Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৩ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ডলার সংকটে ফায়দা নিচ্ছে সিন্ডিকেট

    সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৩ ৪:১৯ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    সর্বত্রই নগদ ডলারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আগাম বা এলসি ডলারেও একই অবস্থা। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় নগদ বা ড্রাফট আকারে ডলার মিলছে না বললেই চলে। এমনকি ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের দেনা শোধ করার মতো ডলার জোগান দিতে পারছে না অনেক ব্যাংকই।

    মানি চেঞ্জারগুলোয়ও নগদ ডলারের তীব্র সংকট। কার্ব মার্কেট বা খোলাবাজারেও ডলার বেচাকেনা একেবারেই কম। সম্প্রতি মানি চেঞ্জারস ও খোলাবাজারে ডলারের দাম মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার কারণে গোয়েন্দা সংস্থা ও বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের (বিএফআইইউ) অভিযানের পর বেআইনিভাবে ডলার বেচাকেনা বন্ধ রয়েছে। ফলে বেঁধে দেওয়া দরে কেউ ডলার বিক্রি করছেন না। 

    এ অবস্থায় নগদ ডলারের প্রবাহ কমে গেছে। মানি চেঞ্জারস ও কার্ব মার্কেট থেকে কেউ ডলার কিনতে পারছে না। এ কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসা, শিক্ষা ও ব্যবসায়িক সফরে যাওয়া লোকজন। সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদের বিদেশ প্রশিক্ষণ জরুরি, তারাও বিপাকে পড়ছেন।

    এছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যের পণ্য আমদানিতে চরম ডলার সংকটের মুখোমুখি ব্যবসায়ীরা। সবাই খোলাবাজার বা কালোবাজার থেকে বেশি দামে ডলার কিনে সামাল দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু গোয়েন্দা সংস্থার অভিযানের কারণে এখন কালোবাজারিরা পিছু হটেছে। ধরা পড়ার ভয়ে সবাই ডলার লুকিয়ে রেখেছে। বেশি টাকা দিলে কেউ কেউ গোপনে ডলার বিক্রি করছেন। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

    অপরদিকে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে এখনো প্রথম সারির বিনিয়োগকারী শিল্পপতি উদ্যোক্তরা বিপাকে না পড়লেও তাদের সবকিছুতে খরচ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। ডলারের দাম বাড়ার কারণে উৎপাদন খরচ যে হারে বাড়ছে তাতে লাভ তো দূরের কথা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ব্রেকইভেনে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। বড় ব্যবসায়ীদের মধ্যে কেবল যারা রফতানি করে ডলার আয় করেন, তারই এলসি খুলতে পারছেন। বাণিজ্যিকভাবে বড় ব্যবসায়ীরাও এলসি খুলতে পারছেন না।

    এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, দেশে ডলারের সংকট চলছে; আগে এটা মেনে নিতে হবে। তারপর ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দিতে হবে। তখন দাম বাড়বে বটে, কিন্তু ডলারের প্রবাহ স্বাভাবিক হতে থাকবে। এখন ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণ করে সুফল পাওয়া যাবে না। আর সংকট কেটে যাচ্ছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে-এমন কথা বলে বাজারকে বিভ্রান্ত করা ঠিক হচ্ছে না।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে হঠাৎ করে কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বাড়তে থাকে। আগে ব্যাংকের কাছাকাছি দামেই কার্ব মার্কেটে ডলার বেচাকেনা হতো। এখন এর ব্যবধান বেড়ে ৭ থেকে ৮ টাকা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যবধান আরও বেশি।

    রোববার থেকে ব্যাংকে নগদ ডলার ১১১ থেকে ১১৩ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ড্রাফট আকারে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা করে। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফি পরিশোধের জন্য ডলারের দাম এবার সর্বোচ্চ ১১০ টাকা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নগদ ছাড়া অন্যান্য খাতেও সর্বোচ্চ ১১০ টাকা করেই ডলার বিক্রি করতে হবে। রোববার বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সার্কুলারে এমনই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ওই নির্দেশনায় আগস্টের তুলনায় প্রতি ডলারের দাম ৫০ পয়সা থেকে এক টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এরপরও ব্যাংকে ডলার মিলছে না।

    গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম হুহু করে বেড়ে যায়। মাসের শুরুতে যে ডলার কার্ব মার্কেটে ১১৩ থেকে ১১৪ টাকায় বিক্রি হতো, এর দাম বেড়ে ১১৭ থেকে ১১৮ টাকায় ওঠে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১২০ টাকা করেও ডলার বিক্রির নজির পাওয়া গেছে। এ তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর গত সপ্তাহে মানি চেঞ্জারস ও খোলাবাজারে অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা সংস্থা ও বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ)। গুরুতর অনিয়ম পেয়ে বিএফআইইউ ৭টি মানি চেঞ্জারের লাইসেন্স স্থগিত করে এবং ১০টি মানি চেঞ্জারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। বেআইনিভাবে মাত্রাতিরিক্ত নগদ ডলার রাখায় ৮টি মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হয়। এতে বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    দেশে যেসব নগদ ডলার আসে, সেগুলো খোলাবাজারেই বেশি বিক্রি হচ্ছে। কারণ, খোলাবাজারে দাম বেশি। ব্যাংকের চেয়ে প্রতি ডলারে ৭ থেকে ৮ টাকা বেশি পাওয়া যায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এরও বেশি। এসব কারণে নগদ ডলার কার্ব মার্কেটে চলে আসে। এসব ডলার কার্ব মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও বেশি দামে বিক্রি করেন। অভিযানের পর বাজারে নগদ ডলারের প্রবাহ কমে গেছে। ফলে সংকট প্রকট হয়েছে।

