Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    গ্যাস সংকটে শিল্প উৎপাদন বাধাগ্রস্ত

    এপ্রিল ২৭, ২০২৫ ৩:২২ অপরাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দেশে গ্রীষ্মের শুরুতেই তাপমাত্রা যখন বাড়ছে— তখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চলগুলোতে। নারায়ণগঞ্জ, ধামরাই, মানিকগঞ্জ, সাভার ও গাজীপুরে যেখানে বেশিরভাগ রফতানিনিমুখী কারখানা অবস্থিত— গ্যাসের চাপ কখনোবা শূন্যে নেমে আসছে। গ্যাস সংকটে তাদের উৎপাদন কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়ছে। প্রায় ৪০০ গ্যাসনির্ভর কারখানা, প্রধানত বস্ত্র, সিরামিক ও স্টিল খাতে— এখন পূর্ণ ক্ষমতার অনেক নিচে চলছে। অনেক উদ্যোক্তাই জানান, ৭ থেকে ১৫ পিএসআইয়ের অনুমোদিত গ্যাস লোডের জন্য বিল দিয়েও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন তাঁরা। অথচ গ্যাসের চাপ তখন অনুমোদিত লোডের চেয়েও অনেক কমই পাওয়া যাচ্ছে।
    গাজীপুরের পোশাক কারখানা সাদমা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, রাতের শিফটে কাজ করে, বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা করেও আমরা ৪০ শতাংশ উৎপাদন সক্ষমতা রক্ষা করতে পারছি না। তিনি আরও জানান, "আগে যেখানে দৈনিক ৬০ টন সুতা তৈরি হতো, এখন তা নেমে এসেছে ১০ টনে। এই অবস্থায় কারখানা কার্যক্রম চালু রাখতে সাদমার মতো শিল্পকারখানাগুলো ডিজেল, এলপিজি ও সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) এর মতো বিকল্প জ্বালানিতে ঝুঁকছে। তবে এগুলো যেমন ব্যয়বহুল, তেমনি ক্রমবর্ধমান জ্বালানির ঘাটতি মেটাতেও যথেষ্ট নয়।
    গত দুই বছরে গ্যাসের দাম দুই দফায় বাড়ানোর পরেও দেখা যাচ্ছে গ্যাসের এই সংকট। প্রথমে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের আশ্বাস দিয়ে বাড়ানো হয়  ১৭৯ শতাংশ, তারপর আবারো একই প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০২৫ সালের চলতি এপ্রিল মাসে আরও ৩৩ শতাংশ বাড়ানো হয়। তবে কারখানা মালিকরা বলছেন, সব আশ্বাস সত্ত্বেও গ্যাস সরবরাহ আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে, কোনো লক্ষণ নেই উন্নতির।
    গাজীপুরের স্প্যারো অ্যাপারেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএ'র সাবেক পরিচালক শোভন ইসলাম বলেন, আমাদের আপত্তি সত্ত্বেও সরকার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে, কিন্তু সরবরাহ তো পাচ্ছি না। কোনো কোনো দিন মাত্র দুই ঘণ্টার মতো গ্যাস থাকে। সোমবার থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলার শিল্প উদ্যোক্তারাও একই অভিযোগ করছেন।
    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত মিথেলা টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মো. আজহার খান বলেন, আমাদের অনুমোদিত গ্যাসের প্রেশার ১৫ পিএসআই, কিন্তু গত পাঁচ মাস ধরে তা প্রায় শূন্যের কোটায়। এই ধরনের বিপর্যয় কোনো শিল্প খাতের পক্ষেই সহনীয় নয়।
    শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পের যন্ত্রপাতি সচল রাখতে অন্তত ৭ পিএসআই চাপের গ্যাস প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে গ্যাসের চাপ ১ থেকে ২.৫ পিএসআইয়ের মধ্যে ওঠানামা করছে, যা একেবারেই অপর্যাপ্ত। এই অবস্থায় বিকল্প জ্বালানির জন্য অনেক কারখানাই এখন সিএনজি কিনছে, এমনকী ধানের তুষ পুড়িয়েও বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।
    আজহার খান বলেন, আমরা যদি সরকার নির্ধারিত হারে গ্যাস পেতাম, তাহলে মাসিক জ্বালানি ব্যয় হতো প্রায় ৪ কোটি টাকা। কিন্তু এখন আমাদের খরচ হচ্ছে ৯ কোটি টাকা।
    এমন এক সময়ে এই গ্যাস–সংকট দেখা দিয়েছে, যখন বৈশ্বিক শিল্প খাত নানারূপী চ্যালেঞ্জের মুখে— যুক্তরাষ্ট্র-চীন শুল্কযুদ্ধ, ভোক্তা চাহিদা হ্রাস, মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বৃদ্ধির মতো চাপ একসঙ্গে সামলাতে হচ্ছে। স্থানীয় উদ্যোক্তারাও বলছেন, এসব সংকট একত্রে অনেক ব্যবসাকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে—ফলে ঋণ খেলাপি, কর্মী ছাঁটাই ও ভয়াবহ শিল্প মন্দার ঝুঁকি বাড়ছে।
    নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা যতটুকু সামলাতে পারি, তারও সীমা আছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে অনেক কারখানাই হয় সাময়িকভাবে, নয়তো স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে। অসহনীয় লোকসানে জর্জরিত মালিকরা আশঙ্কা করছেন, আর্থিক চাপের মধ্যে ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে। জানা গেছে, গ্যাস–সংকট, বৈশ্বিক চাহিদার পতন ও উৎপাদন ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের অন্তত ২০টি টেক্সটাইল মিল বিক্রির প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
    দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পাঞ্চল— গাজীপুরের কারখানাগুলোর দৈনিক ৬০০ থেকে ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস (এমএমসিএফডি) প্রয়োজন হয়।
    কিন্তু সরবরাহ সীমাবদ্ধ রয়েছে মাত্র ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে, জানিয়েছেন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী ফারুক। তিনি বলেন, চাহিদা সরবরাহের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই (গ্যাসের) প্রেশার কম থাকে। পেট্রোবাংলা'র তথ্যমতে, বর্তমানে দেশের মোট গ্যাস চাহিদা ৩,৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, অথচ সরবরাহ মাত্র ২,৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
    পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ ছিল ১,০৫০ এমএমসিএফডি। শীতে চাহিদা কম থাকায় সরবরাহেরও প্রয়োজন কমে যায়। কিন্তু এখন গ্রীষ্মে চাহিদা বেড়েছে, অথচ সরবরাহ সেই আগের মতোই আছে—ফলে ঘাটতিটা প্রকট হয়েছে। এর ওপর চলমান ডলার সংকটের কারণে আমাদের গ্যাস আমদানির সামর্থ্যও সীমিত হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, (গ্যাসের) স্থানীয় উৎপাদন না বাড়ানো পর্যন্ত এই সংকট সহজে কাটবে না। তবে তিনি কিছুটা আশার কথা জানিয়ে বলেন, এ মাসের শেষ নাগাদ দেশীয় উৎস থেকে ২৮ এমএমসিএফডি গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে, এবং মে মাসে আরও কিছু পরিমাণ গ্যাস যোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
    উৎপাদন খরচ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সংকটে পড়েছে দেশের টেক্সটাইল শিল্প। উদ্যোক্তারা বলছেন, ২০২৩ সালের শুরুতে হঠাৎ করেই গ্যাসের দাম দ্বিগুণ হওয়া, এর পরপরই নতুন মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের চাপ—এইসব মিলিয়ে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাদের উৎপাদনের খরচ বেড়েছে বহুগুণ। সে তুলনায় তাদের পণ্যের বিক্রয়মূল্য যথাযথ হারে না বাড়ায়—ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান টেক্সটাইল মিল মালিকরা।
    বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১,৮৫৪টি টেক্সটাইল কারখানা রয়েছে, যেখানে মোট বিনিয়োগ প্রায় ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রায় ৯০০টি কারখানা গ্যাসনির্ভর।
    টেক্সটাইল শিল্প স্থাপনে বিপুল বিনিয়গের প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে স্পিনিং মিলগুলোর ক্ষেত্রে— যেখানে মূলধনের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা থেকে শুরু করে ১,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। ফলে যেসব কারখনা মালিক বড় অংকের ব্যাংক ঋণ করেছনে, তারা এখন এই আর্থিক দায় নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
    ইসরাক স্পিনিং মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল হক বলেন, আমরা এখন প্রায় ৪০ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদন চালাচ্ছি। অথচ দৈনিক ১৮০ টন সুতা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে আমাদের কারখানায়। এই মুহূর্তে আমি কোনোভাবে ব্যাংকের কিস্তি দিচ্ছি, কিন্তু এভাবে চলতে থাকলে সেটি ধর রাখতেও পারব না" – তিনি সতর্ক করেন।
    এনজেড টেক্সটাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালেউধ জমান খান জিতু বলেন, ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন আর অন্যান্য খরচ কীভাবে ম্যানেজ করব, সেটা আমি কল্পনাও করতে পারছি না। ●
    অকা/জ্বা/ই/সকাল, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.