Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    চাপে নিত্যপণ্যের বাজার

    এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণUpdated:এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন
    পরিবহন ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি, মৌসুম শেষ হওয়া এবং সরবরাহ কমে যাওয়ার যৌথ প্রভাবে রাজধানীর বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। অধিকাংশ সবজিই এখন ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সয়াবিন তেলের দীর্ঘস্থায়ী সংকট, যা নিত্যপণ্যের বাজারে ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

    শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর নিউ মার্কেট, লালবাগ ও হাতিরপুলের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, গত দুই সপ্তাহ ধরে সবজির বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। তবে এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান কোনো বাজার তদারকি কার্যক্রম চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ করছেন ক্রেতারা।

    বাজার ঘুরে দেখা যায়, পটল প্রতি কেজি ১০০ টাকা, কাঁকরোল ১৬০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, ঝিঙা, ধুন্দল, করলা ও শসা—সবই ১০০ টাকার ঘরে। বরবটি ও চিচিংগাও ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক কম দামের সবজির মধ্যেও স্বস্তি নেই—মূলা, টমেটো ও ঢ্যাঁড়শ ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউ প্রতি পিস ৬০-৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

    হাতিরপুল বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রায় প্রতিটি সবজির দামই অস্বাভাবিক। তার ভাষায়, “বেশিরভাগ সবজি ১০০ টাকার ওপরে, বাকি গুলোও ৮০ টাকার নিচে নয়। খুব কম সংখ্যক সবজি ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। সব মিলিয়ে বাজার পরিস্থিতি ক্রেতাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে।” তিনি অভিযোগ করেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে দাম বাড়লেও বাজার মনিটরিংয়ের কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

    অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি, এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ সরবরাহ সংকট। হাতিরপুলের এক সবজি বিক্রেতা জানান, বেশ কয়েকটি সবজির মৌসুম শেষ হয়ে গেছে, ফলে নতুন সরবরাহ বাজারে আসার আগ পর্যন্ত দাম বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাইকারি বাজারেই বাড়তি দামে কিনতে হওয়ায় খুচরা পর্যায়ে দাম আরও বেড়ে যাচ্ছে।

    সবজির এই ঊর্ধ্বগতির মধ্যে তেলের বাজারে পরিস্থিতি আরও অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সত্ত্বেও রাজধানীর অধিকাংশ মুদি দোকানে সয়াবিন তেলের সংকট কাটেনি। অনেক দোকানেই তেল প্রকাশ্যে রাখা হচ্ছে না; পরিচিত ক্রেতা না হলে ‘তেল নেই’ বলে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও আবার শর্তসাপেক্ষে তেল বিক্রি করা হচ্ছে—যেমন নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল কিনতে হলে অতিরিক্ত পণ্য কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

    লালবাগের বাসিন্দা ইসহাক মিয়ার অভিজ্ঞতা আরও ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে। তিনি জানান, কয়েকটি দোকান ঘুরেও তেল না পেয়ে শেষে পরিচিত এক দোকান থেকে অপেক্ষা করে গোপনে ৫ লিটারের একটি বোতল কিনতে হয়েছে, যার দাম নেওয়া হয়েছে ৯৫৫ টাকা।

    নিউ মার্কেট ও হাতিরপুলেও একই চিত্র দেখা গেছে। সয়াবিন তেলের সংকটের কারণে অনেক ক্রেতা বিকল্প হিসেবে সরিষার তেলের দিকে ঝুঁকছেন।

    এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দেয়। কিন্তু এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেই সিদ্ধান্তের বাস্তব প্রতিফলন বাজারে দেখা যাচ্ছে না।

    তবে নিত্যপণ্যের সব খাতে চাপ সমান নয়। বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে, প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম কিছুটা কমে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকায় নেমেছে, যা আগে ৪৫০ টাকায় উঠেছিল। ডিমের দামও ১১৫ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।

    অন্যদিকে ঈদের সময় বেড়ে যাওয়া গরুর মাংসের দাম এখনো উচ্চ পর্যায়েই রয়েছে। প্রতি কেজি ৮৫০ টাকায় বিক্রি হলেও দরদাম করে কিছু ক্ষেত্রে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে কেনা যাচ্ছে।

    সব মিলিয়ে, সরবরাহ সংকট, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার সমন্বয়ে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হচ্ছে—যার প্রধান চাপ বহন করতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদেরই।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 months আগে

    নিত্যপণ্য বাজার সবজি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিনেত্রী স্নিগ্ধার মারধরের অভিযোগ

    ইএসডিওর গবেষণা প্রতিবেদন
    বাজারের ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক

    গ্যাস সংকট: এবার তিতাস এর দুঃখ প্রকাশ

    গ্যাস সংকট: পেট্রোবাংলার দুঃখ প্রকাশ

    ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে কারাগারে প্রিন্স মামুন

    মোদির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে আন্দোলন, দিল্লিতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নতুন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ প্রশাসনকে কার্যকর করা

    ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক : তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ১০ আগস্ট

    ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এমইপি হাই-টেক

    সকালটা হোক প্রশান্তির

    ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে লিবিয়া

    পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং পণ্য উৎপাদনে ব্র্যাক

    ১০ লাখ টাকার ঋণ সুবিধা পাবেন তরুণ উদ্যোক্তারা

    লেনদেন সহজ হলো ফ্রিল্যান্সারদের

    মিউজিক থেরাপি: মানসিক চাপ কমায়; ঘুম বাড়ায়

    হাম উপসর্গে একদিনে ৪ মৃত্যু

    টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়ন
    বাংলাদেশের প্রয়োজন আরও ৪২১ বিলিয়ন ডলার

    ডিজিটাল বাণিজ্য নীতিমালা; বাড়বে রাজস্ব আদায়

    ব্যাংক কর্মকর্তাদের মামলা নিষ্পত্তি দুই মাসে

    সূর্যবংশীর তাণ্ডবে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল ভারত

    আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিনেত্রী স্নিগ্ধার মারধরের অভিযোগ

    ভারতের রিয়্যালিটি শোতে বিশেষ অতিথি জয়া আহসান

    ফের চালু হলো ঢাকা-নারিতা বিমানের ফ্লাইট

    একশ কোটির ক্লাবে বিজয়ের ‘জন নায়গন’

    ব্র্যান্ডের আড়ালে নকল পণ্য
    এসিআই-আফতাবসহ ৭ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.