Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আয় কমেছে

    জুলাই ২২, ২০২৩ ৫:১০ পূর্বাহ্ণUpdated:জুলাই ২২, ২০২৩ ৫:১০ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দেশের পুঁজিবাজারের ব্যাংক খাতের বেশিরভাগ কোম্পানি সর্বশেষ ২০২২ হিসাব বছরে বিগত বছরের থেকে ভালো লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এছাড়া অনেক কোম্পানি বোনাসের সঙ্গে নগদ লভ্যাংশও দিয়েছে। এতে দেখা গেছে, গত বছরের লভ্যাংশ দেয়ার বিপরীতে ব্যাংক খাতের কোনো কোম্পানির লভ্যাংশ ফলন বা ডিভিডেন্ড ইল্ড ১০ শতাংশ হয়নি। বেশিরভাগ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ইল্ড ৫ শতাংশের নিচে। আর ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে মাত্র তিনটি কোম্পানির। এদিকে সবচেয়ে কম ডিভিডেন্ড ইল্ড পাঁচ ব্যাংকের। যাদের শেয়ার দামের বিপরীতে লভ্যাংশ দেয়ার হার তিন শতাংশের নিচে।

    ডিভিডেন্ড ইল্ড হচ্ছে কোনো শেয়ারের দামের বিপরীতে কোম্পানি যে নগদ লভ্যাংশ দেয় তার শতকরা হার। সে হিসাবে বলা চলে আলোচিত পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আয় কম হয়েছে। সে পাঁচটি ব্যাংক হচ্ছেÑব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক এবং ট্রাস্ট ব্যাংক। গত বছর নগদ লভ্যাংশ দেয়নি ছয়টি ব্যাংক। সেগুলো হচ্ছেÑএবি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, মিডল্যাংন্ড ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংক।

    তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ব্র্যাক ব্যাংক গত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে; যা ১০ টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা ৫০ পয়সা। এ সময় ব্যাংকটির রেকর্ড ডেট অনুসারে শেয়ারের দর ছিল ৩৮ টাকা ৫০ পয়সা। সে হিসাবে ২০২২ সালে ব্যাংকটির শেয়ারে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৯ শতাংশ। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ২০২২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে; যা ১০ টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা ৭৫ পয়সা। ব্যাংকটির রেকর্ড ডেট অনুসারে শেয়ারের দর ছিল ৬৩ টাকা ৫০ পয়সা। সে হিসাবে গত বছর আলোচ্য ব্যাংকটির শেয়ারে আয় দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮০ শতাংশ। এরপর আইএফআইসি ব্যাংক গত বছর শেয়ারহোল্ডারদের ২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে; যা ১০ টাকা শেয়ারের বিপরীতে মাত্র ২৫ পয়সা। রেকর্ড ডেট অনুসারে ব্যাংকটির শেয়ারের দর ছিল ১১ টাকা ৫০ পয়সা। সে হিসাবে ২ দশমিক ২০ শতাংশ আয় দাঁড়ায় ব্যাংকটির শেয়ারে।

    এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ২০২২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে; যা ১০ টাকা শেয়ারের বিপরীতে ২৫ পয়সা। ব্যাংকটির রেকর্ড ডেট অনুসারে শেয়ারের দর ছিল ৮ টাকা ৮০ পয়সা। সে হিসাবে ব্যাংকটির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আয় দাঁড়ায় ২ দশমিক ৮০ শতাংশ। গত বছর ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের দেয় ট্রাস্ট ব্যাংক; যা ১০ টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা। রেকর্ড ডেট অনুসারে ব্যাংকটির শেয়ারের দর ছিল ৩৪ টাকা ৯০ পয়সা। সে হিসাবে ২ দশমিক ৯০ শতাংশ আয় হয়েছে ব্যাংকটির শেয়ারে।

    বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিনিয়ত খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি ও নানা অনিয়মের ফলে ব্যাংক খাতের ওপর মানুষের অনাস্থা বেড়েই চলেছে। এতে মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখা কমিয়ে দিচ্ছে বলে জানা গেছে। দেখা গেছে, ব্যাংকে আমানত আহরণের থেকে ঋণ বিতরণ হার বেশি। সেই সঙ্গে প্রতি বছরেই খেলাপি ঋণ বেড়ে চলেছে। যার লাগাম নানা সুবিধা দিয়েও কোনোভাবেই টেনে ধরা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় ব্যাংকে তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে। এতে ব্যবসা কম হচ্ছে ব্যাংকগুলোর।

