Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পূঁজি বাজারে লেনদেন কমার একটি কারণ ২ শতাংশের সীমা

    এপ্রিল ১৩, ২০২২ ৭:৩৯ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    পুঁজিবাজারে সূচকের বড় পতন ঠেকানোর ‘টোটকা’ এক দিনে কোনো একটি শেয়ারের দরপতনের সীমা ২ শতাংশ বেঁধে দেয়াকে লেনদেন কমার একটি কারণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

    মন্দা বাজারে শেয়ারদর ২ শতাংশ কমে যাওয়ার পর বিনিয়োগকারীদের মনে ধারণা জন্ম হচ্ছে দর আরও কমে যাবে। ফলে এই দামে ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। এতে লোকসান দিয়েও শেয়ার থেকে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ মিলছে না। আবার ২ শতাংশ কমে পতন কবে থামবে- এটা দেখার জন্য শেয়ারের ক্রেতা না আসায় চাহিদা তৈরি হচ্ছে না। এতে আবার সেই শেয়ারের দর বৃদ্ধির সুযোগও তৈরি হচ্ছে না- বলছেন পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্টরা।

    পুঁজিবাজারে মন্দাভাবের মধ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ হামলার পর যে ধস নামে, তখন বড় পতন ঠেকাতে এক দিনে দরপতনের সীমা সর্বোচ্চ ২ শতাংশ নির্ধারণ করে দেয় বিএসইসি।

    এর পাশাপাশি বাজারে তারল্য বাড়াতে ব্যাংক, মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনাকারী সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি, মার্চেন্ট ব্যাংক, স্টক ডিলারসহ বাজার মধ্যস্থতাকারীদের বৈঠকে বসে বিএসইসি। সব বৈঠকেই বিনিয়োগ বাড়ানোর ঘোষণা আসে।

    কিন্তু বাস্তবতা হলো, লেনদেন এখন প্রায় এক বছরের সর্বনিম্ন অবস্থানে। আর যে হারে তা কমছে, তাতে আগামী দিনে কোন অবস্থানে পৌঁছে, তা নিয়ে নানা আশঙ্কার কথা বলাবলি হচ্ছে পুঁজিবাজারবিষয়ক নানা ফেসবুক পেজে।

    এ ব্যাপারে ডিএসই ব্রোকার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রিচার্ড ডি রোজারিও বলেন, ‘বাজারে ওঠানামা থাকবেই। ১০০-১৫০ পয়েন্ট কমবে আবার বাড়বে, এটা কিন্তু কোনো বড় ব্যাপার নয়। এটাই স্বাভাবিক। এটা নিয়ে কনসার্ন হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু যদি ভলিউম কমে তাহলে মানুষের আস্থাহীনতা তৈরি হয়।’

    লেনদেন বাড়ানোর লক্ষ্যে নানা আলোচনা আর উদ্যোগের মধ্যে উল্টো কেন কমছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ভলিউম কমার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ২ শতাংশ দরপতনের সর্বোচ্চ সীমা।’

    এই ধারণা করার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘ধরুন, কারও পোর্টফোলিওতে সাতটি আইটেম আছে। আজকে তিনি লাফার্জ কিনেছেন, অন্য একটি শেয়ার বিক্রি করার কথা।

    ‘ধরি তার কাছে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স আছে। ভেবেছিলেন তিনি সেটা বিক্রি করে লাফার্জের টাকাটা সমন্বয় করবেন। কিন্তু ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণার পরও দাম পড়ে গেছে অনেকটা। তখন তিনি কী করবেন?

    ‘ধরা যাক, তার কাছে বেক্সিমকোও ছিল। তিনি সেটা বিক্রি করতে চাননি। কিন্তু প্রগতির দর ২ শতাংশের বেশি পড়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করতে না পেরে বেক্সিমকো বিক্রি করতে হচ্ছে। কারণ, উপায় নেই।

    ‘তার মানে যে শেয়ারগুলো সেল হওয়ার কথা নয়, সেগুলোও সেল হচ্ছে। এর কারণে একটা হচ্ছে ভলিউম কমছে এবং অযাচিত শেয়ারের সেল আসছে।’

    তিনি বলেন, ‘যখন ২ শতাংশ দর পড়ে যায়, তখন বায়াররা আর বাই দিতে চায় না। পরের দিন দেখতে চায়। ট্রেড ভলিউম ফল করার এটি একটি অন্যতম কারণ হয়ে গেছে।’

    ডিবিএ সভাপতি বলেন, ‘একটা নির্দিষ্ট দিনে যখন বায়াররা দেখেন যে একটা লো রেটে সেলার বসে রয়েছে। তখন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি হলো পরের দিনের জন্য অপেক্ষা করে। যার কারণে একটা কিউমিলেটিভ নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট ভলিউমে দেখা যাচ্ছে।’

