Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের অনুসন্ধান হবে : এনবিআর চেয়ারম্যান

    সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪ ২:১০ পূর্বাহ্ণ14
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদ অনুসন্ধান করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা যখন আয়কর রিটার্ন দেন, তখন সেগুলো অডিট করা হয়, তারপর অ্যাসেস করা করা হয়।

    সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) এ নিয়ে কাজ করে। সক্ষমতা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে করা হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) ই-রিটার্ন তথ্য সেবা কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, গ্রুপ-কোম্পানির কর ফাঁকির তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে। এগুলো বৃহৎ করদাতা ইউনিট তদন্ত করছে। সক্ষমতা অনুযায়ী করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এসব শেষ করা হবে। সব কাজ একসঙ্গে শুরু করলে কোনোটিই শেষ করা যাবে না। যে করদাতাদের নিয়ে গণমাধ্যমে আলোচনা আছে বা গোয়েন্দাদের মাধ্যমে আমরা তথ্য পাচ্ছি, তদন্তের ক্ষেত্রে আমরা সেগুলোতে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। করপোরেট করদাতাদের ক্ষেত্রে আমরা একই পদ্ধতি অনুসরণ করছি।

    সরকারি কর্মচারী বিশেষ করে আমলা, যারা গত ১৫ থেকে ২০ বছরে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন, এ রকম শত শত লোক রয়েছেন। আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এনবিআর ও সিআইসি এ নিয়ে ব্যাপকভাবে কাজ করেছিল। এবার কেন এনবিআর হাত গুটিয়ে রয়েছে, সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হয়।

    জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমরা যেতে যাচ্ছি না, আপনারা এ ধরনের কথা বলতে পারেন না। সময় তো সবে মাত্র শুরু। শুরু করতে কিছু সময় লাগে, যা বাইরে থেকে দেখা যায় না। আমরা নিশ্চয়ই বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই, সবাইকে নিয়ে আমরা সে কাজ করতে চাই। এটি করতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। এ জন্য সময় লাগবে।

    কিন্তু কত সময় লাগবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি এনবিআর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, প্রস্তুতির জন্য কতটা সময় লাগবে, তা বলা মুশকিল। ধীরে ধীরে আমরা বিষয়গুলো ঠিক করছি। রাইট ট্র্যাকে, রাইট পজিশনে আনার চেষ্টা করছি। তথ্যপত্র সংগ্রহের চেষ্টা করছি।

    রাজস্ব বোর্ডের মাঠ পর্যায় থেকে ট্যাক্স অডিট ফাইল পাঠাতে নিষেধ করা হয়েছে। কেন করা হলো- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের একটি ইমেজ সংকট রয়েছে, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ফাইলগুলো ঠিক করি, তা সঠিক হয় না। এ বিষয়ে করদাতাদের কাছে থেকে অভিযোগ আমরা পেয়ে থাকি।

    তিনি বলেন, এ কারণে আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে অডিট সিলেকশন করতে চাই, যেন করদাতাদের মনে সন্দেহ তৈরি না হয়। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। যারা কর ফাঁকি দিয়েছেন, তাদের বের করব এবং আইনি ব্যবস্থা নেব।

    মো. আব্দুর রহমান খান বলেন, কালো টাকা সাদা করার আইন বাতিল করা হয়েছে। এ আইন বাতিল করার আগে কোনো ব্যক্তি কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নিয়ে থাকলে তা আইনের বলেই নিয়েছেন; সেটা বৈধ। তার কোনো সমস্যা নেই। যতক্ষণ পর্যন্ত আইনটি বহাল ছিল, ততক্ষণ পর্যন্ত বৈধ।

    এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আর্থিক সক্ষমতা, মূল্যস্ফীতি ও দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিবেচনা করে করমুক্ত আয় সীমা নির্ধারণ করা হয়, যেন যাদের কম সক্ষমতা, তারা কম কর দিতে পারেন। আর যাদের সক্ষমতা বেশি তারা বেশি দিতে পারেন। সবাই জাতি গঠনে ভূমিকা রাখবেন।

    এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশের মতো করদাতা। বাকি জনগোষ্ঠী করের বাইরে। ভারতে কর দেয় ২২-২৩ শতাংশ মানুষ। করমুক্ত সীমা বাড়ালে আয়কর দেওয়া মানুষ নেটওয়ার্কের বাইরে চলে যাবে। তিনি বলেন, মামলা জটিলতার কারণে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আটকে আছে। এ মামলা জটিলতা দূর করতে কাজ করা হচ্ছে। হাইকোর্টে ভিন্ন বেঞ্চ হয়েছে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) কাজ করছে। উভয় পক্ষের জেতার মানসিকতার কারণে মানুষ এডিআরে যেতে চাচ্ছে না।

    এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ৪০ লাখ লোক আয়কর রিটার্ন দেয়। এর মধ্যে মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দেন। বাসায় বসে আয়কর রিটার্ন দেওয়া যায়। কেন তারা দিচ্ছেন না, সমস্যা কোথায়- তা দেখার জন্যই আমরা আয়কর রিটার্ন কল সেন্টার বা তথ্য সেবা চালু করেছি। রেজিস্ট্রেশন বা আয়কর রিটার্ন বা আয়কর রিটার্ন সেভ করার সময় সমস্যা হলে কল সেন্টারে কল করে সমস্যার সমাধান নেওয়া যাবে।

    ই-রেজিস্ট্রেশন করার সময় যত সমস্যা হচ্ছে, তার প্রধান কারণে হলো মোবাইল সিম বায়োমেট্রিক না হওয়া- উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বায়োমেট্রিক করে মোবাইল সিম সংগ্রহ করা হলে ই-রিটার্ন বা রেজিস্ট্রেশনে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। সমস্যা এড়াতে সিম বায়োমেট্রিক করতে হবে, অথবা বায়োমেট্রিক করে সিম সংগ্রহ করতে হবে। ●

    অকা/আখা/ফর/সকাল/২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    অনুসন্ধান সম্পদ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সমুদ্র অর্থনীতিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ

    ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে ধস
    লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৫০ কোটি টাকারও বেশি কম আদায়

    এফডিআইয়ে আফ্রিকার কাছেও পিছিয়ে বাংলাদেশ

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    ৪৩ খাতে রফতানি প্রণোদনা অপরিবর্তিত

    মোটরসাইকেল শিল্পে ফিরছে গতি, লক্ষ্য এখন রফতানি বাজার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    মৌলিক গান নিয়ে আশফাকুল বারী রুমনের ‘অপেক্ষা’

    ব্যালন ডি’অরের দৌঁড়ে নতুন আলোচনায় মেসি

    সম্পদ বিক্রি করে বীমা দাবির টাকা পরিশোধের উদ্যোগ, নজরে ৭ কোম্পানি

    সমাজের জবাবদিহি রক্ষায় শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই: তথ্যমন্ত্রী

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    বাজারে আগুন!
    শত টাকা ছাড়াল শসা-বেগুনের দাম

    আর্জেন্টিনা থেকে আমদানি বেশি, স্পেনে রপ্তানি

    ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে নতুন চাপ

    স্টাডি সার্কেল চীন এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ প্রস্তুত: মেটলাইফ স্টেডিয়াম কেন এত বিশেষ?

    রাজধানীতে যেসব স্থানে বড় পর্দায় দেখা যাবে বিশ্বকাপ ফাইনাল

    ওটিটির পর্দায় শাকিব খানের ‘রকস্টার’, আসছে ২২ জুলাই

    ঝুঁকিপূর্ণ ১১ লাখ কোটি টাকার ঋণ, যে ব্যবস্থা আনছে সরকার

    চরম ঝুঁকিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ

    বৈশ্বিক সরবরাহ সচল রাখতে একসঙ্গে কাজের আহ্বান চীনের

    এআইনির্ভর বাজার বিশ্লেষণ ও ক্রয়ব্যবস্থা করছে টিসিবি

    এলডিসি উত্তরণে অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপের শঙ্কা

    মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহতের শঙ্কা

    চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

    ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.