Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সুদ হার কমায় শেয়ার বাজারে নতুন গতি সঞ্চারের সম্ভাবনা

    আগস্ট ২৪, ২০২৫ ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণUpdated:আগস্ট ২৪, ২০২৫ ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    সরকারি ট্রেজারি বিল–বন্ডে সুদের হার জুনের ওপর থেকে আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে প্রায় ১.৫–২.০ শতাংশ–পয়েন্ট কমে ১০.১৪–১০.৪৩ শতাংশ সীমায় নেমে আসায় পুঁজি বাজারে ‘রিস্ক-ফ্রি রেট’ বা মানদণ্ড সুদহারের উল্লেখযোগ্য নিম্নগতি তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের ভাষায়, রিস্ক-ফ্রি রেট কমা মানে ডিসকাউন্ট রেট/কস্ট অব ইকুইটি কমে যাওয়া; ফলে লভ্যাংশ বা নগদ প্রবাহ অপরিবর্তিত থাকলেও শেয়ারের ন্যায্য মূল্য (fair value) পরিসংখ্যানগতভাবে বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, সরল ‘গর্ডন গ্রোথ’ ধারণায় যদি কোনো কোম্পানির স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি ৫% ধরা হয়, ডিসকাউন্ট রেট ১৬% থেকে ১৪% হলে অনুমিত P/E অনুপাত 1/(r–g) সূত্রে 1/(0.16–0.05)=9.1 থেকে 1/(0.14–0.05)=11.1-এ উন্নীত হয়—অর্থাৎ প্রায় ২২% ঊর্ধ্ব সম্ভাবনা কেবল সুদহার-ঝুঁকি কমার প্রভাবে। এই ‘ইয়ার্ডস্টিক’ই অনেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী তাদের ভ্যালুয়েশন মডেল পুনর্গণনা শুরু করেছেন বলে বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    ব্যাংক ব্যবস্থায় তারল্য পরিবেশও অনুকূল। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জুলাইয়ে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৭,৪৩৮ কোটি টাকা ধার নিয়ে মাসের মধ্যেই ৪,৩৫০ কোটি টাকা সমন্বয় করায় নিট ঋণগ্রহণ দাঁড়ায় মাত্র ৩,০৮৭ কোটি টাকা—অর্থাৎ সরকারি নেট চাহিদা কমে বাজারে ‘ফ্রি ফান্ড’ বেড়েছে। উপরন্তু, সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম খরচে (নীতিগত হার ~১০%) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে স্বল্পমেয়াদি তারল্য নিচ্ছে; এতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের তহবিলের ‘অপর্চুনিটি কস্ট’ হ্রাস পেয়ে বেসরকারি খাত/পুঁজি বাজারে টাকা প্রবাহের পথ খানিকটা প্রশস্ত হয়েছে। একাধিক ট্রেজারি ডিলারের ভাষ্য, স্বল্প-ঝুঁকির সরকারি সিকিউরিটিজে ইয়িল্ড কমতে থাকলে ব্যাংক ও নন-ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন (NBFI) বাধ্য হয় উচ্চ-রিটার্ন খাতে ‘রিডিপ্লয়’ করতে—যার মধ্যে তালিকাভুক্ত বন্ড, ডিবেঞ্চার ও শেয়ার বাজার দুইটিই পড়ে।

    বিশ্লেষকরা তিনটি চ্যানেলে শেয়ার বাজারে প্রভাব দেখতে বলছেন। প্রথমত, ‘পোর্টফোলিও রিব্যালান্স’—ট্রেজারি থেকে ‘ইকুইটি’ টিল্ট। সুদহার-সংবেদনশীল ফান্ডগুলো (মানি মার্কেট, ইনকাম ফান্ড, ইনস্যুরেন্স রিজার্ভ) লক্ষ্য রিটার্ন বজায় রাখতে উচ্চ-বিটা বা লার্জ-ক্যাপ ডিভিডেন্ড প্লেয়ারগুলোর দিকে ওজন বাড়াতে পারে। দ্বিতীয়ত, ‘ভ্যালুয়েশন কম্প্রেশন’—রিস্ক-ফ্রি রেট কমায় ইকুইটি রিস্ক প্রিমিয়াম অপরিবর্তিত ধরা হলেও মোট কস্ট অব ইকুইটি কমে গিয়ে DCF ও মাল্টিপল-বেইসড ভ্যালুয়েশন উভয়েই আপলিফট দেয়। তৃতীয়ত, ‘ট্রেডিং লিকুইডিটি’—ব্যাংক ও ব্রোকারেজের মার্জিন/ফান্ডিং খরচ কমায় মার্কেট মেকিং ও মার্জিন ফাইন্যান্সের কার্যক্রমে গতি আসে, ফলে দৈনিক লেনদেনের টার্নওভার বাড়ে, ‘বিড-আস্ক’ টাইট হয়।

