Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ডলারের বাজারে অস্থিরতা

    এপ্রিল ২৮, ২০২২ ৮:০১ পূর্বাহ্ণ10
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ডলারের চাহিদা বাড়তে থাকায় সম্প্রতি ডলারের দামে বেশ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এতে আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে টাকার বিপরীতে ডলারের দামও গিয়ে ঠেকেছে সর্বোচ্চে। এ সংকট সামাল দিতে প্রতিদিন ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংককে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে,  চাহিদা অনুযায়ী ডলারের জোগান কমে গেছে দেশের মুদ্রাবাজারে। এমন পরিস্থিতিতে আমদানি দায় পরিশোধে কোনও ব্যাংক যেন সমস্যায় না পড়ে সেজন্য ডলার বিক্রি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া বিলাসপণ্য আমদানি নিয়ন্ত্রণসহ আরও কিছু নীতি নির্ধারণী পদক্ষেপও নিয়েছে গত কয়েকদিনে।

    গত ১১ এপ্রিল এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জরুরি ছাড়া অন্য পণ্য আমদানিতে এলসি খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিন হার ন্যূনতম ২৫ শতাংশ সংরক্ষণের নির্দেশনা দিয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা অবশ্য বলছেন, টাকার বিপরীতে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্ক পদক্ষেপেও কাজে আসছে না। অর্থাৎ আন্তঃব্যাংক লেনদেনে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বেড়েই চলেছে। ব্যাংক কিংবা খোলা বাজারে নগদ ডলার কিনতে এখন গুনতে হচ্ছে ৯২ টাকার মতো।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডলার বিক্রির মাধ্যমে বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি আন্তঃব্যাংকে মৌখিকভাবে ডলার ঠিক করে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এলসি খোলার জন্য বর্তমানে প্রতি ডলারের দাম ৮৬ টাকা ২০ পয়সায় ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। গত আগস্টের শুরুতে যেখানে আন্তঃব্যাংকে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায়।

    ব্যাংকাররা বলছেন, কোভিড মহামারি পরবর্তী আমদানি বাড়তে থাকার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত ডলার ব্যয় হচ্ছে। এর সঙ্গে বিদেশ ভ্রমণ ও শিক্ষা ব্যয়ের জন্যও ডলারের চাহিদা বেড়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের  তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে আমদানি ব্যয় পরিশোধ করা হয়েছে ৮৩২ দশমিক ৪৮ কোটি ডলার, যা এক বছর আগের একই মাসের তুলনায় প্রায় ৪৯ দশমিক ৬১ শতাংশ বেশি।

    এদিকে দেশে পণ্য আমদানির ঋণপত্র বা এলসি খোলার পরিমাণ বাড়ছে অস্বাভাবিকভাবে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ৬ হাজার ৮৩৬ কোটি ১৮ লাখ (৬৮.৩৬ বিলিয়ন) ডলারের এলসি খুলেছেন ব্যবসায়ীরা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ  টাকার অঙ্কে চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ২৬৩ কোটি টাকার এলসি খুলেছেন ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা। এই অঙ্ক চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের কাছাকাছি।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমদানি ব্যয় বৈদেশিক মুদ্রার জোগানে চাপ তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে আমদানির লাগাম টানার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

    এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রফতানি ও রেমিট্যান্স   বাড়লেও আমদানি ব্যয় তার চেয়ে বেশি হচ্ছে।

    আমদানি বেড়ে যাওয়ার কারণেই ডলারের চাপ বেড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন,  রফতানি করতেও আমাদের আমদানি করতে হয়। ভোগ্যপণ্যের জন্যও আমদানি করতে হয়। তিনি মনে করেন, উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়া আর কোনও পথ নেই।

    বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর  বলেন, এখন থেকেই অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে সরকার ও দেশের সব ধরণের মানুষকে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, যে করেই হোক আমদানি কমাতে হবে। এছাড়া এখন আর অন্য কোনও পথ খোলা নেই।

