Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংকগুলোর সম্পদ বাড়লেও সার্বিক মূলধন কমেছে

    এপ্রিল ৩০, ২০২৪ ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণUpdated:এপ্রিল ৩০, ২০২৪ ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    ব্যাংকগুলোর সম্পদ বাড়লেও সার্বিক মূলধন কমেছে। ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন প্রতিবেদন থেকে জানা যায় ব্যাংক খাতে গত জুনের তুলনায় সেপ্টেম্বরে ঝুঁকির মাত্রা আরও বেড়েছে। এই তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ, সুদহার, বিনিময় হারজনিত ঝুঁকিতে থাকা ব্যাংকের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর সার্বিক মূলধন কমেছে। তবে ঋণের স্থিতি বাড়ায় ব্যাংকগুলোর সম্পদ বেড়েছে। খেলাপি ঋণ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। এখন মোট খেলাপি ঋণের ৪৫ শতাংশের বেশি রয়েছে শীর্ষ ৫ ব্যাংকের কাছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন সূচক ব্যবহার করে ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি নিরূপণ করে। কোন সূচকে কী পরিমাণ ঘাটতি বা উদ্বৃত্ত হলে ব্যাংকগুলো ঝুঁকিতে পড়বে তা নিরূপণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে আগাম সতর্ক করে। গত জুনে ৪টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়েছিল। সেপ্টেম্বরে বেড়েছে ৫টি ব্যাংকের। ব্যাংকের শীর্ষ তিন ঋণ গ্রহীতা খেলাপি হলে গত জুনে ২০টি ব্যাংক ঝুঁকিতে পড়ত। সেপ্টেম্বরে তা একটি কমে ১৯টিতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ কিছু ব্যাংকের তিনজন শীর্ষ ঋণ গ্রহীতা খেলাপি হলে ১৯টি ব্যাংক ঝুঁকিতে পড়বে।

    ব্যাংক খাতে সুদের হার বেড়ে যাচ্ছে। গত জুনে সুদের হারজনিত কারণে ১টি ব্যাংক ঝুঁকিতে ছিল। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে ২টিতে দাঁড়িয়েছে। সংকটের কারণে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারও বেড়ে যাচ্ছে। গত জুনে বিনিময় হারে কোনো ব্যাংক ঝুঁকিতে ছিল না। সেপ্টেম্বরে একটি ব্যাংক বিনিময় হারজনিত কারণে ঝুঁকিতে পড়েছে। গত জুনে মূলধনজনিত কারণে কোনো ব্যাংক ঝুকিতে ছিল না। সেপ্টেম্বরে এসে শুধু মূলধনের কারণে ২টি ব্যাংক ঝুঁকিতে পড়ে গেছে।

    ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিপরীতে ব্যাংকগুলোর ঋণ ঝুঁকি জুনে ছিল ৮৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮ দশমিক ১৫ শতাংশে। একই কারণে গত জুনে বাজার ঝুঁকি ছিল ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৮১ শতাংশে। তবে পরিচালনগত ঝুঁকির মাত্রা কিছুটা কমেছে। খেলাপি ঋণ ও বিভিন্ন খাতে ঝুঁকির মাত্রা বাড়ায় ব্যাংকগুলোর মূলধন সংরক্ষণের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু সে অনুপাতে ব্যাংকগুলো মূলধন সংরক্ষণ করতে পারছে না। ব্যাংকগুলোর সার্বিক মূলধন গত জুনে ছিল ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ০৮ শতাংশ।

    প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ ও সম্পদ এখনো কেন্দ্রীভূত অবস্থায় রয়েছে। মোট খেলাপি ঋণের মধ্যে শীর্ষ ৫ ব্যাংকের কাছে খেলাপি ঋণ ৪৫ শতাংশ। বাকি ৬৫ শতাংশ অন্য ব্যাংকগুলোতে। শীর্ষ ১০ ব্যাংকের কাছে রয়েছে মোট খেলাপি ঋণের ৬৩ শতাংশ। বাকি ৩৭ শতাংশ রয়েছে অন্য ব্যাংকগুলোতে। অর্থাৎ কয়েকটি ব্যাংকেই খেলাপি ঋণ বেশি। এদের কারণে পুরো ব্যাংক খাত আক্রান্ত হচ্ছে।

