Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো অর্থনীতিতে সম্পদ না বোঝা

    মার্চ ১১, ২০২২ ৫:৩০ পূর্বাহ্ণUpdated:মার্চ ১১, ২০২২ ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ12
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ব্যাংকের সংখ্যার দিক থেকে অনেক আগেই সমসাময়িক অর্থনীতির দেশগুলোকে ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ। পরিসংখ্যান বলছে, ৩০০ থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই ব্যাংকের সংখ্যা অনেক বেশি। বেশি সংখ্যার এ ব্যাংক অর্থনীতিতে সম্পদ সৃষ্টি না করে উল্টো বোঝা বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৬১। এর মধ্যে বিদেশী ব্যাংক নয়টি। তিনটি বিশেষায়িত ব্যাংকসহ দেশে মোট নয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক আছে। বাকি ৪৩টি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বেসরকারি উদ্যোগে। এছাড়া নতুন নতুন বেসরকারি ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন জমা পড়ছে।

    সাধারণত কোনো দেশ অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ ঘটলে সেখানে কার্যক্রম পরিচালনা করতে ছুটে যায় বিদেশী ব্যাংকগুলো। এক দশক ধরে জিডিপিতে ঈর্ষণীয় প্রবৃদ্ধি ধরে রাখলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেটি ঘটছে না। এক দশকে বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের ব্যাংকের সংখ্যা বেড়েছে এক ডজনেরও বেশি। কিন্তু এ সময়ে বিদেশী কোনো ব্যাংক বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করতে আসেনি। উল্টো কয়েকটি বিদেশী ব্যাংক নিজেদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে যে নয়টি বিদেশী ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তার অর্ধেকই অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করছে।

    যে দেশের অর্থনীতি যত বেশি সুসংহত, সে দেশে স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা ব্যাংকের সংখ্যা তত কম বলে মন্তব্য করেন অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর। ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করা এ অর্থনীতিবিদ বলেন, সবাইকে তুষ্ট রাখার জন্য এখানে এতগুলো ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। ব্যাংকের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় কেউ বড় হতে পারছে না। মূলধন কাঠামো অনেক ছোট হওয়ায় ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক বাণিজ্যের সক্ষমতাও কম।

    এ অর্থনীতিবিদ বলেন, নেপাল বা ভুটানের মতো দেশের ব্যাংকের মূলধনও আমাদের ব্যাংকগুলোর চেয়ে বেশি। কানাডা-সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। কিন্তু ওই দেশগুলোর নিজস্ব ব্যাংকের সংখ্যা হাতে গোনা। অন্যদিকে বিদেশী কোনো ব্যাংক এখন আর নতুন করে বাংলাদেশে আসছে না। উল্টো আশির দশকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করত এমন অনেক বিদেশী ব্যাংক নিজেদের গুটিয়ে নিয়ে চলে গেছে। অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ না হলে বাংলাদেশের ব্যাংক খাত দুর্বল থেকে দুর্বলতর হবে।

    বিশ্বব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপির আকার ৩২৩ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে জিডিপির ভিত্তিবছর পরিবর্তন করায় ওই অর্থবছর শেষে জিডিপির আকার ৩৭৩ বিলিয়ন ডলার দেখানো হয়েছে।

    প্রায় ১৩০ কোটি মানুষের দেশ ভারতের ব্যাংকের সংখ্যাও বাংলাদেশের তুলনায় অনেক কম। দেশটিতে ১২টি সরকারি ব্যাংকের পাশাপাশি কার্যক্রম পরিচালনা করছে ২২টি বেসরকারি ব্যাংক। এ ব্যাংকগুলোই ভারতজুড়ে ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে। তবে ভারতে অঞ্চলভিত্তিক ৪৩টি ব্যাংকের পাশাপাশি ৪৬টি বিদেশী ব্যাংকও কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জাতীয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা ব্যাংকের তুলনায় ভারতে আঞ্চলিক অনেক ব্যাংকের অবস্থান শক্তিশালী।