    খাতভিত্তিক সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায়, (ক) ব্যাংক ও NBFI—বন্ড পোর্টফোলিওতে মার্ক-টু-মার্কেট লাভের সুযোগ, তবে নতুন বিনিয়োগে ইয়িল্ড কমায় বিনিয়োগ আয়ের হার নেমে আসতে পারে; নেট প্রভাব নির্ভর করবে ডিপোজিট-রিপ্রাইসিং ও অ্যাসেট-মিক্সের ওপর। (খ) সিমেন্ট-ইস্পাত-রিয়েল এস্টেট—সুদের খরচ কমলে মূলধনব্যয় (CAPEX) ও হাউজিং ডিমান্ডে ইতিবাচক টান পড়তে পারে; কনস্ট্রাকশন-লিঙ্কড কোম্পানির অর্ডার বুক ও ভলিউমে উন্নতি দেখার সম্ভাবনা থাকে। (গ) ইউটিলিটি/পাওয়ার—উচ্চ ডিভিডেন্ড-ইয়িল্ড স্টকগুলোর আকর্ষণ বাড়ে, কারণ বিকল্প ‘রিস্ক-ফ্রি’ ইয়িল্ড কমে গেছে; তবে ট্যারিফ-পাস-থ্রু ও জ্বালানি খরচের স্বচ্ছতা গুরুত্বপূর্ণ। (ঘ) কনজিউমার/টেলিকম—ডিসকাউন্ট রেট কমা ও স্থিতিশীল নগদ প্রবাহের সমন্বয়ে মাল্টিপল এক্সপ্যানশনের সুযোগ; ভোক্তা চাহিদা ও রেগুলেটরি সিগন্যাল নির্ধারক।

    ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিতে দুটি দিক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, ‘ডিভিডেন্ড-ইয়িল্ড স্প্রেড’—যে কোম্পানির নির্ভরযোগ্য নগদ ডিভিডেন্ড ৭–৯% রেঞ্জে, তারা এখন ১০%-এর কাছাকাছি ট্রেজারি ইয়িল্ডের তুলনায়ও প্রতিযোগিতামূলক; ফলে ‘ইনকাম-ইনভেস্টর’দের আগ্রহ বাড়তে পারে। দ্বিতীয়ত, ‘আর্নিংস ডেলিভারি’—সুদ কমা ভ্যালুয়েশনে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেললেও স্থিতিস্থাপক ঊর্ধ্বগতি টিকিয়ে রাখতে হলে পরবর্তী ২–৩ প্রান্তিকে আয়ের বৃদ্ধির প্রমাণ দরকার হবে।

    বাজার সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অভিমত — একটি বড় ব্রোকারেজের রিসার্চ প্রধানের মতে, “১২%-এর ওপর থেকে ১০%-এর আশেপাশে রিস্ক-ফ্রি নামা ইকুইটির ‘ন্যায্য-পিই’ ১–২ পয়েন্ট বাড়িয়ে দেয়; বড় মূলধনী, উচ্চ নগদ-প্রবাহ কোম্পানিই প্রথমে উপকার পায়।” এক ফান্ড ম্যানেজারের ভাষায়, “আমরা ইতিমধ্যে ট্রেজারি এক্সপোজার ৫–৭ শতাংশ-পয়েন্ট কমিয়ে ডিভিডেন্ড-পেয়িং ব্লু-চিপে ওজন বাড়াচ্ছি—বিশেষত যেখানে ‘ইয়িল্ড-অন-কস্ট’ ৮%-এর ওপরে।” এক ব্যাংক ট্রেজারারের মন্তব্য, “সরকারি নেট ধার কমা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক রুটে স্বল্পখরচে তহবিল নেয়ায় বাণিজ্যিক ব্যাংকের তারল্য চাপ কমেছে; মানি-মার্কেটে ওভারনাইট-থেকে-টার্ম ফান্ডিং রেট সফট, যা ব্রোকারেজ মার্জিন ফান্ডিংকেও সস্তা করেছে।”

