Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বড় ঋণে বড় ঝুঁকি: ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের বিস্ফোরণ

    মার্চ ২৯, ২০২৬ ১২:৩৬ অপরাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের ব্যাংকিং খাতে বড় অঙ্কের ঋণ এখন উদ্বেগজনক হারে খেলাপিতে পরিণত হচ্ছে, যা সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে কোটি টাকার ওপরে বিতরণ করা ঋণগুলোতে খেলাপির হার গত এক বছরে নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে—যা অর্থনীতির জন্য একটি সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে কোটি টাকার বেশি ঋণ থাকা অ্যাকাউন্টগুলোতে খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ২০ শতাংশে। এক বছর আগে এই হার ছিল মাত্র ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ। অর্থাৎ, খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে এই খাতে খেলাপির হার প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

    টাকার অঙ্কে এই খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকায়—যা দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য অত্যন্ত বড় চাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পেছনে অন্যতম কারণ হলো ঋণ শ্রেণিকরণের নতুন নীতিমালা, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রণয়ন করা হয়েছে।

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ঋণ ৯০ দিন অনাদায়ী থাকলেই সেটিকে খেলাপি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। আগে এই সময়সীমা ছিল ১৮০ দিন। ফলে, অনেক ঋণ যা আগে নিয়মিত হিসেবে দেখানো হতো, এখন সরাসরি খেলাপির তালিকায় চলে আসছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, এই কঠোর নীতির কারণে প্রকৃত চিত্র এখন সামনে আসছে।

    তবে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের তুলনায় ডিসেম্বর প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের হার কিছুটা কমেছে। সেপ্টেম্বর শেষে যেখানে এই হার ছিল ৩৬ দশমিক ৩০ শতাংশ, সেখানে ডিসেম্বর শেষে তা কিছুটা নেমে এসেছে। এই সামান্য উন্নতির পেছনে রয়েছে নীতি সহায়তা এবং ঋণ অবলোপনের নিয়মে শিথিলতা। নতুন ব্যবস্থায় কোনো ঋণ ‘মন্দ মানে’ শ্রেণিকৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা অবলোপনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা আগে সম্ভব ছিল না।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা আরও জানান, অনেক বড় প্রতিষ্ঠান তাদের ঋণ পুনঃতফসিল করার সুযোগ পেয়েছে। এর ফলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ সাময়িকভাবে খেলাপির তালিকা থেকে বাদ গেছে। তবে এই পুনঃতফসিল না হলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বেশি দেখা যেত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ব্যাংকারদের মতে, গত দেড় বছরে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির আরেকটি বড় কারণ হলো ‘লুকানো ঋণ’ বা গোপন অনিয়মের প্রকাশ পাওয়া। আগে বিভিন্ন কৌশলে অনাদায়ী ঋণকেও নিয়মিত হিসেবে দেখানোর সুযোগ ছিল, কিন্তু এখন সেই সুযোগ সীমিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক অডিট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের সম্পদ যাচাই করার ফলে প্রকৃত আর্থিক অবস্থা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

    বিশেষ করে বড় করপোরেট গ্রুপগুলোর বিপুল অঙ্কের ঋণ খেলাপি হয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দুর্বল তদারকির যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, তার প্রভাব এখন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো এই সংকটে তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, প্রচলিত ব্যাংকগুলোর মধ্যেও বড় ধরনের ঋণ অনিয়মের চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।

    সব মিলিয়ে, ব্যাংকিং খাতের এই পরিস্থিতি শুধু আর্থিক খাতেই নয়, পুরো অর্থনীতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ছাড়া এই সংকট থেকে উত্তরণের কোনো সহজ পথ নেই। ●

    অকা/ব্যাংখা/ই/দুপুর/২৯ মার্চ, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 weeks আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো ১৬০ কোটি ডলার

    আবাসন খাতে মন্দা: খেলাপি ঋণের চাপে দিশেহারা ডেভেলপাররা

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    ডলারের দামে লাগাম টানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ

    ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি আলতাফ হুসাইন

    ব্যাংক ঋণ বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদে ঊর্ধ্বমুখী চাপ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো ১৬০ কোটি ডলার

    বিপুল লোকসানে এয়ার ইন্ডিয়া: হিমশিম খাচ্ছে টাটা গ্রুপ

    আবাসন খাতে মন্দা: খেলাপি ঋণের চাপে দিশেহারা ডেভেলপাররা

    বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি: বিও অ্যাকাউন্ট খোলার হার ঊর্ধ্বমুখী

    ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে প্লাজা ও কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    ডলারের দামে লাগাম টানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ

    মেধাও হোক ঋণের জামানত

    ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি আলতাফ হুসাইন

    ব্যাংক ঋণ বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদে ঊর্ধ্বমুখী চাপ

    বৈদেশিক ঋণের চাপ: সামনে কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

    জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর স্থির রাখার কৌশল সরকারের

    ব্যাংক মালিকানা পুনরুদ্ধার: সংস্কার নাকি সংকটের নতুন দ্বার?

    সন্ধানী লাইফ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যাংক্যাসুরেন্স কার্যক্রম উদ্বোধন

    ইরানে ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা

    ধীর পুনরুদ্ধারের পথে অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি ৪% পূর্বাভাস

    খামারির ক্ষতি, বাজারে দামের আগুন

    মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে দারিদ্র্যের নতুন ঝুঁকি

    নীতি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় কমেছে বিদেশি বিনিয়োগ

    বৈশ্বিক উত্তেজনার মাঝেও স্থিতিশীল ডলার বাজার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.