Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি প্রবাসী আয় কম

    অক্টোবর ৮, ২০২৪ ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ13
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ছাত্র-জনতার আন্দোলন সাড়া ফেলেছিল প্রবাসেও। আন্দোলনকারীরা দেশে রেমিট্যান্স না পাঠানোর ক্যাস্পেইন শুরু করেন।

    এতে ব্যাপকভাবে সাড়া দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশিরা, কমে যায় দেশ দুটি থেকে আসা প্রবাসী আয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের জুলাই-সেপ্টেম্বর তিন মাসের প্রবাসী আয় পর্যালোচনা করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

    বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানো দ্বিতীয় প্রধান দেশ যুক্তরাষ্ট্র। জুলাই-সেপ্টেম্বর তিন মাসে দেশটি থেকে প্রবাসী আয় আসে ৯২ কোটি ৩ লাখ ৮৯ হাজার ডলার। জুলাই মাসে দেশটি থেকে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ২৩ কোটি ৮৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। ৫ আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ২৯ কোটি ৩৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার। পরের মাস সেপ্টেম্বরে আরও বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

    জুলাই পরবর্তী দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী আয়ের বৃদ্ধির হার যথাক্রমে ২২ দশমিক ৮০ এবং ৬২ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

    জুলাই-সেপ্টেম্বর তিন মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন ১০৩ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার ডলার। দেশটির প্রবাসীরা দেশের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলেও জুলাই মাসে দেশে প্রবাসী আয় খুব একটা কমেনি। জুলাই মাসে দেশটি থেকে থেকে প্রবাসী আয় আসে ৩৩ কোটি ২৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আগস্টে ৩৩ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ ডলার এবং সেপ্টেম্বর আসে ৩৬ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে জুলাই আন্দোলন পরবর্তী প্রবাসী আয় বাড়ে যথাক্রমে ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

    জুলাই-সেপ্টেম্বর তিন মাসে দেশে প্রবাসী আয় পাঠানো তৃতীয় দেশ সৌদি আরব। এ সময়ে দেশটিতে কর্মরত প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৮৫ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এর মধ্যে জুলাই মাসে পাঠিয়েছেন ২৪ কোটি ৪৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আগস্টে ২৬ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং সেপ্টেম্বরে ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    সৌদি আরবে আগস্ট-সেপ্টেম্বর দুই মাসে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির হার যথাক্রমে ১০ শতাংশ ও ৪১ শতাংশ।

    প্রবাসী আয় পাঠানোর ক্ষেত্রে ইতালিতেও জুলাই থেকে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। প্রবাসী আয় পাঠানোর শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে ইউরোপের দেশটি অন্যতম। ইতালি থেকে প্রবাসীরা জুলাই মাসে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ১২ কোটি ৮২ লাখ ৯০ হাজার ডলার। আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন যথাক্রমে ১৫ কোটি ১৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ১৪ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    আগস্ট-সেপ্টেম্বরে দেশেটি থেকে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোতে প্রবৃদ্ধি যথাক্রমে ১৮ দশমিক ২০ শতাংশ ও ১৩ দশমিক ৬১ শতাংশ।

    জুলাই মাসে প্রবাসীরা আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন। তারা কম প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন, এটা ঠিক। আবার আন্দোলন চলাকালে দেশে ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণেও রেমিট্যান্স পাঠাতে না পারাও একটি কারণ বলে মনে করেন ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান।

    তিনি বলেন, আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, এটা দেশে সরকার পরিবর্তনের ইতিবাচক প্রভাব। আবার প্রবাসীদের জন্য আরেকটি বাস্তবতা হলো, দেশে দুর্যোগ-দুর্বিপাকে ও ঈদ-পার্বণে বেশি অর্থ পাঠান; যাতে দেশে পরিজনরা ভালো থাকেন, দেশ উপকৃত হয়। আগস্ট-সেপ্টেম্বরে দেশে বন্যা হয়েছিল। প্রবাসী আয় বেশি পাঠানোর এটাও একটি কারণ।

    দেশের বাইরে কর্মের সন্ধানে যাওয়া বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। এ সব প্রবাসী প্রতি বছর ২০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দুই লাখ ৪২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। গত ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্রবাসীদের পাঠানো প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। ২০২০-২১ অর্থ বছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় আসে। এ বছর আসা প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।

    প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের অর্থনীতিতে যেমন ভূমিকা রাখছেন, দেশের আন্দোলন-সংগ্রামেও তাদের ভূমিকা লক্ষ্য করা গেছে। আন্দোলনে সমর্থনের পাশাপাশি প্রবাসীরা রেমিট্যান্স না পাঠিয়ে বিগত সরকারকে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেন। ●

    অকা/আখা/ফর/দুপুর/৮ অক্টোবর, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    রেমিট্যান্স

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সমুদ্র অর্থনীতিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ

    জুলাইয়ের ১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩২ কোটি ডলার

    ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে ধস
    লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৫০ কোটি টাকারও বেশি কম আদায়

    এফডিআইয়ে আফ্রিকার কাছেও পিছিয়ে বাংলাদেশ

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    ৪৩ খাতে রফতানি প্রণোদনা অপরিবর্তিত

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবি : ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহতের শঙ্কা

    চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

    ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী

    এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে মেসি

    সাংবাদিককের সঙ্গে আইডিআরএ নতুন চেয়ারম্যানের প্রথম মত বিনিময় সভা
    বীমা গ্রাহক দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে প্রথম অগ্রাধিকার

    কোথায় যাচ্ছে সোনার বাজার?

    আস্থাহীনতায় অর্ধেকে নেমেছে বিও হিসাব

    টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসিরা

    যে ৫ কারণে ফাইনালে উঠতে পারে আর্জেন্টিনা

    মেসিদের বিপক্ষে পূর্ণ শক্তির দলই পাচ্ছে ইংল্যান্ড

    ২ লাখ ৩০ হাজার কৃষকের ২২৬ কোটি টাকার ঋণ মওকুফ

    আর্থিক খাতে বেড়েছে সন্দেহজনক লেনদেন

    বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

    হরমুজে টোল আদায়ের ঘোষণা প্রত্যাহার ট্রাম্পের

    ২৬ কার্যদিবসে শেষ বাজেট অধিবেশন, ১০ বিল পাস

    চট্টগ্রাম বন্দরে দুর্নীতি হলে বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে থাকতে পারেন যারা

    হাসিনার পরিবারসহ ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

    বিদেশি প্রতিষ্ঠানের বৈদেশিক ঋণের শর্ত শিথিল

    স্বপ্নে ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এসিআই

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.