Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    মুক্তিযুদ্ধের সত্য স্বীকারেই গণতন্ত্রের শক্তি

    জুলাই ১৮, ২০২৬ ১২:৩৯ অপরাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

     

    বিশেষ প্রতিনিধি

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কেবল অতীতের একটি ঘটনা নয়; এটি জাতির পরিচয়, চেতনা ও রাষ্ট্রগঠনের ভিত্তি। তাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক, ব্যাখ্যা কিংবা রাজনৈতিক অবস্থান আজও জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। সংসদ, রাজনৈতিক সমাবেশ, টেলিভিশন বিতর্ক থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই ১৯৭১-এর ইতিহাস নতুন করে আলোচিত হচ্ছে। স্বাধীনতার বহু বছর পরে জন্ম নেওয়া প্রজন্মের কাছেও এটি আর শুধু একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় নয়; বরং সত্য, স্মৃতি ও জাতীয় দায়বদ্ধতার প্রশ্ন।

    এমন বাস্তবতায় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল ও যাচাইকৃত তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, বরং জাতির ইতিহাসকে নির্ভুলভাবে সংরক্ষণের একটি প্রচেষ্টা। সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর প্রকৃত শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নের প্রক্রিয়া বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিতর্কিত হয়েছে। তাই প্রকৃত অবদান রাখা ব্যক্তিদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করে একটি গ্রহণযোগ্য তালিকা তৈরির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

    যে কোনো রাষ্ট্রের দায়িত্ব তার মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া। কিন্তু ইতিহাস যখন রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়, তখন সত্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এ উদ্যোগের তাৎপর্য বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আরও গভীর।

    সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামী তাদের ১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, জামায়াত বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেনি; বরং স্বাধীনতা অর্জনের পদ্ধতি নিয়ে তাদের আপত্তি ছিল। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অবিভক্ত পাকিস্তান ধরে রাখার প্রশ্নে জামায়াতের অবস্থান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবস্থানের সঙ্গে মিল ছিল।

    ডা. শফিকুর রহমান নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য বলেও উল্লেখ করেন। একইভাবে চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমির বিল্লাল হোসেন মিয়াজীও দাবি করেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ছিলেন। ব্যক্তিগত বা পারিবারিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে মূল্যায়ন করা এক বিষয়, কিন্তু একটি রাজনৈতিক দলের অবস্থান নির্ধারিত হয় তার প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত, কর্মকাণ্ড ও ঐতিহাসিক ভূমিকার মাধ্যমে।

    এ কারণেই সমালোচকদের বক্তব্য, জামায়াতে ইসলামী এখনো ১৯৭১ সালে তাদের রাজনৈতিক অবস্থানের বিষয়ে স্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ জবাবদিহি করেনি। ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত তথ্য অনুযায়ী, দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর ও আলশামসের মতো বাহিনীর সঙ্গে দলটির বহু নেতা-কর্মীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এসব সহযোগী বাহিনীর বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যা, সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন, ধর্ষণ এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

    পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের তৎকালীন শীর্ষ নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ কয়েকজনকে দোষী সাব্যস্ত করে। এসব রায় ব্যক্তিগত অপরাধের বিচার হলেও, ১৯৭১ সালে দলটির নেতৃত্বের একটি অংশের ভূমিকা সম্পর্কে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক মূল্যায়নকে আরও জোরালো করেছে।

    সম্প্রতি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ পাসের মাধ্যমে সংসদ আবারও তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম পার্টি, রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও শান্তি কমিটিকে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে আইনি স্বীকৃতি বহাল রেখেছে। জামায়াতে ইসলামী এ বিধানের বিরোধিতা করেছে। অন্যদিকে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা, যেমন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সালাহউদ্দিন আহমদ, অভিযোগ করেছেন যে স্বাধীনতাবিরোধী অতীত থাকা সত্ত্বেও জামায়াত নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে।