    জানা যায়, একটি সিন্ডিকেট কার্ব মার্কেট থেকে বেশি দামে ডলার কিনে তা দিয়ে বিলাসী পণ্য আমদানির এলসি খুলছেন। যে কারণে বাজারে বিলাসী পণ্যের সরবরাহে তেমন ঘাটতি নেই। তবে দাম অনেক বেশি।

    এদিকে মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন সর্বোচ্চ ১১০ টাকা ৭৫ পয়সা দরে কেনা এবং সর্বোচ্চ ১১২ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রির সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে বেশি দামে তারা কেনাবেচা করতে পারবে না। কিন্তু নগদ ডলার এই দামে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মানি চেঞ্জারগুলো নির্ধারিত দামে ডলার বিক্রিও করতে পারছে না। এতে মানি চেঞ্জারগুলোয়ও ডলার সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

    সূত্র জানায়, আগে মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোই বেশি দামে অফিসিয়াল রেকর্ডের বাইরে গিয়ে ডলার বেচাকেনা করত। নির্ধারিত দামে গ্রাহকরা ডলার বেচাকেনা করলে মানি চেঞ্জারস থেকে রসিদ দেওয়া হয়। এর চেয়ে বেশি দামে বেচাকেনা করলে রসিদ দেওয়া হয় না। ফলে প্রতিটি মানি চেঞ্জারই বৈধ ও বেআইনি দুভাবে ব্যবসা পরিচালনা করত। বৈধ ব্যবসার চেয়ে অবৈধ ব্যবসাই হতো বেশি। কারণ, যারা নগদ ডলার বিক্রি করতেন, তারা বেশি দামেই করতেন। ফলে মানি চেঞ্জারগুলোও বিক্রির ক্ষেত্রে বেশি দাম নিত। এতে মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ ব্যবসা প্রায় চাপা পড়ে যায়। বৈধ লাইসেন্সের আড়ালে তারা অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে।

    অভিযানের কারণে এখন অবৈধ ব্যবসা প্রায় বন্ধ। ফলে মানুষ ডলার পাচ্ছে না। এই সংকটের কারণে ব্যাংকগুলোও ডলার দিতে পারছে না।

    এদিকে রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা ও পল্টন এলাকায় অবস্থিত মানি চেঞ্জারগুলোয় গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ অফিসই বন্ধ। কিছু অফিস খোলা থাকলেও লোকজন নেই। বিক্রেতা আসে না বললেই চলে। ক্রেতারা এলে বলে দেওয়া হচ্ছে ডলার নেই। অভিযোগ রয়েছে, মানি চেঞ্জারস ব্যবসায়ীদের অনেকে গোপনে ডলার কেনাবেচা করছেন। 

    সূত্র জানায়, দেশে নগদ ডলার নিয়ে আসেন সাধারণত প্রবাসী ও বিদেশ থেকে ফিরে আসা যাত্রীরা। নিয়মানুযায়ী তাদের কাছে যেসব ডলার থাকবে, ফেরার সময় বিমানবন্দরে কাস্টমসে ঘোষণা দিতে হবে। এর মধ্যে ১০ হাজার ডলারের বেশি থাকলে তা ফেরত দিতে হবে ব্যাংক বা মানি চেঞ্জারসে। পরে ব্যবহারের জন্য গ্রাহক নিজের কাছে ১০ হাজার ডলার রাখতে পারবেন। কিন্তু অনেকে দেশে ফেরার পর এর চেয়ে অনেক বেশি ডলার নিজের কাছে রেখে দিচ্ছেন। তারা সেটি বাজারেও বিক্রি করছেন না। আবার নিজেরা ব্যবহারও করছেন না। এতে নগদ ডলারের সংকট বাড়ছে। এছাড়া অনেকে ভবিষ্যতে বিশেষ প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে টাকা দিয়ে নগদ ডলার কিনে রাখছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ডলার সংকটে ফায়দা নিচ্ছে সিন্ডিকেট

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    অর্থপাচারের অভিযোগ থাকলে ফেরা যাবে না ব্যাংকের বোর্ডে

    ট্রেজারি বন্ডের সুদহারে উল্লম্ফন: ব্যাংক ঋণের ব্যয় বাড়ছে সরকারের

    আরো বাড়লো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ
    বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    মহান মে দিবসের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
    নারী শ্রমে মানবতা ও বাস্তবতা

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    বাজেটে কালো টাকার সুযোগ এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি

    বিএসইসির বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
    অনলাইনে বিনিয়োগে সাবধান

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    পুঁজি বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর ডিএসই: কোম্পানি পরিদর্শনে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.