Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে জ্বালানি : বিডা চেয়ারম্যান

    জুন ১৮, ২০২৬ ১০:১০ অপরাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    অর্থনীতি ও বিনিয়োগ উন্নয়নের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা এই মুহূর্তে জ্বালানি। এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। যিনি আশিক চৌধুরী নামে বেশি পরিচিত। তিনি আরও জানান, গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্টের ওপর বেশি ফোকাস না করে, এ বছর দেশীয় বিনিয়োগকারীদের ওপর বেশি ফোকাস করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ভবনের মাল্টিপারপাস হলে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফ্লোস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

    আশিক চৌধুরী বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে বৈশ্বিকভাবে বিনিয়োগের প্রবাহ তুলনামূলকভাবে দুর্বল। এ কারণে আমরা গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্টের ওপর বেশি ফোকাস না করে, এ বছর দেশীয় বিনিয়োগকারীদের ওপর বেশি ফোকাস করার চেষ্টা করছি। এছাড়া আমাদের কাজের একটি বড় অংশ হচ্ছে— সরকারি অব্যবহৃত ও বন্ধ শিল্প-কারখানাগুলোকে কীভাবে প্রাইভেটাইজ বা মনিটাইজ করা যায়, সে বিষয়টি নিয়ে কাজ করা। অর্থাৎ, আমরা এখন দেশের বাইরে বিনিয়োগ আনার চেষ্টার পাশাপাশি নিজেদের ভেতরের সম্ভাবনার দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছি।

    তিনি বলেন, যেহেতু সারা পৃথিবীতে একটি যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে, তাই আমরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা, দক্ষতা (এফিশিয়েন্সি) এবং সেখান থেকে কীভাবে বিনিয়োগকে আরও উৎসাহিত ও গতিশীল করা যায়, সেদিকেই এ বছর বেশি ফোকাস করছি। আগামী বছর যদি যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান হয় এবং বৈশ্বিক পরিবেশ কিছুটা স্থিতিশীল হয়, তাহলে আমরা আবারও বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণের দিকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে পারব।

    এসময় আশিক বলেন, আমাদের ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের উদ্যোক্তারা বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে জ্বালানি। আমার মনে হয়, এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত বা বিকল্প মতামতের খুব একটা সুযোগ নেই। সরকারও খুব ভালোভাবে জানে যে জ্বালানি, বিশেষ করে গ্যাসের সংকট, বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

    আশিক চৌধুরী বলেন, গ্যাসের স্বল্পতার কারণে আমাদের শিল্প খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এরপর আসে বিদ্যুতের বিষয়। এছাড়া এনবিআর-সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতার কথাও অনেকেই বলেন। আমার মনে হয়, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সমস্যার মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। দু-একটি ক্ষেত্রে, যেমন- মুনাফা প্রত্যাবাসন (রিপ্যাট্রিয়েশন) সংক্রান্ত বিষয় থাকতে পারে, তবে সেগুলোও আমরা মোটামুটি সমাধানের পর্যায়ে চলে এসেছি।

    তিনি বলেন, আমার নিজের কাজ এবং আমার সংস্থার নিজস্ব কাজের বাইরে সবচেয়ে বেশি সময় এখন ব্যয় হচ্ছে জ্বালানি খাত নিয়ে। আপনারা দেখছেন, আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে কাজ করছি। বেজার মাধ্যমে একটি শিল্পাঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য জমি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে আমি মাননীয় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছি।আমি প্রায়ই বলি, আমার সময়ের প্রায় ৫০ শতাংশই এখন জ্বালানি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ব্যয় হয়। কারণ আমি সত্যিই মনে করি, অর্থনীতি ও বিনিয়োগ উন্নয়নের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা এই মুহূর্তে জ্বালানি।

    তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সংকট যদি থেকে যায়, তাহলে আমি যতই বিনিয়োগ সম্মেলন করি বা অন্যান্য উদ্যোগ নিই, কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না। তাই আমি আন্তরিকভাবেই মনে করি, জ্বালানি সমস্যার সমাধান অত্যন্ত জরুরি। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের সবাই এ বিষয়টি উপলব্ধি করেন এবং যত দ্রুত সম্ভব সমাধানের চেষ্টা করছেন। তবে আমি আগেও বলেছি, জ্বালানি সমস্যার কোনো রাতারাতি সমাধান নেই। উদাহরণস্বরূপ, একটি এফএসআরইউ স্থাপন করতে হলেও দেড় থেকে দুই বছর সময় লাগে। ফলে আমরা আজ যা-ই শুরু করি না কেন, তা যেন ২০২৭ বা ২০২৮ সালে গিয়ে আমাদের সংকটটা কেটে যায়।

    ব্যাংকিং খাত নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, ব্যাংকিং খাতের বর্তমান সংকট দীর্ঘদিনের। অনেক বছর ধরে ভুল ব্যালেন্স শিট, ভুল আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন আর্থিক চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। আর যেকোনও সমস্যা সমাধানের প্রথম ধাপ হলো— সেই সমস্যাকে স্বীকার করা। ব্যাংকিং খাতের বাস্তব অবস্থা আগে স্বীকার করা হয়নি। এখন সেটি স্বীকার করা হয়েছে, যা ইতিবাচক।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 months আগে

    অর্থনীতি জ্বালানি বিডা বিনিয়োগ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইউনানের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান

    এক্সিলারেট টার্মিনাল চালু, বাড়ল এলএনজি সরবরাহ

    বাংলাদেশের স্বার্থেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন জরুরি

    হাসিনা ইস্যুতে কূটনৈতিক চাপ ও সম্পর্ক সচল—সম্ভব দুটোই

    জঙ্গিবাদ দমনে রাজনৈতিক সদিচ্ছার সঙ্গে চাই গোয়েন্দা তৎপরতা

    ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    পরীমণি–মাসরুর বিতর্কে নতুন তথ্য, সামনে আসছে নামের বিভ্রান্তি

    ইউনানের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান

    এক্সিলারেট টার্মিনাল চালু, বাড়ল এলএনজি সরবরাহ

    বাংলাদেশের স্বার্থেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন জরুরি

    হাসিনা ইস্যুতে কূটনৈতিক চাপ ও সম্পর্ক সচল—সম্ভব দুটোই

    জঙ্গিবাদ দমনে রাজনৈতিক সদিচ্ছার সঙ্গে চাই গোয়েন্দা তৎপরতা

    ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

    মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্সে ১৫% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

    একাত্তর নিয়ে বিতর্ক হোক, কিন্তু প্রমাণ অস্বীকার নয়

    ৩৫ বছর পর ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

    এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ, কমলো গ্যাস সরবরাহ

    ৩২ লাখ ডলার ঋণ পাচ্ছে এসএস পাওয়ার

    কমতে পারে মোবাইল কলরেট

    এক কর্মকর্তার উদ্যোগে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে নতুন দৃষ্টান্ত রূপগঞ্জে

    ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার ২১০ কোটি টাকা

    বাজবলের পর নতুন যুগে ইংল্যান্ড ক্রিকেট

    ৩ দিনেই ১০০ কোটির ক্লাবে ইমরান হাশমির সিনেমা

    মিথ্যা সাময়িক, কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী : শাবনূর

    বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়ানোয় জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সিটিজেনস ব্যাংকের চুক্তি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.