Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৫ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ভেজা সার নতুন বস্তায় ঢুকছে গুদামে

    সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪ ৮:৫৬ পূর্বাহ্ণ17
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    সারাবছর খোলা আকাশের নিচে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি করপোরেশনের (বিএডিসি) আমদানিকৃত লাখ লাখ বস্তা নন-ইউরিয়া সার। আসন্ন বোরো মৌসুম সামনে রেখে ওই সার শুকিয়ে ক্রাশিং করে ফের নতুন বস্তায় ভরে বিএডিসি গুদামে পাঠাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট পরিবহন ঠিকাদাররা।

    অপেক্ষাকৃত গুণাগুন নষ্ট হওয়া ওই সার কিনে কৃষক প্রতারিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবু কৃষির গুরুত্বপূর্ণ এই খাতে দায়িত্বরতদের বছরের পর বছর উদাসীনতা কাটছে না।

    অনুসন্ধানে জানা গেছে, বছর জুড়েই যশোরের শিল্পনগরী নওয়াপাড়া, খুলনা ৭নং ঘাট, মুক্তারপুর, আশুগঞ্জ ঘাটে খোলা আকাশের নিচে নামমাত্র তাঁবু টাঙিয়ে এসব সার রাখতে দেখা যায়। গত বছর ডলার সংকটের মধ্যেও বিদেশ থেকে উচ্চমূল্যে আমদানি করা সার এখনো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টিতে পড়ে রয়েছে। বিশেষ করে মুক্তারপুরের আমান ঘাটে এখনো প্রায় ৮০ হাজার থেকে এক লাখ বস্তা ডিএপি সার পানিতে ভিজে-গলে মানহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যার আমদানি মূল্য ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা। দেশে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে সরকার ওই সারে বিপুল অর্থ ভর্তুকি গুনছে। কিন্তু বিএডিসি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের গাফিলতিতে ভালো সার নিম্নমানে নেমেছে, যা কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

    একাধিক ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ভেজা সারের বস্তা শ্রমিকরা রোদে দিয়ে শুকাচ্ছেন। আর যেসব বস্তা পুরোপুরি ভিজে সার নরম হয়ে গেছে সেসব বস্তা থেকে সার ঢেলে শুকিয়ে দলা বাঁধিয়ে তারপর আবার ক্রাশিং করে নতুন বস্তায় রি-প্যাকিং করা হচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নতুন সারও মেশানো হচ্ছে। এরপর আশপাশের বিএডিসি গুদামে সরবরাহ করা হচ্ছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএডিসির আমদানি করা ওই সারের শিপ ব্রোকার ও পরিবহন ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ‘মেসার্স বঙ্গ ট্রেডার্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। কয়েক মাস আগে সার ভিজে যাওয়ার ঘটনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বিএডিসির জিএম আজিম উদ্দিন, ম্যানেজার মেজবাহ উদ্দিন, মুভমেন্ট ম্যানেজার নোমান উদ্দিন, যুগ্ম-পরিচালক কামাল উদ্দিন।

    প্রাথমিকভাবে সার পরিবহন ঠিকাদারের দায়িত্বহীনতার কারণে সরকারের বিপুল ক্ষতি হলেও শাস্তিমূলক কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। গুঞ্জন রয়েছে, সংস্থাটির শীর্ষপদের এক কর্মকর্তা ও তৎকালীন সদস্য পরিচালক (সার) আব্দুস সামাদের হস্তক্ষেপে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। এমনকি ঊর্ধ্বতনদের ইশারায় বিএডিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিশেষ কারণে মানহীন সার গুদামে ঢোকাতে বিধিনিষেধ দিতে পারেননি।

    সরকারি আইন অনুযায়ী, সার সুষ্ঠুভাবে গুদামে পৌঁছে দিতে না পারলে সংশ্লিষ্ট পরিবহন ঠিকাদারের কাছ থেকে আমদানিমূল্য আদায় করার বিধান রয়েছে। তবে এসব ঘটনায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বিএডিসি কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ ফর্মুলায় তুষ্ট রেখে নষ্ট সার গুদামে পৌঁছে দিয়ে কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

    কয়েকটি জেলায় বিগত কয়েক মাসের বরাদ্দের বিপরীতে গুদাম থেকে মানহীন সার ডিলারদের সরবরাহ করলে কৃষক পর্যায়ে অসন্তোষ দেখা দেয়। কৃষক ও ডিলাররা এই সারের গুণাগুণ নিয়ে প্রশ্ন তুললেও পাননি প্রতিকার। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই সার বিএডিসির মেড্ডা গোডাউন থেকে সরবরাহ করা হয়েছে। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারাও এমন অভিযোগ পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

    যশোরের কেশবপুর উপজেলার কোমরপোল গ্রামের কৃষক দাউদ খাঁ বলেন, প্রতি মৌসুমে যখনই সারের প্রয়োজন হয় ঠিক সেই মুহূর্তে স্থানীয় ডিলার পয়েন্টে চাহিদা মোতাবেক সার সরবরাহ থাকে না। গেল মৌসুমে বস্তায় ২০০ টাকা বেশি দিয়ে সার কিনতে বাধ্য হয়েছে। তারপরও প্রচুর চাহিদার ওই সময়ে ভেজা ও জমাটবাঁধা সার কিনতে বাধ্য হতে হয়।

