Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ২৮ মাঘ, ১৪৩২ | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দুই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে

    অক্টোবর ১৫, ২০২৩ ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    আগামী ৫০ বছরের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে দুই খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এর একটি হচ্ছে-অর্থনীতির শক্তিশালী ভিত্তি অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি, আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা ও রূপান্তরমূলক সংস্কার।

    অপরটি-বৈদেশিক ঋণ খাত, জলবায়ু মোকাবিলা এবং আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে উন্নয়ন সহযোগীদের তহবিল বৃদ্ধি। এসব খাতে বিনিয়োগের জন্য বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের এগিয়ে আসার কথা বলা হয়।

    মরক্কোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বৈঠকের পঞ্চম দিনে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর গভর্নরদের উপস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ এসব প্রস্তাব দেওয়া হয়।

    সেখানে বলা হয়, এসব খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে পারলে অনেক দেশের প্রবৃদ্ধি আগামী চার বছরের মধ্যে ৮ শতাংশের ঘরে পৌঁছবে। বৈঠক সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

    বিনিয়োগের অর্থ সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে কর খাতে সংস্কার আনতে বলা হয়েছে। আইএমএফের গবেষণা তুলে ধরে বলা হয়, শুধু কর খাতের সংস্কারই নিু আয়ের দেশগুলো রাজস্ব খাত থেকে যে বাড়তি আদায় করবে সেটি জিডিপির ৯ শতাংশের সমান।

    আর উদীয়মান দেশগুলোর ক্ষেত্রে সেটি হবে ৫ শতাংশের সমান। ফলে এ অঞ্চলকে বেশি অগ্রাধিকার দিতে হবে। এখানে সংস্কার আনতে হবে।

    জানা গেছে, ১৯৭৩ সাল অর্থাৎ আজ থেকে ৫০ বছর আগে এই মরক্কোতে বিশ্বের অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বৈঠক করেছে আইএমএফ। ঠিক ৫০ বছর পর একই স্থানে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সভা হচ্ছে। এ সময় অর্থনীতির অনেক উত্থান ও চ্যালেঞ্জ ছিল।

    ওই বৈঠকে আগামী ৫০ বছর পর অর্থাৎ ২০৭৩ সালের পৃথিবী কেমন হবে তা কল্পনা করতে বলা হয় উপস্থিত গভর্নরদের। সংস্থাটির মতে, এ সময় ভূ-রাজনীতি এবং প্রযুক্তিতে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক জটিল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে।

    আইএমএফ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তা নিয়ে বের করার চেষ্টা করেছে ১৯৭৩ সাল অর্থনীতিতে কি ধরনের চ্যালেঞ্জ আসতে পারে। এআইর দৃষ্টিভঙ্গিতে ফলাফল পাওয়া গেছে তার ওপর ভিত্তি করেই বিশ্ব অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় নীতিনির্ধারকদের জন্য উল্লিখিত দুটি অগ্রাধিকার খাতে বিনিয়োগের সুপারিশ করেছে।

    বৈঠকে আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা গভর্নরদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা অস্থিরতার সময় দেখেছি। বিশেষ করে ৭০-এর দশকে তেলের ধাক্কা, ল্যাটিন আমেরিকান ঋণ সংকট, এশিয়ান আর্থিক সংকট ও বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকট। গত ৩ বছরে, আমরা একটি বিশ্বব্যাপী মহামারি, ইউরোপে যুদ্ধ এবং জীবনযাত্রার ব্যয়-সংকটও দেখেছি। তাই, একটি পরীক্ষা হিসাবে, আমি জিজ্ঞাসা করেছি ... কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা! ২০৭৩ সালে পৃথিবী কেমন হতে পারে? আর সেখানে ধারণা দেওয়া হয়, ২০৭৩ সাল হবে একটি টেকসই সমৃদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতি। সেখানে নবায়নযোগ্য শক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মাধ্যমে চলবে শিল্পপ্রতিষ্ঠান।

    অর্থনৈতিক সীমানা খুলতে পারে মহাকাশ অন্বেষণে। এছাড়া আর্থিক ব্যবস্থার পরিবর্তে ডিজিটাল মুদ্রা মূলধারায় রূপ নিতে পারে। সেখানে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নীতিনির্ধারণীদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলা হয়, কিভাবে এই বিশ্ব রূপান্তরের সুবিধাগুলোকে ধরা যাবে সেটি নিয়ে ভাবতে হবে। পাশাপাশি এর ঝুঁকিগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে।