    ব্যাংকগুলোর সম্পদের বড় অংশই হচ্ছে ঋণ। এর বাইরে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও অন্যান্য সম্পদ রয়েছে। মোট সম্পদের ৩১ শতাংশ রয়েছে শীর্ষ ৫ ব্যাংকের কাছে। বাকি ৬৯ শতাংশ রয়েছে অন্য ব্যাংকগুলোর কাছে। ১০ ব্যাংকের কাছে রয়েছে ৪৫ শতাংশ। বাকি ৬৫ শতাংশ অন্য ব্যাংকগুলোর কাছে। ব্যাংকগুলোর সম্পদের মধ্যে স্থায়ী সম্পদ কমে গেছে। গত জুনে স্থায়ী সম্পদ ছিল ১ দশমিক ২৬ শতাংশ। এখন তা কমে ১ দশমিক ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকে নির্ধারিত হারে টাকা জমা রাখতে হয়। যেসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই, ওইসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে কাজ করে সোনালী ব্যাংক। ফলে সোনালী ব্যাংকেও সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে টাকা জমা রাখতে হয়। জরুরি প্রয়োজনে এ অর্থ তুলে নিয়ে ব্যাংকগুলো নিজেদের চাহিদা মেটাতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জমা কমে গেছে। গত জুনে ছিল ৪ দশমিক ০৪ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ। অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জমা কমেছে।

    এদিকে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের খরচ বেড়ে গেছে। গত জুনে ১০০ টাকা বিনিয়োগ করলে ব্যাংকগুলোর খরচ হতো ১৬ টাকা ৪৩ পয়সা। অর্থাৎ ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোকে ১০০ টাকা বিনিয়োগ করলে খরচ হচ্ছে ১৬ টাকা ৬৭ পয়সা।

    গত জুনের তুলনায় সেপ্টেম্বরে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সক্ষমতাও কমেছে। গত জুনে ব্যাংকগুলো মোট আমানতের ৭৮ দশমিক ৫১ শতাংশ বিনিয়োগ করেছিল। সেপ্টেম্বরে এসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৭৮ দশমিক ০৮ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করতে পারত। কিন্তু সক্ষমতার অভাবে পারেনি। কারণ ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট বেড়েছে। এছাড়া ঋণ আদায় কম হওয়ায় ব্যাংকগুলোর হাতে নগদ অর্থের প্রবাহ কমেছে। মূলধন সংরক্ষণে বেশিরভাগ ব্যাংককেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাড়তি ছাড় দিয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, আগের প্রান্তিকগুলোর মতো গত জুন-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকেও দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির হারের ঊর্ধ্বগতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

    অকা/ব্যাংখা/সৈই/সকাল/৩০ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    ব্যাংক খাত মূলধন সম্পদ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্পদ বিক্রি করে বীমা দাবির টাকা পরিশোধের উদ্যোগ, নজরে ৭ কোম্পানি

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    বাজারে আগুন!
    শত টাকা ছাড়াল শসা-বেগুনের দাম

    আর্জেন্টিনা থেকে আমদানি বেশি, স্পেনে রপ্তানি

    ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে নতুন চাপ

    ঝুঁকিপূর্ণ ১১ লাখ কোটি টাকার ঋণ, যে ব্যবস্থা আনছে সরকার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সম্পদ বিক্রি করে বীমা দাবির টাকা পরিশোধের উদ্যোগ, নজরে ৭ কোম্পানি

    সমাজের জবাবদিহি রক্ষায় শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    বাজারে আগুন!
    শত টাকা ছাড়াল শসা-বেগুনের দাম

    আর্জেন্টিনা থেকে আমদানি বেশি, স্পেনে রপ্তানি

    ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে নতুন চাপ

    স্টাডি সার্কেল চীন এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ প্রস্তুত: মেটলাইফ স্টেডিয়াম কেন এত বিশেষ?

    রাজধানীতে যেসব স্থানে বড় পর্দায় দেখা যাবে বিশ্বকাপ ফাইনাল

    ওটিটির পর্দায় শাকিব খানের ‘রকস্টার’, আসছে ২২ জুলাই

    ঝুঁকিপূর্ণ ১১ লাখ কোটি টাকার ঋণ, যে ব্যবস্থা আনছে সরকার

    চরম ঝুঁকিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ

    বৈশ্বিক সরবরাহ সচল রাখতে একসঙ্গে কাজের আহ্বান চীনের

    এআইনির্ভর বাজার বিশ্লেষণ ও ক্রয়ব্যবস্থা করছে টিসিবি

    এলডিসি উত্তরণে অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপের শঙ্কা

    মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহতের শঙ্কা

    চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

    ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী

    এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে মেসি

    সাংবাদিককের সঙ্গে আইডিআরএ নতুন চেয়ারম্যানের প্রথম মত বিনিময় সভা
    বীমা গ্রাহক দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে প্রথম অগ্রাধিকার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.