    তারা বলেন, ব্যাংকগুলোর সুদ থেকে আয় বৃদ্ধি পেলেও পরিচালন ও সার্বিক খরচ শেষে মুনাফার হার কমে যাচ্ছে। এছাড়া ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধন বেশি হওয়ায় শেয়ার সংখ্যাও বেশি। ফলে ব্যাংকগুলোর বছর শেষে শেয়ারপ্রতি খুব বেশি আয় হচ্ছে না। যে কারণে ব্যাংকগুলো খুব বেশি নগদ লভ্যাংশ দিতে পারছে না। এতে শেয়ারপ্রতি ১০ শতাংশ বা কিছুটা বেশি নগদ লভ্যাংশ দিলেও শেয়ারের দামের তুলনায় তা ১০ শতাংশ থেকে কম হচ্ছে। যেখানে অন্যান্য খাতের অনেক কোম্পানির শেয়ারের দামের বিপরীতে এই হার ১০ শতাংশের বেশি হয়। এদিকে ব্যাংকগুলোর শেয়ারের দামও খুব বেশি বৃদ্ধি পায় না। এ খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দাম ৫০ টাকার নিচে এবং বর্তমানে বেশিরভাগ শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে দিনের পর দিন আটকে থাকছে। কিন্তু এরপরও শেয়ারপ্রতি ১০ শতাংশ আয় করতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। যদি এই খাতের শেয়ারে আয় ভালো হতো, তবে শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের চাহিদার সঙ্গে  দামও বৃদ্ধি পেত। তাই খেলাপি ঋণ কমিয়ে এবং অনিয়ম দূর করে ব্যাংক খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরাতে হবে। তবে ব্যাংক খাতে তারল্য বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যাংকের ব্যবসা ভালো হবে। সেই সঙ্গে বছর শেষে ভালো লভ্যাংশের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আয় বাড়বে বলে জানান তারা।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশের ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার সাড়ে চার শতাংশেরও কম। তবে জুন শেষে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির তুলনায় সুদহার কম হওয়ায় প্রকৃতপক্ষে আমানতের মূল্য বছর শেষে কমে যাবে। তবে ইল্ড কম হওয়ায় কিছু ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও স্বস্তি নেই বিনিয়োগকারীদের।

    ডিভিডেন্ড ইল্ড নিয়ে ইয়াহু ফাইন্যান্সের ভাষ্যমতে, কোনো কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের আয়ের যে অংশ দেয় তা হলো লভ্যাংশ। এটি সাধারণত শেয়ারপ্রতি আয় প্রকাশ করে। তবে বিভিন্ন কোম্পানির লভ্যাংশের হারের মধ্যে তুলনায় ব্যবহার করা হয় ইয়েল্ড বা প্রকৃত মুনাফা। এক্ষেত্রে লভ্যাংশকে শেয়ার মূল্য দিয়ে ভাগ করে প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করা হয়।

    ইয়েল্ডের গ্রহণযোগ্য কোনো হার না থাকলেও বাজারের অন্যান্য কোম্পানির সঙ্গে তুলনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে ইয়াহু বিজনেস। তবে মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংক সুদের হারের চেয়ে বেশি ইয়েল্ডকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অকা/পুঁবা/সকাল, ২২ জুলাই, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আয় কমেছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহারে চাপে শেয়ার বাজার

    অপেক্ষা আরও পাঁচ মাস
    আইপিও স্থবিরতা কাটছে না

    শেয়ার বাজারে গতি আনতে কর সংস্কারের প্রস্তাব ডিএসইর

    আইপিও খরায় স্থবির দেশের শেয়ার বাজার

    আস্থাহীনতায় শেয়ার বাজার ছাড়ছেন বিনিয়োগকারীরা

    ব্লু-চিপ শেয়ারে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন আগ্রহ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে প্লাজা ও কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    ডলারের দামে লাগাম টানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ

    মেধাও হোক ঋণের জামানত

    ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি আলতাফ হুসাইন

    ব্যাংক ঋণ বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদে ঊর্ধ্বমুখী চাপ

    বৈদেশিক ঋণের চাপ: সামনে কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

    জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর স্থির রাখার কৌশল সরকারের

    ব্যাংক মালিকানা পুনরুদ্ধার: সংস্কার নাকি সংকটের নতুন দ্বার?

    সন্ধানী লাইফ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যাংক্যাসুরেন্স কার্যক্রম উদ্বোধন

    ইরানে ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা

    ধীর পুনরুদ্ধারের পথে অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি ৪% পূর্বাভাস

    খামারির ক্ষতি, বাজারে দামের আগুন

    মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে দারিদ্র্যের নতুন ঝুঁকি

    নীতি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় কমেছে বিদেশি বিনিয়োগ

    বৈশ্বিক উত্তেজনার মাঝেও স্থিতিশীল ডলার বাজার

    বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহারে চাপে শেয়ার বাজার

    খেলাপি ঋণের পাহাড়, অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ

    তালিকায় সাবেক সদস্য কামরুল ও সুলতান মোল্লা
    আইডিআরএ চেয়ারম্যানের শূন্য পদে অযোগ্য ও দুর্নীতিবাজদের জোর লবিং

    দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩.০৩ শতাংশে

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.