    সেখানে আরও বলা হয়, আগামী দিনগুলোতে মধ্যমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এজন্য সঠিক নীতি এবং সংস্কার অপরিহার্য। উদাহরণ তুলে বলা হয়, মরক্কোতে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত অঞ্চলে পরিণত হয়। এখানে একটি শক্তিশালী ভিত্তি এবং কাঠামোসহ ভবনগুলো ছিল। ভূমিকম্পের ধাক্কার পরও সর্বোত্তমভাবে অনেক ভবন দাঁড়িয়ে ছিল। এর থেকে শিক্ষাটি হলো-খুব ভিন্ন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলেও নীতিনির্ধারকদের সুষ্ঠু নীতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব।

    বৈঠকে মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে বলা হয়, এর স্থিতিশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে মানুষ রক্ষা পায়, বিশেষ করে দরিদ্রদের দুর্ভোগ থেকে বাঁচাবে। এর অর্থ মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। এখনো বিশ্বের অনেক দেশ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে। ফলে আগামীতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

    সেখানে আরও বলা হয়, আগামী দিনগুলোতে আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা দরকার। তবে আর্থিক অবস্থার আরও কঠোরতা আসবে। সে কারণে বাজার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আঘাত আসতে পারে। এ জন্য শক্তিশালী তত্ত্বাবধানের প্রয়োজন।

    এছাড়া গ্রহণ করতে হবে রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে বিচক্ষণতার নীতি। কারণ অনেক দেশের এখন ঋণ ঘাটতি রয়েছে। ফলে একদিকে ব্যয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে। অন্যদিকে সরকারকে নিতে হবে কঠিন সিদ্ধান্ত।

    বৈঠকে দাতাদের ঋণ পরিস্থিতি তুলে ধরে বলা হয়, এখনো অর্ধেকের বেশি নিু আয়ের দেশগুলো ঋণ সংকটের উচ্চ ঝুঁকিতে আছে। উদীয়মান অর্থনীতির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ খেলাপিও হয়েছে। যদিও ধীরে ধীরে ঋণ পুনর্গঠন করতে শুরু করেছে।

    এমন প্রেক্ষাপটে বার্ষিক সভায় বিশ্বব্যাংক আইএমএফ দরিদ্র দেশগুলোর জন্য সরাসরি ঋণ দেওয়ার কর্মসূচি সক্রিয় করার ঘোষণা দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, মহামারির শুরুতে এক লাখ কোটি ডলার ঋণ দেওয়া হয়। এছাড়া ৫৬টি নিু আয়সহ ৯৬টি দেশে ৩২ হাজার কোটি ডলারের ঋণ দেওয়া চলমান আছে।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ১৫ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    অর্থনীতি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দুই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে টাকা ডলার বাজার বাণিজ্য ব্যবসা ব্যাংক

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ব্যাংক খাতে বাড়ছে ঝুঁকি ও প্রকট হচ্ছে লুটপাটের দীর্ঘ ছায়া

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    নির্বাচন ঘিরে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি

    চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস
    ঋণ প্রতিশ্রুতি কম – পরিশোধ বেশি

    বিনিয়োগ স্থবিরতায় বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি নিম্নমুখী

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত
    ২০২৪ ও ২০২৫ সালে জমা রাখা আমানতের বিপরীতে গ্রাহক বার্ষিক ৪ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ব্যাংক খাতে বাড়ছে ঝুঁকি ও প্রকট হচ্ছে লুটপাটের দীর্ঘ ছায়া

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশি রফতানিতে নতুন গতি

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    নির্বাচন ঘিরে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি

    মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি থামছে না – চাপে সাধারণ মানুষ

    সঞ্চয়পত্রে কর বিভ্রান্তির অবসান

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    রোজার বাজারে সরবরাহ স্বস্তি – দামে শঙ্কা

    রাজস্ব চাপে ভবিষ্যৎ সরকার

    রফতানিতে গতি ফিরলেও চ্যালেঞ্জ কাটেনি

    ভ্যাট বাড়লেও গতি ফিরছে না অর্থনীতিতে

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    অনিশ্চয়তার মধ্যেও ওষুধ খাতে মুনাফার উত্থান

    ইইউ–ভারত চুক্তিতে বাড়ছে পোশাক প্রতিযোগিতা

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    রেকর্ড দামে স্বর্ণ – অনিশ্চয়তায় ঝুঁকছে বিশ্ব বাজার

    চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস
    ঋণ প্রতিশ্রুতি কম – পরিশোধ বেশি

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    কমোডিটি মার্কেট চালুর দ্বারপ্রান্তে সিএসই

    বন্ড অটোমেশনে ধীরগতি – রফতানিতে নতুন জটিলতা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.