ।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 6 hours আগে

    আমদানি রফতানি রেমিট্যান্স

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মামলার জট কমাতে মধ্যস্থতা: এখন দরকার বাস্তব প্রয়োগ

    গুদাম ভরা, কিন্তু মানুষের স্বস্তি মিলবে কবে?

    এলডিসি উত্তরণে অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপের শঙ্কা

    জুলাইয়ের ১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩২ কোটি ডলার

    পোশাক রপ্তানিতে মিলবে তিনগুণের বেশি নগদ সহায়তা

    থমকে গেছে জার্মান অর্থনীতি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ওয়াশিংটন পোস্ট-এর প্রতিবেদন
    ইরান যুদ্ধের ব্যয়ে চাপে পেন্টাগন, ফুরিয়ে আসছে তহবিল

    ‘এই ক্ষত সারতে সময় লাগবে’, আবেগঘন বার্তা মেসির

    মামলার জট কমাতে মধ্যস্থতা: এখন দরকার বাস্তব প্রয়োগ

    গুদাম ভরা, কিন্তু মানুষের স্বস্তি মিলবে কবে?

    জুলাইয়ের মালিকানা নিয়ে রাজনীতির নতুন দ্বন্দ্ব

    অবসর নয়, খেলা চালিয়ে যেতে চান মেসি!

    রেমিট্যান্সের স্বস্তি, বাণিজ্যের শঙ্কা

    প্রকাশ্যে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’র ট্রেলার, ভক্তদের উচ্ছ্বাস তুঙ্গে

    শেষ পর্যন্ত হিন্দু রীতিতেই বিয়ে করেন সোহেল-সীমা

    ফের একসঙ্গে শাকিব-হৃদয়, আসছে ‘নিঃস্ব’

    গ্যাস সংকট সমাধানে বাপেক্সের বড় উদ্যোগ
    তিন নতুন কূপে মিলতে পারে ৭১১ বিসিএফ গ্যাস

    বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিল বিএসটিআই

    ভরিতে সোনার দাম বাড়ল ১,৬৩৩ টাকা

    বেসরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা, খরচ কত?

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে নতুন প্রেস মিনিস্টার সাইদুর রহমান

    জুলাইয়ের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯৪ কোটি ডলার

    ওপারের ঢলে তিস্তা নদী ফেঁপে ফুলে উঠছে

    চায়না দুয়ারি জালে বিপন্ন নীলফামারীর মৎস্য ও জীববৈচিত্র্য

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.