    তাহলে ২ শতাংশের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়া কি ঠিক হয়নি?- জানতে চাইলে রোজারিও বলেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের আতঙ্কে মার্কেট ফল ঠেকাতে ওই সময়ে বিএসইসির সিদ্ধান্ত হয়তো ঠিক ছিল। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই বাজারকে এভাবে ঠেকা দেয়া কোনো সুস্থ পদ্ধতি না। বাজারকে আপন গতিতে চলতে দিতে হবে।

    বিএসইসির সঙ্গে বৈঠকে যেসব ডিলার অ্যাকাউন্ট থেকে রোজায় এক কোটি করে আড়াই শ কোটি আর মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো তিন শ কোটি বিনিয়োগ করবে অঙ্গীকার দিয়ে এসেছে- তার কী হবে?

    এমন প্রশ্নে রোজারিও বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। শেয়ারদর কমলে ভবিষ্যতে লাভের সম্ভাবনায় তো সবাই বিনিয়োগ করবেই।

    তিনি মনে করেন, শেয়ারদর কমা একটি সুযোগও। বলেন, ‘দাম কমলে কিনবে, বাড়লে বেচবে- এটাই তো বাজারের স্বাভাবিক নিয়ম। এটা যদি না থাকত, তাহলে কেউ আসত না। যদি খালি দাম বেড়েই যায়, তাহলেও কেউ আসবে না। আবার যদি দাম কমেই যায়, তাহলে কেউ আসবে না।’

    ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভীর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২ শতাংশের সীমা না থাকলেও পারত। তবে থাকলেও এক রকম লাভ আছে। হঠাৎ করে দাম কমে আতঙ্ক তৈরি হতে পারত। আবার এর খারাপ দিকও আছে।’

    তিনি বলেন, ‘এক দিনে ১০ শতাংশ করে শেয়ারদর পড়ে গেলে ১০০ থেকে দেড় শ পয়েন্ট সূচক পড়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা আরও ভয় পেয়ে যেত। আমাদের মার্কেটটা ম্যাচিউরড না। এটাও তো একটা বিষয়।’

    লেনদেন কমে যাওয়ার পেছনে তিনি আরও একটি বিষয় তুলে এনেছেন। সেটি হলো ব্রোকারেজ হাউস থেকে ক্যাশ টাকা তুলে নেয়ার সুযোগ বন্ধ করে দেয়া।

    তিনি বলেছেন, ‘অনেক সময় দেখা যেত জরুরি প্রয়োজনে, বিশেষ করে সপ্তাহের শেষ দিন কারও ৫০ হাজার বা ১ লাখ টাকা ক্যাশে নিয়ে যেত। বিভিন্ন হাউসে এই সুযোগে নানা অনিয়ম হওয়ার কারণে সেটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এখন নিয়ম করা হয়েছে অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেক লাগবে। কিন্তু সেটার জন্য তো এক দিন বাড়তি সময় লাগে। আর বৃহস্পতিবার নিলে তো সেটি ভাঙানো যায় না। আমার মনে হয় এটাও লেনদেন কমার একটি কারণ।’
    সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, স্টক ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ করছে না। মাসুম জামান নামে এক বিনিয়োগকারী বলেন, ‘মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকাররা যে বিনিয়োগ করছে, লেনদেনের পরিমাণ দেখে কিন্তু তা মনে হচ্ছে না। তারা বিনিয়োগ করছে কি না, সেটি খতিয়ে দেখার দাবি রাখে।’

    বাজারের পতনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা আগেই বেশি দামে শেয়ার কিনেছেন। এদিকে শেয়ারের দাম কমতে থাকায় তাদের পুঁজি আটকে গেছে। অন্যদিকে হাতে পুঁজি না থাকায় আর শেয়ার কিনতে পারছেন না।’ আহসান হাবীব নামে আরেক বিনিয়োগকারী বলেন, ‘বাজার খারাপের স্বাভাবিক কোনো কারণ নেই, কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। একটি চক্র বিভিন্ন ইস্যুকে সামনে এনে বাজার নিয়ে খেলছে।’
    #

    অকা/পুঁবা/দুপুর, ১৩ এপ্রিল, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    পূঁজি বাজারে লেনদেন কমার একটি কারণ ২ শতাংশের সীমা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    সপ্তাহজুড়ে বাজার মূলধন বাড়লো ৭ হাজার কোটি টাকা

    বিএসইসির নতুন নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে শেয়ারবাজার

    আস্থাহীনতায় অর্ধেকে নেমেছে বিও হিসাব

    স্বপ্নে ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এসিআই

    ডিএস৩০ সূচকে নতুন সমীকরণ, প্রশ্নে ব্লু-চিপের মানদণ্ড

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.