    এ প্রসঙ্গে স্থানীয় আরেকজন কৃষক মশিয়ার রহমান বলেন, সারের ত্রুটি ধরতে গেলে স্থানীয় ডিলার মালিকরা বলে থাকেন- গুদাম থেকে যা পেয়েছি তাই বিক্রি করছি। পছন্দ হলে কেনেন, না হলে রেখে যান। এতে বাধ্য হয়েই জমাটবাঁধা সার কিনতে বাধ্য হই। এ ধরনের সার ব্যবহার করে ঠিকমতো ফসলের হিসাবও মেলে না।

    এদিকে, সারের গুণাগুণ নষ্টের জন্য বিএডিসিকে দায়ী করছেন কয়েকটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। তাদের মতে, সারাদেশের বিএডিসি গুদামগুলোর ধারণ ক্ষমতা দুই লাখ ৪০ হাজার থেকে দুই লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। অথচ প্রতিবছর বিএডিসি আমদানি করে ২০ থেকে ২২ লাখ মেট্রিক টন। ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত আমদানি করার কারণে সময়মতো সার পৌঁছে দিলেও গুদামে জায়গার অভাবে তারা বুঝে নিতে ব্যর্থ হয়। ফলে খোলা আকাশের নিচে তাঁবু টাঙিয়ে মজুদ রাখতে বাধ্য হয় ঠিকাদাররা।

    যদিও বিএডিসির যোগসাজশে কিছু অদক্ষ ঠিকাদার পরিবহনের কাজ নিয়ে ওই সার কালোবাজারে বিক্রির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ার নজির রয়েছে। গত বছর বঙ্গ ট্রেডার্স নামে একটি পরিবহন ঠিকাদারের কাছে থাকা প্রায় ২০ লাখ বস্তা ডিএপি সার ভিজে নষ্ট হয়। তুলনামূলক মানহীন ওই সার রোদে শুকিয়ে ভালো সারের সঙ্গে মিশিয়ে বিএডিসি গুদামে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে। এখনো বিপুল পরিমাণ নিম্নমানের সার গুদামে পাঠানো হচ্ছে।

    স্থানীয় বিএডিসি সূত্র জানায়, গত মৌসুমে এ অঞ্চলে কমপক্ষে ১৫ হাজার ভেজা সার গোডাউন থেকে সরবরাহ করা হয়েছে।

    শ্রীনগরের বিসিআইসি ডিলার মেসার্স আর কে এন্টারপ্রাইজের মালিক রেজাউল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, ‘গত মৌসুমে স্থানীয় গোডাউনগুলো থেকে ভেজার কারণে শক্ত হয়ে যাওয়া নিম্নমানের ডিএপি সার সরবরাহ করা হয়। যার কারণে বরাদ্দের সব সার উত্তোলন করিনি। যা উত্তোলন করেছি তা কৃষক না কেনার কারণে স্থানীয় মৎস্য খামারিদের কাছে অল্প মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছি। ’

    সার ভেজা প্রসঙ্গে বঙ্গ ট্রেডার্সের ম্যানেজার বাবুল দাস বাংলানিউজকে বলেন, এ ধরনের কোনো তথ্য আমার কাছে নেই।

    তবে বিপুল পরিমাণ ভেজা সার শুকানো এবং ক্রাশিং করার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে জানিয়ে দৃষ্টিআকর্ষণ করলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমার কাছে তথ্য নেই, আমি ওখানে খোঁজ-খবর নেব। বিএডিসি কর্মকর্তাদের পরিদর্শনের বিষয়টিও তিনি জানেন না বলে দাবি করেন।

    এ বিষয়ে বিএডিসির জেনারেল ম্যানেজার (সার) আজিম উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে কল করা হলে তিনি প্রতিবেদকের পরিচয় পেয়ে কল কেটে দেন। পরে বিএডিসির ম্যানেজার মেজবাহ উদ্দিন ও যুগ্ম-পরিচালক কামাল উদ্দিনকে ফোনকল করা হলেও তারা রিসিভ করেননি। আর বিএডিসি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সাজ্জাদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলে সাড়া মেলেনি তারও। ●

    অকা/আখা/ফর/দুপুর/২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    ভেজা সার

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বাজেট ২০২৬-২৭
    ৫ বছরের আয়কর রোডম্যাপ ঘোষণা

    ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরি তহবিল চায় ইসলামী ব্যাংক

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    রিজার্ভ বেড়ে সাড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার

    আড়াই হাজার কোটি টাকা পেল ইসলামী ব্যাংক

    প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের বার্ষিক সম্মেলন – ২০২৫ উদযাপন

    সাইবার অপরাধ ও নারীর হেনস্থা

    অনুমোদন দেয়নি ভারত
    নেপাল থেকে বাড়তি বিদ্যুৎ আসছে না বাংলাদেশে

    ড্র করে শেষ রক্ষা পেল ব্রাজিল

    কক্সবাজারে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
    বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি

    ব্রাজিল–মরক্কো লড়াইয়ে কেউ কারও চেয়ে কম নয়

    জমির বদলে পাওয়া ফ্ল্যাটেও কর

    প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব : বিজিএমইএ

    ওপারে আসছে জয়ার ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

    স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৬৫৯০ টাকা

    ইতিহাসগড়া জয়ে বিশ্বকাপ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

    আসছে ‘সুড়ঙ্গ-২’, ভিন্ন রূপে ফিরছেন নিশো

    ফার্মহাউস নিয়ে স্বস্তিতে সালমান খান

    আমানতকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান গভর্নরের

    সিনেমা বানাচ্ছেন আদনান আল রাজীব

    প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সন্তোষজনক: বিকেএমইএ

    কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অগ্রহণযোগ্য : সিপিডি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.