Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    এক মাসে দ্বিগুণ চাপ
    এলপিজির দামে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি

    এপ্রিল ২১, ২০২৬ ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ8
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    বাংলাদেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আবারও মূল্যবৃদ্ধির মুখে পড়েছে, এবং তা এক মাসের ব্যবধানে দুই দফায়। জ্বালানি তেলের সামগ্রিক মূল্যবৃদ্ধির দিনেই দ্বিতীয় দফায় এলপিজির দাম বাড়ানো হয়, যা বাজারে নতুন করে চাপ তৈরি করেছে।

    নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি কেজি এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা। ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন দামে ১২ কেজির বহুল ব্যবহৃত সিলিন্ডারের মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৯৪০ টাকা—যা আগে ছিল ১,৭২৮ টাকা। অর্থাৎ, মাত্র এক মাসেই একটি সিলিন্ডারে ২১২ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এর আগেও এপ্রিলের শুরুতে প্রতি কেজিতে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। ফলে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত পাঁচ দফায় এলপিজির মূল্য সমন্বয় করা হলো। তবে বাস্তবতা হলো, নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও বেশি দামে বাজারে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। মাঠপর্যায়ে দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে সরকারি দামের চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে।

    ভোক্তার চাপ ও বিকল্পে ফেরার প্রবণতা

    দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয় কাঠামোতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও যেখানে এলপিজি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল, এখন অনেক পরিবার আবার মাটির চুলার মতো বিকল্পে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবছে।

    গৃহস্থালি ছাড়াও ছোট গার্মেন্টস, রেস্টুরেন্ট এবং ভাসমান খাবারের দোকানগুলোতে এলপিজির ব্যবহার ব্যাপক। ফলে জ্বালানি খরচ বাড়ায় এসব খাতে পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এমনকি পরিবহন খাতেও এলপিজির ব্যবহার বাড়তে থাকায় এর প্রভাব বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে।

    অর্থনীতিতে বহুমাত্রিক প্রতিক্রিয়া

    ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলমের মতে, এলপিজি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে এর ব্যবহার সর্বত্র ছড়িয়ে গেছে। তাই হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি শুধু ভোক্তা পর্যায়েই নয়, সামগ্রিক অর্থনীতিতেও চাপ তৈরি করে।

    তার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জ্বালানির দাম বাড়লে ভোক্তারা ব্যয় কমাতে বাধ্য হন। এতে পণ্যের চাহিদা কমে যায়, ব্যবসায়িক কার্যক্রম শ্লথ হয়, এবং সরকার ভ্যাট-ট্যাক্স আদায়ে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ঘাটতি পূরণে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ে, যা বেসরকারি বিনিয়োগকে সংকুচিত করে। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে, ক্রয়ক্ষমতা কমে এবং অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়।

    মূল্যবৃদ্ধির পেছনের যুক্তি ও বিতর্ক

    বিইআরসি বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের বিঘ্নের কারণে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। বিকল্প পথে জ্বালানি আনতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে, সঙ্গে যোগ হয়েছে বিমা ও নিরাপত্তা ব্যয়। প্রতি মেট্রিক টনে অতিরিক্ত প্রায় ২৫০ ডলার খরচ বিবেচনায় নিয়ে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    তবে এই যুক্তিকে একপাক্ষিক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের প্রশ্ন—যে পণ্য এখনো দেশে পৌঁছায়নি, তার আগাম মূল্য নির্ধারণ কতটা যৌক্তিক? এছাড়া, মাসে একবার দাম নির্ধারণের নীতির বাইরে গিয়ে একই মাসে দুইবার সমন্বয় করাও প্রশ্নবিদ্ধ বলে মনে করছেন তারা।

    বাজার কাঠামো ও বাস্তবতা

    ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে বিইআরসি এলপিজির দাম নির্ধারণ করছে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। তবে গণশুনানির মাধ্যমে নয়, বরং আমদানি মূল্য, পরিবহন খরচ, ডলার রেটসহ বিভিন্ন উপাদান বিবেচনায় দাম ঠিক করা হয়।

    বাংলাদেশে এলপিজির বড় অংশই আমদানিনির্ভর—বিশেষ করে সৌদি আরব ও কাতার থেকে। বর্তমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ায় সামনে আরও চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সামনে কী অপেক্ষা করছে

    বিইআরসি ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এলপিজির দাম আরও বাড়তে পারে। আগামী মূল্য সমন্বয় নির্ধারিত রয়েছে মে মাসের শুরুতে।

    সব মিলিয়ে, এলপিজির এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি শুধু জ্বালানি খাতেই সীমাবদ্ধ নয়—এটি ধীরে ধীরে ভোক্তা ব্যয়, ব্যবসা, রাজস্ব এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। এখন বড় প্রশ্ন—এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কোথায় গিয়ে থামবে, এবং তা সামাল দিতে নীতিনির্ধারকদের কাছে কী কৌশল রয়েছে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.