Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সব পণ্যের ওপর সমান হারে কর বসানো হতে পারে : এনবিআর

    মে ২৭, ২০২৫ ৫:৫২ অপরাহ্ণ13
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বাজেটে এসব পণ্যে ১-২ শতাংশ হারে উৎসে কর তথা অগ্রিম আয়কর (এআইটি) বসাচ্ছে সরকার। এদিকে সব পণ্যে একই হারে কর বসানো হতে পারে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া ভুটান থেকে আমদানি হওয়া ৩৩টি পণ্যেও উৎসে কর নেই। ২০১৩ সালে সরকার টু সরকার চুক্তি অনুযায়ী ভুটানের এসব পণ্য সব ধরনের কর ও শুল্কমুক্ত।

    এনবিআর বলছে, ১৮৯টি আমদানি পণ্যে উৎসে কর বসালেও পণ্যমূল্য বাড়বে না। অগ্রিম নেয়া কর পরবর্তী সময়ে সমন্বয় (ক্রেডিট দেবে এনবিআর) করা হবে। ধাপে ধাপে কর ছাড় তুলে নেয়া ও কর পরিপালন বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এ পদপে নেয়া হচ্ছে। এতে রাজস্ব-ভিত্তি সম্প্রসারিত হবে। তবে আমদানি পণ্যে অগ্রিম আয়কর নিলে সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত ও ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে। ফলে অর্থনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে থাকা শিল্পগুলো আরো সংকটে পড়বে।

    এ প্রসঙ্গে এনবিআরের সাবেক সদস্য ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘আমদানি পণ্যে উৎস কর থাকা উচিত নয়। এতে পণ্যমূল্য অবশ্যই বাড়বে। ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা উৎসে কর বিলোপ চান। রাজস্ব বোর্ডও জানে এটি উত্তম কর চর্চা নয়।’ শুধু রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    যেসব পণ্য উৎসে করের আওতায় আসবে তার মধ্যে রয়েছে পোশাক শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল তুলা ও মানবসৃষ্ট তন্তু। আলু, পেঁয়াজ, মসুর ডাল, চিনি, ময়দা, ছোলা ও ভুট্টার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। চিকিৎসা সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে হুইলচেয়ার, এনজিওগ্রাফিক ও গাইড ক্যাথেটার, কৃত্রিম দাঁত, হিয়ারিং এইড ইত্যাদি। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কিং ডিভাইস, কম্পিউটারের মনিটর, প্রিন্টারের রিবন, রাউটার, মডেম, টোনার, অপরেটিং সিস্টেমস ইত্যাদি। এছাড়া শিল্প খাতে ব্যবহৃত রাসায়নিক, বিমান, বাস, মাছ ও মাংস উৎসে করের আওতায় আসবে।

    এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘বর্তমানে ১৮৯টি পণ্যে আমদানির সময় কোনো ধরনের উৎসে কর নেই। কর ছাড় ধাপে ধাপে তুলে নেয়ার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমরা সম্ভবত দুই-একটি ব্যতিক্রম বাদে প্রায় সব পণ্যের ওপর এআইটি আরোপ করতে যাচ্ছি।’

    উদ্যোক্তারা বলছেন, কর ফেরতের বিধান থাকলেও বাস্তবে তা প্রায় অসম্ভব। ফলে ব্যবসায়ীদের সামনে দুটি পথ খোলা থাকে- হয় পণ্যের দাম বাড়ানো, নয় লোকসান মেনে নেয়া।

    নীতিনির্ধারকেরা জানিয়েছেন, শূন্য-কর সুবিধা থেকে সরে আসার অন্যতম কারণ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চাপ। যদিও এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, করদাতাদের সুবিধার জন্যই অগ্রিম কর চালু করা হয়েছে। কিস্তিতে তারা কর পরিশোধ করতে পারেন, যা বছর শেষে সমন্বয় করা হয়।

    আয়কর আইনের ১৫৫ ধারায় বলা হয়েছে, অগ্রিম কর হিসেবে পরিশোধযোগ্য ন্যূনতম কর চারটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা যায়। এর মধ্যে অর্থ বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৫ ডিসেম্বর, ১৫ মার্চ ও ১৫ জুন প্রতি কিস্তিতে অগ্রিম করের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা যায়। এছাড়া আইনে ৫৩ ধরনের উৎসে কর কর্তনের কথা বলা হয়েছে। এগুলো অগ্রিম কর হিসেবেই কাটা হয়। অগ্রিম কর নেয়া হলেও ফেরত দেয়া হয় নাÑ ব্যবসায়ীদের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে এনবিআরের কাস্টমসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এ অভিযোগ আংশিক সত্য, তবে বেশির ভাগই অর্ধসত্য। একদিকে ফেরত পাবে না ধরে নিয়ে তারা পণ্যের দাম বাড়িয়ে তা উসুল করে, ফলে পরে যা ফেরত পান তাও তাদের লাভ।’

    এনবিআর-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে অগ্রিম কর আদায়ের সংস্কৃতি বেশ পুরনো। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই রাজস্ব আহরণে এর চর্চা হয়ে আসছে। সহজে রাজস্ব আহরণের জন্য এটি বেশ কার্যকর পদ্ধতি। ●

    অকা/আখা/ফর/বিকাল/২৭ মে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সমুদ্র অর্থনীতিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ

    ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে ধস
    লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৫০ কোটি টাকারও বেশি কম আদায়

    এফডিআইয়ে আফ্রিকার কাছেও পিছিয়ে বাংলাদেশ

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    ৪৩ খাতে রফতানি প্রণোদনা অপরিবর্তিত

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন

    রাষ্ট্রপতি হোন দলমতের ঊর্ধ্বে, জনগণের আস্থার প্রতীক

    বাড়ছে নারী নির্যাতনের ভয়াবহতা

    চাঁদাবাজি: চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার

    নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান পেলো বাপেক্স

    শিল্পে গ্যাস–সংকট নিরসনে উদ্যোগের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    নদী-খাল পুনঃখননে দীর্ঘমেয়াদি পিপিপি মডেলের আহ্বান ডিসিসিআইর

    জিপিএইচ ইস্পাতকে ৫ কোটি জরিমানা

    মহেশখালীতে হচ্ছে চীনের নতুন এলএনজি টার্মিনাল

    শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ৮ বীমা কোম্পানির, শীর্ষে সিটি ইন্স্যুরেন্স

    এক ক্লিকেই করদাতার সব তথ্য
    এনবিআরকে নতুন রোডম্যাপ দিল আইএমএফ

    মুনাফা বেড়েছে রবি আজিয়াটা পিএলসির

    রূপপুরের অর্থ পরিশোধে বিকল্প লেনদেন রুপিতে চায় রাশিয়া

    বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের নগদ আদায় প্রায় ৭৬৯ কোটি টাকা

    প্রথমার্ধে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

    ইবিএল চেয়ারম্যান হলেন আনিস আহমেদ

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোয় সর্বনিম্ন স্তরে বাংলাদেশ

    কম দামে বাংলাদেশকে ইউরিয়া দিতে চায় রাশিয়া

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ৪৪০ কোটি টাকার ঋণ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.