    তবে ঝুঁকিও আছে। প্রথমত, মুদ্রাস্ফীতি ও বিনিময় হার—যদি আমদানি-খরচ বা জ্বালানি-দামজনিত চাপে মূল্যস্ফীতি আবার ত্বরান্বিত হয়, নীতিগত হার ও ট্রেজারি ইয়িল্ডের নিম্নগতি থামতে বা উল্টে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, বৈদেশিক তহবিলপ্রাপ্তি—বিদেশি ঋণ ‘সাশ্রয়ী ও স্থিতিশীল’ না থাকলে সরকারের দেশীয় ধার চাহিদা আবার বেড়ে ট্রেজারি বাজারে সরবরাহ-চাপ তৈরি করতে পারে। তৃতীয়ত, আয়-ঝুঁকি—কোম্পানির প্রফিট মার্জিনে যদি কাঁচামাল/জ্বালানির খরচ, ট্যাক্স-নীতির পরিবর্তন বা দাম কমানোর প্রতিযোগিতা চাপ সৃষ্টি করে, তবে সুদ কমার ভ্যালুয়েশন-লাভ আর্নিংস দ্বারা ‘কনফার্ম’ নাও হতে পারে। চতুর্থত, সরবরাহ-ওভারহ্যাং—বৃহৎ আইপিও/রাইটস/প্রাইভেট-প্লেসমেন্টের ঢল এলে স্বল্পমেয়াদে লিকুইডিটি পাতলা হতে পারে।

    বিনিয়োগ কৌশলে তাই কয়েকটি ‘প্রুডেন্ট’ পয়েন্ট সামনে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা - (১) ভ্যালুয়েশন-ডিসিপ্লিন—রিস্ক-ফ্রি কমলেও ‘আর্নিংস-কোয়ালিটি’ ও ‘ক্যাশ-কনভার্সন’ যাচাই ছাড়া প্রাইস-চেজ নয়; (২) ডিভিডেন্ড-ফোকাস—নগদ ডিভিডেন্ড ধারাবাহিকতা, ফ্রি-ক্যাশ-ফ্লো-টু-ইকুইটি ও নেট-ডেট/ইবিটডিএ দেখে ‘ইনকাম + ডিফেন্স’ বেছে নেওয়া; (৩) ডিউরেশন-ব্যালান্স—উচ্চ-বিটা সাইক্লিকাল (সিমেন্ট/স্টিল/ইন্ডাস্ট্রিয়াল) ও ডিফেন্সিভ (টেলিকম/ইউটিলিটি/স্ট্যাপল) মিলিয়ে পোর্টফোলিও তৈরি; (৪) রিস্ক-ম্যানেজমেন্ট—স্টপ-লস, পজিশন-সাইজিং ও ইভেন্ট-রিস্ক ক্যালেন্ডার (কোয়ার্টারলি ফলাফল, বাজেটারি ঘোষণা, নীতির সিদ্ধান্ত) মেনে চলা; (৫) লিকুইডিটি-মনিটর—দৈনিক টার্নওভার, মানি-মার্কেট রেট ও ট্রেজারি অকশন-কভারেজ (বিড-টু-কভার) দেখে বাজারের নাড়ি বোঝা।

    নীতিমালা ফ্রন্টে নজরদারির তিনটি ‘ওয়াচ-লিস্ট’—প্রথমত, ট্রেজারি অকশনে কাট-অফ ইয়িল্ডের ধারাবাহিকতা; দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপেন-মার্কেট অপারেশন (রিভার্স রেপো/রেপো) কীভাবে ইন্টারব্যাংক রেটকে অ্যাঙ্কর করছে; তৃতীয়ত, বৈদেশিক তহবিল/ব্যালান্স অব পেমেন্টসের ট্র্যাজেক্টরি। এই সূচকগুলো ইতিবাচক থাকলে শেয়ারবাজারে সুদ কমার ‘ট্রান্সমিশন’ আরও স্পষ্ট হবে—টার্নওভার ও মার্কেট-ব্রেডথ উন্নত হতে থাকবে, আস্থাও বাড়বে।