    গণতান্ত্রিক সমাজে রাজনৈতিক দল পরিবর্তিত হতে পারে, তাদের আদর্শেরও রূপান্তর ঘটতে পারে। তবে সেই পরিবর্তনের পূর্বশর্ত হলো অতীত সম্পর্কে সততা ও জবাবদিহি। ইতিহাসকে অস্বীকার বা নতুনভাবে সাজিয়ে কোনো জাতি দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী হতে পারে না। অতীতের ভুল স্বীকার করা মানেই স্থায়ী শাস্তি নয়; বরং তা ইতিহাসের নথিভুক্ত সত্যকে সম্মান জানানোর একটি উপায়।

    এই বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ তরুণ প্রজন্মের জন্য। আজকের অধিকাংশ ভোটার মুক্তিযুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেননি। তারা স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক দলগুলোকে বর্তমান নীতি, নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করবেন। তবে একই সঙ্গে একটি দলের অতীত এবং সেই অতীত সম্পর্কে তাদের অবস্থান জানা গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্যও প্রয়োজনীয়। কারণ, যে দল নিজের প্রতিষ্ঠিত ইতিহাস নিয়েই স্পষ্ট অবস্থান নিতে পারে না, তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

    এ কারণেই শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন কেবল প্রশাসনিক কাজ নয়; এটি জাতীয় ইতিহাস সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এমন একটি তালিকা ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ কমাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিভ্রান্তিকর রাজনৈতিক বয়ানের পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক ইতিহাস জানার সুযোগ দেবে।

    স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করা প্রজন্ম ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে। ফলে ১৯৭১ সালের সত্য ও স্মৃতি সংরক্ষণের দায়িত্ব এখন ক্রমেই নতুন প্রজন্মের কাঁধে এসে পড়ছে। বাংলাদেশ গণতন্ত্র, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও জাতীয় পুনর্মিলনের পথে এগোতে পারে, কিন্তু সেই যাত্রা কখনোই ঐতিহাসিক সত্য বিসর্জন দিয়ে হওয়া উচিত নয়। আর যতদিন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী তাদের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীনভাবে আত্মসমালোচনা না করবে, ততদিন পর্যন্ত অনেক বাংলাদেশির মনে দলটির প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রশ্ন থেকেই যাবে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 5 hours আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    রংপুরে একদিনেই ঝরেছে ৫ প্রাণ

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    বাজারে আগুন!
    শত টাকা ছাড়াল শসা-বেগুনের দাম

    ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে নতুন চাপ

    ঝুঁকিপূর্ণ ১১ লাখ কোটি টাকার ঋণ, যে ব্যবস্থা আনছে সরকার

    এআইনির্ভর বাজার বিশ্লেষণ ও ক্রয়ব্যবস্থা করছে টিসিবি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সংবাদপত্রের কালো আইন সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ২০৩০ সালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা হতে পারে ২৪০০০ মেগাওয়াট

    সপ্তাহজুড়ে বাজার মূলধন বাড়লো ৭ হাজার কোটি টাকা

    ইরানের নিয়ন্ত্রণে নেই হরমুজ প্রণালি

    ঋণসংকটের সমাধানে জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ার আহ্বান

    বিশ্বকাপে রেকর্ড প্রাইজমানি : চ্যাম্পিয়নরা পাবে ৬১৬ কোটি

    মুক্তিযুদ্ধের সত্য স্বীকারেই গণতন্ত্রের শক্তি

    ডিসেম্বরে আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণচুক্তির লক্ষ্য

    ব্যবসা সহজে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা
    এলসি ছাড়াই কাঁচামাল আমদানির সুযোগ

    রংপুরে একদিনেই ঝরেছে ৫ প্রাণ

    দেশে বেড়েছে ক্রেডিট কার্ডের লেনদেন

    মৌলিক গান নিয়ে আশফাকুল বারী রুমনের ‘অপেক্ষা’

    ব্যালন ডি’অরের দৌঁড়ে নতুন আলোচনায় মেসি

    সম্পদ বিক্রি করে বীমা দাবির টাকা পরিশোধের উদ্যোগ, নজরে ৭ কোম্পানি

    সমাজের জবাবদিহি রক্ষায় শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    বাজারে আগুন!
    শত টাকা ছাড়াল শসা-বেগুনের দাম

    আর্জেন্টিনা থেকে আমদানি বেশি, স্পেনে রপ্তানি

    ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে নতুন চাপ

    স্টাডি সার্কেল চীন এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.