    বাংলাদেশের তুলনায় অর্ধেকেরও কম ব্যাংক রয়েছে পাকিস্তানে। জিডিপির আকারসহ অর্থনীতির অনেক সূচকে বাংলাদেশের তুলনায় পিছিয়ে পড়লেও দেশটির কিছু ব্যাংকের অবস্থান খুবই শক্তিশালী। পাকিস্তানে বর্তমানে ব্যাংকের সংখ্যা ২২। এর মধ্যে সরকারি ব্যাংক পাঁচটি। এছাড়া ১৫টি বেসরকরি ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে পাকিস্তানে। সাম্প্রতিক সময়ে বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলংকার অর্থনীতি। তবে অর্থনৈতিক দৈন্যের মধ্যেও দেশটির ব্যাংক খাত সুসংহত অবস্থান ধরে রেখেছে। বর্তমানে শ্রীলংকায় সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের সংখ্যা মাত্র ১৩। বিপরীতে দেশটিতে ১১টি বিদেশী ব্যাংকের কার্যক্রম রয়েছে।

    আফ্রিকার বৃহৎ অর্থনীতির দেশ নাইজেরিয়ার জিডিপির আকার প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু দেশটিতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে মাত্র ২২টি ব্যাংক। কয়েক বছর ধরে মার্জার-অ্যাকুইজিশনের মাধ্যমে ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে এনেছে নাইজেরিয়া। এক দশক আগেও দেশটিতে ব্যাংকের সংখ্যা ছিল ৮৯।

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনের নিজস্ব ব্যাংকের সংখ্যা ১৭। এর মধ্যে সরকারি ব্যাংক রয়েছে পাঁচটি আর বেসরকারি ব্যাংক ১২টি। তবে ফিলিপাইনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে ২৯টি বিদেশী ব্যাংক। আফ্রিকার আরব দেশ মিসরে নিজস্ব ব্যাংক রয়েছে ৩৯টি।

    বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংকগুলোর তালিকায় সামনের সারিতে আছে দক্ষিণ কোরিয়ার বেশ কয়েকটি ব্যাংক। এশিয়ার অন্যতম শিল্পোন্নত এ দেশের মোট ব্যাংকের সংখ্যা ১৯। এর মধ্যে পুরো কোরিয়ায় কার্যক্রম পরিচালনা করে মাত্র ছয়টি বেসরকারি ব্যাংক। সরকারি খাতের ছয়টি ব্যাংকের পাশাপাশি আঞ্চলিক ভিত্তিতে ছয়টি ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। কিন্তু বিপরীতে ৩৬টি বিদেশী ব্যাংকের শাখা ও কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে দেশটিতে।

    অর্থনীতির আকারের তুলনায় বাংলাদেশে ব্যাংকের সংখ্যা অনেক বেশি বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সব ব্যাংকেরই সেবার ধরন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম একই ধরনের। ঢাকায় প্রধান কার্যালয় স্থাপন করে সারা দেশে শাখা দিয়ে ব্যাংকগুলো কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ব্যালান্সশিট বড় করতে গিয়ে সবাই গুটিকয়েক বড় শিল্প গ্রুপের পেছনে ঋণ নিয়ে ছুটছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোর অবস্থাও খারাপ হচ্ছে। ব্যাংক বেশি হলে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়বে, এটি ভুল কথা। এজেন্ট ব্যাংকিং বা এমএফএস দিয়ে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো যাবে না। এগুলো কখনই ব্যাংকিং নয়, বরং একেকটি সেবা।

    শুধু উদীয়মান অর্থনীতির দেশই নয়, বরং সমগ্র দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে এমন ব্যাংকের সংখ্যা বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলোয়ও কম। পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাংকের সংখ্যা পাঁচ হাজারেরও বেশি। তবে সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রে কার্যক্রম পরিচালনা করে এমন ব্যাংকের সংখ্যা কেবলই হাতে গোনা। রাজ্য, শহর ও অঞ্চলকেন্দ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করে বেশির ভাগ ব্যাংক। আবার সব ব্যাংকের কাজ ও ধরনও একই রকম নয়। তবে বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকেই নির্দিষ্ট কোনো শহরে কার্যক্রম পরিচালনা করা ব্যাংকে অর্থ পাঠাতে চাইলে সেটি তত্ক্ষণাৎ পৌঁছে যায় সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের হিসাবে।

