Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    একক ভ্যাট ও করপোরেট করহার চায় আইএমএফ

    জুলাই ১৪, ২০২৬ ৪:১৩ অপরাহ্ণ8
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ ডেস্ক> 

    বাংলাদেশের করব্যবস্থাকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে একক ভ্যাট হার এবং একক করপোরেট করহার চালুর পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সঙ্গে সদ্য ঘোষিত জাতীয় বাজেটে সরকার যেসব কর অব্যাহতি ও কর ছাড় দিয়েছে, সেগুলোর কারণে রাজস্ব আয়ে কী ধরনের প্রভাব পড়বে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে সংস্থাটি।

    সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও আইএমএফ প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এসব বিষয় গুরুত্ব পায়। বৈঠকে এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবসহ বাজেট ও রাজস্ব নীতির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    বর্তমানে দেশে ১ দশমিক ৫, ৭ দশমিক ৫, ১০ ও ১৫ শতাংশ—এই চার ধরনের ভ্যাট হার কার্যকর রয়েছে। করপোরেট করও বিভিন্ন খাতে ১২ দশমিক ৫০, ২৭ দশমিক ৫০ ও ৪৫ শতাংশ হারে আরোপ করা হয়। আইএমএফের মতে, বহুমাত্রিক হার তুলে দিয়ে একটি অভিন্ন হার চালু করলে করব্যবস্থা সহজ হবে, স্বচ্ছতা বাড়বে এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমবে।

    বৈঠকে বিদ্যমান কর অব্যাহতি ও বিভিন্ন খাতে দেওয়া কর-সুবিধা ভবিষ্যতেও বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়েও জানতে চায় আইএমএফ। জবাবে এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, নতুন রাজস্ব উৎস চিহ্নিত করা, কর ও শুল্ক-সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং কর ফাঁকি রোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিসহ বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    এর আগে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে আইএমএফের বাংলাদেশ ও হংকং মিশনপ্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠক করে। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জানান, সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিগত কাঠামো ও সংস্কার রোডম্যাপ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

    তিনি বলেন, সরকার ও আইএমএফ একমত হয়েছে যে, কোনো ধরনের আকস্মিক বা কঠোর সংস্কার নয়; বরং দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন করা হবে।

    অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, একটি নির্বাচিত সরকারের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। আইএমএফও এই অবস্থানকে সম্মান জানিয়েছে।

    বৈঠকে আর্থিক খাত, ব্যাংকিং ব্যবস্থা, শেয়ারবাজার, রাজস্ব প্রশাসন, কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ভর্তুকি, ক্যাপাসিটি চার্জ এবং আর্থিক খাতের সুশাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারের সাম্প্রতিক সংস্কার উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছে আইএমএফ বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের প্রথম চার মাসেই আর্থিক খাতের সংস্কার, পুঁজিবাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং রাজস্ব আহরণে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে বলে আইএমএফ ইতিবাচক মূল্যায়ন করেছে। কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর সরকারি পরিকল্পনাও সংস্থাটি ইতিবাচকভাবে দেখছে।

    নতুন ঋণ কর্মসূচি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আলোচনা সন্তোষজনক পর্যায়ে থাকলেও এখনই অনুমোদনের নির্দিষ্ট সময় বলা সম্ভব নয়। আইএমএফ প্রতিনিধিদল মূল্যায়ন শেষে তাদের সুপারিশ ওয়াশিংটনে সদর দপ্তরে পাঠাবে। এরপর আগামী ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আইএমএফ-विश्वব্যাংকের বার্ষিক সভার পর সংস্থাটির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে এসে আনুষ্ঠানিক আলোচনা করবে।

    সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে বাংলাদেশ ৪ থেকে সাড়ে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন ঋণ কর্মসূচির আওতায় আসতে পারে।

    অর্থমন্ত্রী আরও জানান, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি। একইভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ভর্তুকি সংস্কারের বিষয়টি আলোচনায় এলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট শর্ত বা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ও আইএমএফের মধ্যে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি অনুমোদিত হয়। পরে সেটির আকার বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার করা হয়। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৩ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার ঋণের কিস্তি পেয়েছে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 10 hours আগে

    অর্থমন্ত্রী আইএমএফ ভ্যাট

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বাড়ছে বৈদ্যুতিক গাড়ি খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

    ২০২৯ সালে চালু হবে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর

    সবুজ কারখানায় নতুন মাইলফলকে বাংলাদেশ

    তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

    যে গণতান্ত্রিক রায় রক্তক্ষরণে পরিণত হয়েছিল: ১৯৭১-এর নির্মম বাস্তবতা

    রাজস্ব ঘাটতির কারণ খুঁজছে এনবিআর

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    হরমুজে শুল্ক আরোপের হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প

    দেশে ফেরার আগে বাংলার লোকগানে মুগ্ধ করলেন সানজয়

    মান্নাত নিয়ে আইনি লড়াইয়ে জয়, স্বস্তিতে শাহরুখ খান

    বাড়ছে বৈদ্যুতিক গাড়ি খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

    ২০২৯ সালে চালু হবে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর

    প্রকাশ পেল সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিকের ফার্স্ট লুক

    ঋণ আদায় আগের চেয়ে আশাব্যঞ্জক - এমডি
    বিডিবিএল আগের নামে ফিরছে

    সবুজ কারখানায় নতুন মাইলফলকে বাংলাদেশ

    তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

    একক ভ্যাট ও করপোরেট করহার চায় আইএমএফ

    যে গণতান্ত্রিক রায় রক্তক্ষরণে পরিণত হয়েছিল: ১৯৭১-এর নির্মম বাস্তবতা

    পুতুলের কণ্ঠে সৈয়দ রেজা আলীর নতুন মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘বেখেয়ালি মন’

    রাজস্ব ঘাটতির কারণ খুঁজছে এনবিআর

    শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সুখবর
    আরও সহজ হলো বিদেশে অর্থ পাঠানোর নিয়ম

    ৪ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিশ্ববাজারে তেলের দাম

    দামের কারসাজিতে আলোচিত পৌর কর্মচারী, অবশেষে বদলি

    ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনালের রেফারি কে এই ইভান বার্টন?

    প্রবৃদ্ধি আছে, কিন্তু রাজস্ব চাহিদার সঙ্গে তাল মিলছে না

    দ্বিতীয় অবস্থানেও গতি হারাচ্ছে পোশাক রফতানি

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত পণ্যে ২০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.