Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ৭৮ কোটি টাকার লোকসানে সোনারগাঁও টেক্সটাইল

    আগস্ট ৩, ২০২৬ ৪:২৬ অপরাহ্ণUpdated:আগস্ট ৩, ২০২৬ ৪:২৬ অপরাহ্ণ10
    User comments
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন>

    নব্বই দশকের তৈরি পোশাক শিল্পের জোয়ারে যে কোম্পানিটি সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে উঠেছিল, তিন দশক পর সেই সোনারগাঁও টেক্সটাইল লিমিটেডই এখন টিকে থাকার লড়াইয়ে। সরকারের কর অব্যাহতি, শুল্ক সুবিধা ও নগদ সহায়তায় গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটি এখন পুঞ্জীভূত লোকসান, ঋণের বোঝা ও চলতি মূলধন সংকটে বিপর্যস্ত। নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কোম্পানির স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

    যেভাবে শুরু

    স্থানীয় ও রপ্তানিমুখী বাজারে সুতার চাহিদা মেটাতে ১৯৮৫ সালে খান সন্স গ্রুপের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় সোনারগাঁও টেক্সটাইলস। অর্থায়ন করে তৎকালীন বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক। বরিশালে স্থাপিত কারখানাটি ১৪ হাজার ৪০০ স্পিন্ডল নিয়ে ৪০ থেকে ৬০ কাউন্টের সুতি সুতা এবং ৪৫ থেকে ৮২ কাউন্টের পলিয়েস্টার সুতা উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে ১৯৯২ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। শুরুতে পর্ষদে নেতৃত্ব দেন গ্রুপের চেয়ারম্যান এ কে এম আজিজুর রহমান।

    প্রতিষ্ঠার শুরুতেই চমক দেখায় কোম্পানি। ১৯৯৩ সালে মাত্র ২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনে ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা আয় ও ১৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা করে। পরের বছর মাত্র ১০ মাসে মুনাফা ৬ গুণ বেড়ে ৯০ লাখ টাকায় দাঁড়ায়। এই সাফল্যের ওপর ভর করে ১৯৯৫ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে এবং ১৯৯৬ সালে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়। আইপিওতে ২ লাখ ৪৮ হাজার শেয়ার ছেড়ে ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা তোলে কোম্পানিটি। তখন বিনিয়োগকারীদের ১৯৯৯ সালে শেয়ারপ্রতি ৫৩ টাকা মুনাফা এবং ২০ শতাংশ নিয়মিত নগদ লভ্যাংশের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।

    সোনালি অধ্যায় থেকে পতন

    তালিকাভুক্তির পর ২০১১ সাল পর্যন্ত ছিল কোম্পানির সোনালি সময়। এ সময়ে বিক্রি ২০ কোটি থেকে বেড়ে ৭৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। কর্মসংস্থান দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৫০ জনে। ২০১১ সালে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ৫০ টাকা প্রিমিয়াম যোগ করে ১৫০ টাকা দরে ১:১ রাইট শেয়ার ইস্যু করে ১৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়।

    কিন্তু ২০১২ সালের পর থেকেই চিত্রনাট্য বদলে যায়। ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৭-১৮ পর্যন্ত পাঁচ অর্থবছর বিনিয়োগকারীরা কোনো লভ্যাংশ পাননি। ২০১৮-১৯ সালে সামান্য মুনাফায় ফিরলেও পরের বছরই ৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা লোকসান গোনে প্রতিষ্ঠানটি।

    বর্তমান চিত্র আরও নাজুক

    সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তথ্য বলছে, সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। এ বছর ৩২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আয় করলেও নিট লোকসান হয়েছে ২ কোটি ১২ লাখ টাকা। শেয়ারপ্রতি লোকসান ৮০ পয়সা। গত পাঁচ বছরের মধ্যে তিন বছরই বড় লোকসানে ছিল কোম্পানি।

    আর্থিক সূচকগুলোও উদ্বেগজনক। অর্থবছর শেষে ১২৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার মোট সম্পদের বিপরীতে দীর্ঘমেয়াদি দায় ৭৩ কোটি টাকার বেশি। ডেট-টু-ইক্যুইটি অনুপাত ১.৫৯। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য বা এনএভি কমে ১৮ টাকা ৩৫ পয়সায় নেমেছে। সঞ্চিত লোকসান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা। চলতি দায় চলতি সম্পদের চেয়ে প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা বেশি হওয়ায় চলতি মূলধনেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এক বছরে কর্মী সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ কমে ১ হাজার ১৪৫ জন থেকে ৮০১ জনে নেমেছে।

    বর্তমানে ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিটিতে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৪৪.৪৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৮.১৯ শতাংশ, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৭.৩৫ শতাংশ এবং বিদেশিদের হাতে মাত্র ০.০১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

    সংকটের কারণ ও আশার আলো

    কেন এই দশা? কোম্পানির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম খান কালবেলাকে বলেন, কারখানাটি সম্পূর্ণ বিদ্যুৎনির্ভর হওয়াই মূল সংকট। তার ভাষায়, "অনেক প্রতিযোগীর কারখানা গ্যাসভিত্তিক। বিদ্যুতের দাম কয়েক দফা বাড়ায় আমাদের উৎপাদন ব্যয় আকাশচুম্বী হয়ে গেছে।" এছাড়া শ্রমিক সংকট ও বিদেশি সস্তা সুতার সাথে অসম প্রতিযোগিতাও কোম্পানিকে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে।

    তবুও আশা ছাড়ছেন না উদ্যোক্তারা। বরিশাল অঞ্চলের কর্মসংস্থানের কথা বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। ভোলা থেকে গ্যাস সংযোগ পাওয়া গেলে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং কোম্পানি আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 week আগে

    কারখানা টেক্সটাইল সোনারগাঁও

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে নিউজিল্যান্ডকে বাংলাদেশের ৩ প্রস্তাব

    বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না ৫ ব্যাংকের মালিকানা

    এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

    কার্ডেই মেটানো যাবে বিদেশে পড়াশোনার খরচ

    সাবেক রাষ্ট্রপতিসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে ইসলামী ব্যাংকের অভিযোগ

    ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী বুঝে পেল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে নিউজিল্যান্ডকে বাংলাদেশের ৩ প্রস্তাব

    বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না ৫ ব্যাংকের মালিকানা

    সালমান শাহের প্রয়াণ ও চলচ্চিত্র শিল্পের দীর্ঘমেয়াদী সংকট

    এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

    কার্ডেই মেটানো যাবে বিদেশে পড়াশোনার খরচ

    সাবেক রাষ্ট্রপতিসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে ইসলামী ব্যাংকের অভিযোগ

    ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী বুঝে পেল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক

    ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহজ করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন

    বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন ফ্রি

    প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ভাইস চেয়ারম্যান হলেন মারুফ সাত্তার আলী

    আস্থা ফেরানোর পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

    মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

    হলিউডের পরবর্তী ধাপে প্রিয়াঙ্কা

    আইপিডিসির ব্যবসায় ধস বাড়ছে খেলাপি ঋণ

    রিজার্ভ চুরির প্রতিবেদন পেছাল ৯৭ বার

    চার আর্থিক প্রতিষ্ঠান অকার্যকর ঘোষণা

    এরা শুধু বিশ্বাসঘাতকই না, এরা জুলুমবাজও

    ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    ৮ দিনে প্রবাসী আয় ৯১৫ মিলিয়ন ডলার

    এম এ কাশেম সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.