Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আয় কমেছে

    জুলাই ২২, ২০২৩ ৫:১০ পূর্বাহ্ণUpdated:জুলাই ২২, ২০২৩ ৫:১০ পূর্বাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দেশের পুঁজিবাজারের ব্যাংক খাতের বেশিরভাগ কোম্পানি সর্বশেষ ২০২২ হিসাব বছরে বিগত বছরের থেকে ভালো লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এছাড়া অনেক কোম্পানি বোনাসের সঙ্গে নগদ লভ্যাংশও দিয়েছে। এতে দেখা গেছে, গত বছরের লভ্যাংশ দেয়ার বিপরীতে ব্যাংক খাতের কোনো কোম্পানির লভ্যাংশ ফলন বা ডিভিডেন্ড ইল্ড ১০ শতাংশ হয়নি। বেশিরভাগ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ইল্ড ৫ শতাংশের নিচে। আর ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে মাত্র তিনটি কোম্পানির। এদিকে সবচেয়ে কম ডিভিডেন্ড ইল্ড পাঁচ ব্যাংকের। যাদের শেয়ার দামের বিপরীতে লভ্যাংশ দেয়ার হার তিন শতাংশের নিচে।

    ডিভিডেন্ড ইল্ড হচ্ছে কোনো শেয়ারের দামের বিপরীতে কোম্পানি যে নগদ লভ্যাংশ দেয় তার শতকরা হার। সে হিসাবে বলা চলে আলোচিত পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আয় কম হয়েছে। সে পাঁচটি ব্যাংক হচ্ছেÑব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক এবং ট্রাস্ট ব্যাংক। গত বছর নগদ লভ্যাংশ দেয়নি ছয়টি ব্যাংক। সেগুলো হচ্ছেÑএবি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, মিডল্যাংন্ড ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংক।

    তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ব্র্যাক ব্যাংক গত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে; যা ১০ টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা ৫০ পয়সা। এ সময় ব্যাংকটির রেকর্ড ডেট অনুসারে শেয়ারের দর ছিল ৩৮ টাকা ৫০ পয়সা। সে হিসাবে ২০২২ সালে ব্যাংকটির শেয়ারে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৯ শতাংশ। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ২০২২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে; যা ১০ টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা ৭৫ পয়সা। ব্যাংকটির রেকর্ড ডেট অনুসারে শেয়ারের দর ছিল ৬৩ টাকা ৫০ পয়সা। সে হিসাবে গত বছর আলোচ্য ব্যাংকটির শেয়ারে আয় দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮০ শতাংশ। এরপর আইএফআইসি ব্যাংক গত বছর শেয়ারহোল্ডারদের ২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে; যা ১০ টাকা শেয়ারের বিপরীতে মাত্র ২৫ পয়সা। রেকর্ড ডেট অনুসারে ব্যাংকটির শেয়ারের দর ছিল ১১ টাকা ৫০ পয়সা। সে হিসাবে ২ দশমিক ২০ শতাংশ আয় দাঁড়ায় ব্যাংকটির শেয়ারে।

    এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ২০২২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে; যা ১০ টাকা শেয়ারের বিপরীতে ২৫ পয়সা। ব্যাংকটির রেকর্ড ডেট অনুসারে শেয়ারের দর ছিল ৮ টাকা ৮০ পয়সা। সে হিসাবে ব্যাংকটির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আয় দাঁড়ায় ২ দশমিক ৮০ শতাংশ। গত বছর ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের দেয় ট্রাস্ট ব্যাংক; যা ১০ টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা। রেকর্ড ডেট অনুসারে ব্যাংকটির শেয়ারের দর ছিল ৩৪ টাকা ৯০ পয়সা। সে হিসাবে ২ দশমিক ৯০ শতাংশ আয় হয়েছে ব্যাংকটির শেয়ারে।

    বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিনিয়ত খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি ও নানা অনিয়মের ফলে ব্যাংক খাতের ওপর মানুষের অনাস্থা বেড়েই চলেছে। এতে মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখা কমিয়ে দিচ্ছে বলে জানা গেছে। দেখা গেছে, ব্যাংকে আমানত আহরণের থেকে ঋণ বিতরণ হার বেশি। সেই সঙ্গে প্রতি বছরেই খেলাপি ঋণ বেড়ে চলেছে। যার লাগাম নানা সুবিধা দিয়েও কোনোভাবেই টেনে ধরা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় ব্যাংকে তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে। এতে ব্যবসা কম হচ্ছে ব্যাংকগুলোর।

    তারা বলেন, ব্যাংকগুলোর সুদ থেকে আয় বৃদ্ধি পেলেও পরিচালন ও সার্বিক খরচ শেষে মুনাফার হার কমে যাচ্ছে। এছাড়া ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধন বেশি হওয়ায় শেয়ার সংখ্যাও বেশি। ফলে ব্যাংকগুলোর বছর শেষে শেয়ারপ্রতি খুব বেশি আয় হচ্ছে না। যে কারণে ব্যাংকগুলো খুব বেশি নগদ লভ্যাংশ দিতে পারছে না। এতে শেয়ারপ্রতি ১০ শতাংশ বা কিছুটা বেশি নগদ লভ্যাংশ দিলেও শেয়ারের দামের তুলনায় তা ১০ শতাংশ থেকে কম হচ্ছে। যেখানে অন্যান্য খাতের অনেক কোম্পানির শেয়ারের দামের বিপরীতে এই হার ১০ শতাংশের বেশি হয়। এদিকে ব্যাংকগুলোর শেয়ারের দামও খুব বেশি বৃদ্ধি পায় না। এ খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দাম ৫০ টাকার নিচে এবং বর্তমানে বেশিরভাগ শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে দিনের পর দিন আটকে থাকছে। কিন্তু এরপরও শেয়ারপ্রতি ১০ শতাংশ আয় করতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। যদি এই খাতের শেয়ারে আয় ভালো হতো, তবে শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের চাহিদার সঙ্গে  দামও বৃদ্ধি পেত। তাই খেলাপি ঋণ কমিয়ে এবং অনিয়ম দূর করে ব্যাংক খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরাতে হবে। তবে ব্যাংক খাতে তারল্য বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যাংকের ব্যবসা ভালো হবে। সেই সঙ্গে বছর শেষে ভালো লভ্যাংশের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আয় বাড়বে বলে জানান তারা।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশের ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার সাড়ে চার শতাংশেরও কম। তবে জুন শেষে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির তুলনায় সুদহার কম হওয়ায় প্রকৃতপক্ষে আমানতের মূল্য বছর শেষে কমে যাবে। তবে ইল্ড কম হওয়ায় কিছু ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও স্বস্তি নেই বিনিয়োগকারীদের।

    ডিভিডেন্ড ইল্ড নিয়ে ইয়াহু ফাইন্যান্সের ভাষ্যমতে, কোনো কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের আয়ের যে অংশ দেয় তা হলো লভ্যাংশ। এটি সাধারণত শেয়ারপ্রতি আয় প্রকাশ করে। তবে বিভিন্ন কোম্পানির লভ্যাংশের হারের মধ্যে তুলনায় ব্যবহার করা হয় ইয়েল্ড বা প্রকৃত মুনাফা। এক্ষেত্রে লভ্যাংশকে শেয়ার মূল্য দিয়ে ভাগ করে প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করা হয়।

    ইয়েল্ডের গ্রহণযোগ্য কোনো হার না থাকলেও বাজারের অন্যান্য কোম্পানির সঙ্গে তুলনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে ইয়াহু বিজনেস। তবে মূল্যস্ফীতি ও ব্যাংক সুদের হারের চেয়ে বেশি ইয়েল্ডকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অকা/পুঁবা/সকাল, ২২ জুলাই, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আয় কমেছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.