Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আমদানির ওপর ভরসা সরকারের

    ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৫ ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    রমজান সামনে রেখে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। প্রতিষ্ঠানটি তাদের তৈরি করা প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। প্রতিবেদনে চাল নিয়ে বলা হয়েছে, দেশে বছরে চালের চাহিদা ৩৫০-৩৮০ লাখ টন। এর মধ্যে দেশে উৎপাদন হয় ৪০৬ লাখ ৯৫ হাজার টন। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের ১ জুলাই থেকে ৫ জানুয়ারি ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬৬৬ টন চাল আমদানিতে এলসি খোলা হয়েছে, যা গত অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ লাখ ৭৪ হাজার ২৪৪ টন বেশি। এ চাল দেশে স্থানীয় বাজারে প্রবেশ করলে দাম কমবে।

    সরকারি গুদামে মজুত পর্যাপ্ত। কৃষকের মাঠের আমনের চাল বাজারে। বেড়েছে সরবরাহ। তবুও কমেনি দাম। উলটো মিল মালিকদের কারসাজিতে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) ৭০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে মূল্য। এর প্রভাব পড়েছে পাইকারি আড়তে। দাম বাড়ছে হুহু করে। কেজিপ্রতি চাল কিনতে খুচরা বাজারে ভোক্তাকে ৫-১০ টাকা বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি চলছে দেড় মাস ধরে। তবুও মিল পর্যায়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর দৃশ্যমান তদারকি নেই। পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে অভিযান পরিচালনা করা হলেও মূল্য সহনীয় হচ্ছে না। এ অবস্থায় সরকার মনে করছে, আমদানি করা চাল দেশে ঢুকলেই দাম কমবে।

    ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চালের স্থানীয় উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় সরকার চাল আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর সরকার ‘এসআরও’ জারির মাধ্যমে চাল আমদানিতে ৬২.৫ শাতাংশ শুল্ক হ্রাস করে ২২ শতাংশ করে। এরপর ৩১ অক্টোবর আরেকটি ‘এসআরও’ জারির মাধ্যমে চাল আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়। বর্তমানে চাল আমদানিতে ৩ শতাংশ অগ্রিম আয়কর রাখা হয়।

    সম্প্রতি বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, সাময়িক মজুতদারির কারণে চালের দাম বেড়েছে। তবে চালের পর্যাপ্ত মজুত আছে। তদারকির মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। কিন্তু বাজারে চিত্র ভিন্ন। গত দেড় মাসের ব্যবধানে এক কেজি সরু চাল কিনতে ক্রেতার সর্বোচ্চ ১০ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে। খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি মূল্য ঠেকেছে ৮৫-৯০ টাকায়। মাঝারি চালের মধ্যে পাইজাম ও বিআর-২৮ জাতের চাল ৫ থেকে ৭ টাকা বেড়ে সর্বোচ্চ ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    ৩১ জানুয়ারি মিল পর্যায়ে ৫০ কেজির প্রতি বস্তা মিনিকেট চাল ৩ হাজার ৯০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা দেড় মাস আগেও ৩ হাজার ৩০০ টাকা ছিল। ভালো মানের প্রতি বস্তা নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩০০ টাকা, যা আগে ৩ হাজার ৯০০ টাকা ছিল। একটু মাঝারি মানের নাজিরশাইল মিল পর্যায়ে প্রতিবস্তা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ১০০ টাকা, যা দেড় মাস আগেও ৩ হাজার ৬০০ টাকা ছিল। বিআর ২৭-২৮ জাতের চাল বস্তায় বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ টাকা, যা আগে ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা।

    কাওরান বাজারের আল্লাহর দান রাইস এজেন্সির মালিক ও পাইকারি চাল বিক্রেতা মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এখন আমনের ভরা মৌসুম। কৃষকের চালও বাজারে এসে গেছে। পাশাপাশি আমদানিও হচ্ছে। এরপরও মিলাররা চালের দাম হঠাৎ বাড়িয়েছে। যে কারণে পাইকারি বাজারেও চালের দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, মিল থেকে এনে পরিবহণ খরচ যুক্ত করে প্রতি বস্তা মিনিকেট চাল ৪ হাজার টাকায় বিক্রি করছি, যা এক মাস আগেও ৩ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করেছি। নাজিরশাইল চালের বস্তা পাইকারি পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ১০০ টাকা, যা আগে ৩ হাজার ৪০০ টাকা ছিল। এছাড়া বিআর ২৭-২৮ জাতের চাল পাইকারি পর্যায়ে বিক্রি করতে হচ্ছে ২ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৯০০ টাকা, যা এক মাস আগেও ২ হাজার ৬০০ টাকা ছিল।

    নওগাঁ মৌ অ্যাগ্রো অ্যারোমেটিক রাইস মিলের ম্যানেজার ইফতারুল ইসলাম বলেন, আমন মৌসুমের শুরুতেই বাজারে ধানের দাম ঊর্ধ্বমুখী। যে স্বর্ণা ধানের দাম আগে ১ হাজার ২০০ টাকা ছিল, সেই ধান এখন কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ১ হাজার ৪০০ টাকা মন। তবে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে জিরা ও কাটারি ধানের। এ দুই প্রকার ধানের দাম বেড়েছে প্রতি মন ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় চালের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তাই চালের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    খাদ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য ২৯ জানুয়ারি অনুযায়ী সরকারি গুদামে মোট খাদ্যশস্য মজুত আছে ১৩ লাখ ৬ হাজার ৭৭১ টন। এর মধ্যে চাল ৯ লাখ ৩৮ হাজার ১৮৭ টন, ধান ১৪ হাজার ৩৬৩ টন আর গম মজুত ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯ টন।

    কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন যুগান্তরকে বলেন, বাজারে একাধিক সংস্থা তদারকি করে; কিন্তু ভোক্তা এ থেকে সুফল পাচ্ছেন না। পণ্যের দাম বাড়লেই কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনা করেন। কিন্তু যে স্তরে কারসাজি হচ্ছে, সেই স্তরে মনিটরিং হয় না। ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভোক্তাকে নাজেহাল করার সুযোগ পাচ্ছে।

    ৩১ জানুয়ারি রাজধানীর বেশ কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা, যা এক মাস আগে ৭২-৭৫ টাকা ছিল। নাজিরশাইল কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ৯০ টাকা, যা আগে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিআর-২৮ ও পাইজম প্রতি কেজি ৬৩-৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক মাস আগে ৫৭-৫৮ টাকা ছিল। ●

    অকা/বাণিজ্য/ফর/বিকাল/১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ‘সম্পর্ক’ মুগ্ধ করল কলকাতার দর্শকদের

    এমবাপ্পে কোথায় থামবে, কে জানে!

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.