Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    শেয়ারবাজারে ক্যাটাগরি পরিবর্তনে বিলম্ব : দুর্বল কোম্পানিকে বিশেষ সুবিধা

    ডিসেম্বর ৭, ২০২৩ ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    শেয়ারবাজারে কোম্পানির ক্যাটাগরি পরিবর্তনসংক্রান্ত বিধিমালায় ফিরে যেতে বিলম্ব করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এতে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানিগুলোকে দুর্বল ক্যাটাগরিতে (জেড) নিতে আরও সময় লাগবে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ব্যাপারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, তা বাস্তবায়ন হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে। এর মানে হলো, দুর্বল কোম্পানিগুলো ওই সময় পর্যন্ত শেয়ারবাজারে কারসাজি করতে পারবে। এদিকে বিলম্বে বাস্তবায়নের কারণ নিয়ে বাজারে ব্যাপক কানাঘুষা চলছে। তবে সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে মালিকানা পরিবর্তন হওয়া কিছু দুর্বল কোম্পানিকে বিশেষ সুবিধা দিতে এই আয়োজন করা হয়েছে। এর সঙ্গে বড় একটি চক্র জড়িত। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি বলছে, বাজারের স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, কোনো কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করলে তা বার্ষিক সাধারণ সভায় পাশ করা এবং বণ্টনের বিষয় রয়েছে। সে কারণে একটু সময় নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সময় নেওয়ার ফলে কোম্পানির উদ্যোক্তা, পরিচালক এবং বিনিয়োগকারীরা চিন্তা করার সময় পাবে। উদ্যোক্তারা চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরাও বুঝতে পারবেন কোন কোম্পানির ক্যাটাগরি পরিবর্তন হতে পারে। এসব কিছু বিবেচনায় বাজারের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, স্টক এক্সচেঞ্জের সেটেলমেন্ট রেগুলেশন আইন ২০১৩ অনুসারে শেয়ারবাজারে তিন ধরনের কোম্পানি রয়েছে-এ, বি এবং জেড। কোনো কোম্পানি যদি নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা করে এবং বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম ১০ শতাংশ লভাংশ দেয়, সেটি ‘এ’ ক্যাটাগরি। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দিলে ‘বি’ এবং এজিএম না করা ও লভ্যাংশ দিতে না পারলে সেটি ‘জেড’ ক্যাটাগরি। বিদ্যমান আইনে কোম্পানি, বিনিয়োগ লভ্যাংশ ঘোষণার পরই এটি কার্যকর হবে। তবে করোনার সময় দুই বছরের জন্য আইনে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে দুই বছর পার হলেও মূল আইনে ফিরে যেতে গড়িমসি করছে কমিশন। সাম্প্রতিক সময়ে যুগান্তরসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে এ ব্যাপারে সংবাদ ছাপা হলে আইনে ফিরে যাওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করে কমিশন। কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন করা হবে ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।

    এদিকে জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ারে কিছু অসুবিধা রয়েছে। এসব কোম্পানির লেনদেন নিষ্পত্তি হতে ৩ কার্যদিবস লাগে। কোম্পানির শেয়ারে কেনা ঋণ পাওয়া যায় না। এছাড়াও এসব কোম্পানি দুর্বল হিসাবে চিহ্নিত বলে এগুলোর শেয়ার বিনিয়োগকারীরা কিনতে চান না। তবে ক্যাটাগরি ‘এ’ অথবা ‘বি’তে থাকলে এ সমস্যা নেই। সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে বেশকিছু দুর্বল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নিজস্ব লোকজন বসানো হয়েছে। মালিকানা পরিবর্তনের আগের এসব কোম্পানিতে পছন্দের লোকজনকে দিয়ে শেয়ার কেনানো হয়। এসব কোম্পানির মধ্যে অন্যতম হলো আল আমিন কেমিক্যাল, রাঙ্গামাটি ফুড, ইমাম বাটন, পারফিউম কেমিক্যাল, রহিমা ফুড, এমারেল্ড অয়েল, ফুওয়াং ফুড, ওয়াই ম্যাক্স ইলেক্ট্রোটেড, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, সিনো বাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, হাক্কানি পাল্প, ইয়াকিন পলিমার এবং রিংশাইন টেক্সটাইল। এসব কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক এবং পরিকল্পিত বিনিয়োগকারীরা যাতে নির্ধারিত সময়ে নিরাপদে বাজার থেকে বের হয়ে যেতে পারেন, সেজন্যই এ আয়োজন। সাম্প্রতিক সময়ে সি অ্যান্ড টেক্সটাইল এই সুবিধা নিয়েছে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকটি কোম্পানির বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বলেন, তাদের কোম্পানিগুলোতে আগে কিছু অনিয়ম হয়েছে। আর এসব কারণেই আগের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে যারা দায়িত্ব নিয়েছেন, তারা কোনোভাবেই অনিয়ম বা বিনিয়োগকারীদের ঠকানোর সঙ্গে জড়িত নন। তাদের মতে, ক্যাটাগরি পরিবর্তনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া বিএসইসির কাজ। এ ব্যাপারে কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো আবেদন বা সুযোগ চাওয়া হয়নি। এছাড়া আরও বেশকিছু কোম্পানি রয়েছে, তারা বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দিতে পারেনি। কিন্তু ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএসইসির জারি করা আদেশের স্টক এক্সচেঞ্জ ওইসব কোম্পানিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করতে পারেনি। বর্তমানে এসব কোম্পানির লেনদেন অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা ধারাবাহিকভাবে কারসাজি করার সুযোগ পাবে।

    অকা/পুঁবা/সকাল/৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ`

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    শেয়ারবাজারে ক্যাটাগরি পরিবর্তনে বিলম্ব : দুর্বল কোম্পানিকে বিশেষ সুবিধা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.