Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ১ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    রেমিট্যান্স ও উচ্চ সুদে ৫০ মাসের সর্বোচ্চ আমানত প্রবৃদ্ধি

    ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ ১২:৪৭ অপরাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দীর্ঘ প্রায় সাড়ে চার বছর পর দেশের ব্যাংকিং খাতে আমানতের প্রবৃদ্ধি আবারও দুই অংকের ঘরে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে বার্ষিক আমানত প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ১০ শতাংশ, যা গত ৫০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। সর্বশেষ ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ। এরপর ধারাবাহিকভাবে প্রবৃদ্ধি কমতে থাকে; একপর্যায়ে টানা ১৭ মাস তা এক অংকের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ২০২৫ সালের আগস্টে আবার দুই অংকে ফেরার পর ডিসেম্বরের তথ্য সেই পুনরুদ্ধারকে আরও শক্ত ভিত্তি দিয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের ব্যাংক আমানতের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। এক বছর আগে, অর্থাৎ ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে এই পরিমাণ ছিল ১৭ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে নিট আমানত বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা, যা সাম্প্রতিক বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নির্দেশ করে।

    এই প্রবৃদ্ধির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশে এসেছে ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স প্রাপ্তি। আগের বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ২ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ডলার বেশি এসেছে। রেমিট্যান্সের এই বাড়তি প্রবাহ সরাসরি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় জমা হয়েছে, কারণ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠানো অর্থ দেশে এসে স্থানীয় মুদ্রায় রূপান্তরিত হয় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা আমানত হিসেবে হিসাবভুক্ত হয়।

    ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহে একটি দৃশ্যমান গতি তৈরি হয়। হুন্ডি নির্ভর অনানুষ্ঠানিক লেনদেনের ওপর নজরদারি বৃদ্ধি, প্রণোদনা কাঠামোর কার্যকারিতা এবং বিনিময় হার ব্যবস্থায় তুলনামূলক বাস্তবসম্মত সমন্বয়—এসব মিলিয়ে আনুষ্ঠানিক মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বাড়ে। এর ফলে ব্যাংকের আমানতভিত্তি সম্প্রসারিত হতে শুরু করে।

    অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র কিন্তু পুরোপুরি অনুকূল ছিল না। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্বের হার বৃদ্ধি, প্রত্যাশিত রফতানি আয় না পাওয়া এবং বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি মন্থর থাকা—এসব উপাদান সাধারণত সঞ্চয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। বাস্তবে অনেক পরিবারের প্রকৃত আয় (real income) মূল্যস্ফীতির কারণে সংকুচিত হয়েছে। তবুও আমানত বেড়েছে—এটি আপাতদৃষ্টিতে বৈপরীত্য মনে হলেও এর পেছনে কাঠামোগত ব্যাখ্যা রয়েছে।

    প্রথমত, প্রবাসী আয়ের একটি বড় অংশ গ্রামীণ ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে প্রবাহিত হয়েছে, যারা তাৎক্ষণিক ভোগ ব্যয়ের পাশাপাশি একটি অংশ ব্যাংকে জমা রেখেছে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময় দীর্ঘদিনের ৯-৬ সুদনীতি থেকে সরে আসে। ওই নীতির অধীনে আমানতের সুদহার ছিল সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ এবং ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ। বাজারভিত্তিক সুদহার কার্যকর হওয়ার পর ব্যাংকগুলো আমানতে প্রতিযোগিতামূলক হার দিতে শুরু করে। বর্তমানে অনেক ব্যাংক ৯ থেকে সাড়ে ৯ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে, যা সাম্প্রতিক মূল্যস্ফীতির হারের সমান বা কিছু ক্ষেত্রে বেশি। ফলে আমানতকারীরা প্রকৃত অর্থে ইতিবাচক রিটার্নের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন।

    একই সময়ে বিকল্প বিনিয়োগ ক্ষেত্রগুলোতেও অনিশ্চয়তা ছিল। শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা অনুপস্থিত, রিয়েল এস্টেট খাতে লেনদেন মন্থর এবং ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার আগের তুলনায় কিছুটা নিম্নমুখী। ফলে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ ঝুঁকি এড়িয়ে তুলনামূলক নিরাপদ ও তরল বিনিয়োগ হিসেবে ব্যাংক আমানতকে বেছে নিয়েছে। এই আচরণগত পরিবর্তনও আমানত প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে।

    তবে এই প্রবৃদ্ধি কতটা টেকসই হবে, তা নির্ভর করছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর। রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত থাকবে কি না, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে কি না এবং বেসরকারি খাতে ঋণচাহিদা পুনরুদ্ধার হবে কি না—এসবই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যৎ গতিপথ। আমানত দ্রুত বাড়লেও যদি ঋণ বিতরণ সমানতালে না বাড়ে, তাহলে ব্যাংকগুলোর নিট সুদ মার্জিনে চাপ তৈরি হতে পারে। আবার ঋণ দ্রুত বাড়াতে গিয়ে যদি ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ সৃষ্টি হয়, তবে তা আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ ডেকে আনতে পারে।

    সার্বিকভাবে, ৫০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ আমানত প্রবৃদ্ধি ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হলেও এটি কেবল তারল্য বৃদ্ধির গল্প নয়। এটি প্রবাসী আয়ের প্রবণতা, সুদনীতি পরিবর্তন, বিনিয়োগ আচরণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক বাস্তবতার সমন্বিত প্রতিফলন। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো—এই বাড়তি সঞ্চয়কে কীভাবে উৎপাদনশীল খাতে প্রবাহিত করে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে রূপান্তর করা যায়। ●

    অকা/ব্যাংখা/ই/সকাল/১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 6 hours আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ব্যাংক খাতে বাড়ছে ঝুঁকি ও প্রকট হচ্ছে লুটপাটের দীর্ঘ ছায়া

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    নির্বাচন ঘিরে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    ইইউ–ভারত চুক্তিতে বাড়ছে পোশাক প্রতিযোগিতা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    রেমিট্যান্স ও উচ্চ সুদে ৫০ মাসের সর্বোচ্চ আমানত প্রবৃদ্ধি

    ব্যাংক খাতে বাড়ছে ঝুঁকি ও প্রকট হচ্ছে লুটপাটের দীর্ঘ ছায়া

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশি রফতানিতে নতুন গতি

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    নির্বাচন ঘিরে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি

    মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি থামছে না – চাপে সাধারণ মানুষ

    সঞ্চয়পত্রে কর বিভ্রান্তির অবসান

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    রোজার বাজারে সরবরাহ স্বস্তি – দামে শঙ্কা

    রাজস্ব চাপে ভবিষ্যৎ সরকার

    রফতানিতে গতি ফিরলেও চ্যালেঞ্জ কাটেনি

    ভ্যাট বাড়লেও গতি ফিরছে না অর্থনীতিতে

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    অনিশ্চয়তার মধ্যেও ওষুধ খাতে মুনাফার উত্থান

    ইইউ–ভারত চুক্তিতে বাড়ছে পোশাক প্রতিযোগিতা

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    রেকর্ড দামে স্বর্ণ – অনিশ্চয়তায় ঝুঁকছে বিশ্ব বাজার

    চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস
    ঋণ প্রতিশ্রুতি কম – পরিশোধ বেশি

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.