    ব্যাংক কর্মকর্তারা ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন ধারাবাহিকভাবে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। এ প্রসঙ্গে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বৃদ্ধির সরাসরি এর প্রভাব পড়েছে আমদানিতে।  আর এ কারণে বাড়ছে পণ্যের ব্যয়। জিনিসপত্রের দাম সে কারণেই বেড়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, জিনিসপত্রের দাম বাড়ার পাশাপাশি চিকিৎসাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে বিদেশ যেতে যাদের নগদ ডলারের প্রয়োজন তাদেরও গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-মার্চ সময়ে এলসি খুলতে সবচেয়ে বেশি বিদেশি মুদ্রা খরচ হয়েছে রফতানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্পের কাঁচামাল কাপড় ও অন্য পণ্য আমদানিতে। এর পরিমাণ ৯৬৬ কোটি ৬০ লাখ (৯.৬৬ বিলিয়ন) ডলার, গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে যা ৪৩ দশমিক ৩১ শতাংশ বেশি।

    সুতা আমদানির এলসি খোলা হয়েছে ৩৮৭ কোটি ৬ লাখ ডলারের আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেশি। তুলা ও সিনথেটিক ফাইবার আমদানির এলসি খোলা হয়েছে ৩৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলারের। ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ৩৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

    রাসায়নিক দ্রব্য ও সার আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে ৪১৮ কোটি ১৮ লাখ ডলার। ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। এ ছাড়া ওষুধের কাঁচামালের এলসি খোলা হয়েছে ৯১ কোটি ৯২ লাখ ডলারের। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ২০ দশমিক ২৫ শতাংশ।

    শিল্পের মধ্যবর্তী কাঁচামাল আমদানির জন্য ৬৩৫ কোটি ৫১ লাখ ডলারের এলসি খুলেছেন ব্যবসায়ীরা। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৯ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বেশি।

    মূলধনি যন্ত্রপাতি বা ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানির জন্য ৪০৭ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের এলসি খুলেছেন ব্যবসায়ী। যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে ৪৯ শতাংশ। শিল্পের মধ্যবর্তী পণ্যের জন্য এলসি খোলা হয়েছে ৫৫৪ কোটি ৮৩ লাখ ডলার; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫৫ দশমিক ৭২ শতাংশ। জুলাই-মার্চ সময়ে জ্বালানি তেল আমদানির জন্য ৩১৯ কোটি ১৯ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। বেড়েছে  ১২৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মধ্যে গম আমদানির এলসি খোলা হয়েছে ১৭৩ কোটি ৯২ লাখ ডলার। আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে   ৪২ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি।

    চিনি আমদানির এলসি খোলা হয়েছে ৮৭ কোটি ৫৪ লাখ ডলারের। প্রবৃদ্ধি ৭৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ। ভোজ্যতেল আমদানির এলসি খোলা হয়েছে ১৬২ কোটি ৭১ লাখ ডলারের; বেড়েছে ৫৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ ছাড়া অন্যান্য পণ্য ও শিল্প যন্ত্রপাতি আমদানির এলসি খোলা হয়েছে ১ হাজার ৮২০ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের।  অর্থাৎ এক্ষেত্রে আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৩৫ শতাংশ।

    একদিকে ডলারের চাহিদা মেটাতে বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ৩৯ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া সম্প্রতি বেড়েছে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা। অন্যদিকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তরা টাকা ফেরত দিতে পারেনি। তারল্য সংকটের চিত্র দেখা যায়, কল মানি মার্কেটে। বর্তমানে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সুদে যা লেনদেন হচ্ছে। গত মাসের শেষ দিনে গড়ে ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ সুদ ছিল। চলতি বছরের শুরুর দিকে কলমানিতে লেনদেন ও সুদহার ছিল অনেক কম। বছরের প্রথম কর্মদিবস ২ জানুয়ারি কল মানি মার্কেটে সুদহার ছিল গড়ে ২ দশমিক ৭২ শতাংশ থেকে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে টানাটানির কারণে অনেক ব্যাংক এখন আগের মতো সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে টাকা খাটাতে চাইছে না। যে কারণে কলমানির পাশাপাশি ট্রেজারি বিলের সুদহারও বাড়তির দিকে।

    #

    অকা/ব্যাংখা/দুপুর, ২৮ এপ্রিল, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    ডলারের বাজারে অস্থিরতা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.