    প্রায় একই ধরনের ব্যাংকিং কাঠামো পরিচালিত হয় ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ জার্মানি ও এশিয়ার শিল্পোন্নত রাষ্ট্র জাপানে। দেশ দুটির বিভিন্ন নগর ও শহরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক। সমগ্র দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে এমন ব্যাংকের সংখ্যা একেবারেই কম। দেশব্যাপী সেবা প্রদান করে এমন ব্যাংকগুলো জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের বৃহৎ ব্যাংকের তালিকায়। বিশ্বব্যাপী বৈদেশিক বাণিজ্যের বড় অংশের ভাগীদার হয়ে উঠছে এ বৃহৎ ব্যাংকগুলো।

    বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ চীনের প্রধান চারটি ব্যাংক গোটা বিশ্বের বৃহৎ ব্যাংকের তালিকার শীর্ষস্থানে রয়েছে। এর মধ্যে শুধু ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়নার সম্পদের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বিলিয়ন ডলার, যেখানে পুরো বাংলাদেশের জিডিপির বর্তমান আকার মাত্র ৪১৬ বিলিয়ন ডলার। চীনের পাশাপাশি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ব্যাংক এটি। এছাড়া চীনা কনস্ট্রাকশন ব্যাংক, এগ্রিকালচার ব্যাংক অব চায়না ও ব্যাংক অব চায়না বিশ্বের শীর্ষ অন্য তিন বৃহৎ ব্যাংক। পাশাপাশি চীনে বিভিন্ন অঞ্চল ও খাতের জন্য আলাদা আলাদা ব্যাংক রয়েছে।

    বাংলাদেশে ব্যাংকের সংখ্যার চেয়েও মূলধনস্বল্পতা বেশি সমস্যা বলে মনে করেন দ্য সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন। তিনি বলেন, আমাদের দেশের প্রায় সব ব্যাংকেরই মূলধন কাঠামো খুবই দুর্বল। ব্যাংকের ব্যালান্সশিট বড় করতে হলে মূলধন বড় করতে হবে। কিন্তু মুনাফা করে কিংবা রাইট শেয়ার ইস্যু করে মূলধন বাড়ানোর নজির বাংলাদেশে নেই বললেই চলে। এত ছোট মূলধন কাঠামো দিয়ে দেশের কোনো ব্যাংকের পক্ষেই বড় হয়ে ওঠা সম্ভব নয়। নতুন-পুরনো সব ব্যাংক একই ধরনের ব্যবসা করছে। এ কারণে ব্যাংকের সংখ্যা বাড়লেও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ছে না।

    এক দশক ধরে অর্থনীতিতে এক ডজনের বেশি ব্যাংক যুক্ত হলেও দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাংক খাতের সম্পদ বড় হতে পারেনি। ২০১৬ সাল শেষে দেশের ব্যাংক অ্যাসেট টু নমিনাল জিডিপি রেশিও বা জিডিপি-ব্যাংক সম্পদের অনুপাত ছিল ৬৬ শতাংশ। পাঁচ বছর পর ২০২১ সালে এ অনুপাত না বেড়ে উল্টো ৬১ শতাংশে নেমে এসেছে। অথচ এ পাঁচ বছরে দেশের জিডিপিতে নতুন করে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিল ২৬৫ বিলিয়ন ডলার। আর ২০২০-২১ অর্থবছর শেষে জিডিপির আকার ৪১৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। জিডিপির প্রবৃদ্ধির সঙ্গে ব্যাংক খাতের সম্পদ প্রবৃদ্ধির হারে অসামঞ্জস্য রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বাংলাদেশের মতো একটি অর্থনীতির দেশে জিডিপি-ব্যাংক সম্পদের অনুপাত শতভাগের বেশি হওয়ার কথা। কারণ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ৯০ শতাংশই ব্যাংকনির্ভর। শিল্প থেকে অবকাঠামো, সবকিছুই নির্মিত হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি ব্যাংকঋণে। এমন পরিস্থিতিতে জিডিপির অনুপাতে ব্যাংকের সম্পদ ৬০ শতাংশের ঘরে আটকে পড়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।

    অকা/ব্যাংখা/ বিকেল, ১ মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো অর্থনীতিতে সম্পদ না বোঝা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.