    ট্রেজারি বিল-বন্ডের ব্যপ্ত নিম্নগতি ও সরকারের নেট ধার কমায় ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যে অতিরিক্ত তারল্য তৈরি হয়েছে, তা পুঁজি বাজারে ‘ভ্যালুয়েশন-আপলিফট + লিকুইডিটি-সাপোর্ট’—দুই পথেই ইতিবাচক সিগন্যাল দিচ্ছে। তবে স্থিতিশীল ঊর্ধ্বমুখী ধারা টিকবে কি না, তার উত্তর নির্ভর করবে পরবর্তী প্রান্তিকগুলোর আয়ের ডেলিভারি, নীতিগত ধারাবাহিকতা ও মুদ্রাস্ফীতি-বিনিময় হারের ঝুঁকি কীভাবে সামাল দেওয়া যায় তার ওপর। বিনিয়োগকারীদের জন্য এখনকার বাস্তবায়নযোগ্য কৌশল—ডিভিডেন্ড-সমর্থিত ব্লু-চিপে ‘কোর’ এক্সপোজার রেখে, নির্বাচিত সাইক্লিক্যালে ‘অপশনালিটি’ নেওয়া; এবং সব সিদ্ধান্তে সংখ্যা-ভিত্তিক যাচাই, ঝুঁকি-নিয়ন্ত্রণ ও ধাপে ধাপে বিনিয়োগ। ●
    অকা/পুঁবা/ই/সকাল/২৪ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২৫ দিনেই রেমিট্যান্স ২.৩০ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ২০.৬ শতাংশ

    মো. সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে আলাদা তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক

    বগুড়া সিটি করপোরেশনের ১৪১৭ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা

    রংপুরে তিস্তা নদীর ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসে অবস্থান কর্মসূচি

    গ্যাস সংকট: এবার তিতাস এর দুঃখ প্রকাশ

    গ্যাস সংকট: পেট্রোবাংলার দুঃখ প্রকাশ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    একশ কোটির ক্লাবে বিজয়ের ‘জন নায়গন’

    ব্র্যান্ডের আড়ালে নকল পণ্য
    এসিআই-আফতাবসহ ৭ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    শ্রবণশক্তি হারাচ্ছেন কণ্ঠশিল্পী আনুশেহ আনাদিল

    ‘দ্য ক্যাপিটাল ডায়ালগ’ শীর্ষক গোলটেবিল
    বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য

    ২৫ দিনেই রেমিট্যান্স ২.৩০ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ২০.৬ শতাংশ

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ মেটলাইফের

    রপ্তানিতে ১৫% প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য, আয় হবে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

    মো. সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে আলাদা তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক

    ইএসডিওর গবেষণা প্রতিবেদন
    বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক

    বগুড়া সিটি করপোরেশনের ১৪১৭ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা

    রংপুরে তিস্তা নদীর ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসে অবস্থান কর্মসূচি

    খেলাপি ঋণ: প্রায় ৪৬ লাখ অ্যাকাউন্ট ঝুঁকিতে

    অবরোধের মধ্যেও ১৮ বিলিয়ন ডলারের তেল বিক্রি করেছে ইরান

    গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে আবুল খায়ের স্টিল

    চীনে নদীর তলদেশে হচ্ছে প্রথম হাই-স্পিড রেল টানেল

    নিরাপদ খাদ্য প্রবিধানমালা প্রজ্ঞাপন
    লাইসেন্স ছাড়া খাদ্য ব্যবসায় ৫ বছরের জেল

    হামিন আহমেদের স্মৃতির আয়নায় ভাই শাফিন আহমেদ।

    আসছে মামনুরের নতুন গান ‘ছুঁয়ে গেছো’

    জাতীয় প্রেসক্লাবে নমিনির সংবাদ সম্মেলন
    ৪৪ লাখের বদলে ৪৪ হাজার টাকা দেওয়ার অভিযোগ মেটলাইফের বিরুদ্ধে

    গ্যাস সংকট: এবার তিতাস এর দুঃখ প্রকাশ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.