Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের অর্থনীতি

    জুলাই ৪, ২০২৪ ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের অর্থনীতি। নতুন অর্থবছরে দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে প্রধান চারটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সামনে এগোতে হবে। এগুলো হচ্ছে- মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতিতে লাগাম টানা, ডলার সংকট মোকাবিলা করে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং রাজস্ব আয় বাড়ানো। দেশে চলমান অর্থনৈতিক মন্দার কারণে এসব খাতে লক্ষ্য অর্জন বেশ চ্যালেঞ্জিং।

    সদ্য বিদায়ি অর্থবছরেও খাতগুলোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এমনকি অর্থবছরের মাঝপথে অর্থাৎ গত জানুয়ারিতে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েও তা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

    সূত্র জানায়, এসবের পাশাপাশি আরও কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে আইএমএফ-এর শর্তের বাস্তবায়ন এবং এর প্রভাব মোকাবিলা। বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে আস্থার সঞ্চার করা, রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, রফতানি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক থেকে ইতিবাচক অবস্থায় আনা। এছাড়া টাকা পাচার রোধ এবং হুন্ডির প্রভাব কমানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ১৫ মাস ধরে মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের ওপরে অবস্থান করছে। এত লম্বা সময় মূল্যস্ফীতি মাত্রাতিরিক্ত হারে থাকায় অর্থনীতিতে বড় ক্ষতের সৃষ্টি করেছে। যার দায় বেশির ভাগই পড়ছে স্বল্প ও মধ্য-আয়ের ভোক্তার ওপর। বিভিন্ন সময় এ হার কমানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও তা অর্জিত হয়নি। উলটো বেড়েই চলেছে। গত বছরের মার্চে মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের ঘর অতিক্রম করে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশে ওঠে। এরপর থেকে গত মে পর্যন্ত এ হার সামান্য ওঠানামা করে ৯ শতাংশের ওপরেই অবস্থান করেছে। কখনো ডাবল ডিজিটের কাছাকাছি চলে গেছে। মেতে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশে। চলতি অর্থবছরে এ হার সাড়ে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাজারে টাকার প্রবাহ কমাতে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে ছাপানো টাকায় সরকারকে ঋণের জোগানও বন্ধ করেছে। পাশাপাশি ছাপানো টাকায় গঠিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন তহবিলের আকারও ছোট করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উৎপাদন খাতে টাকার প্রবাহ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

    দুই বছর ধরে দেশে ডলার সংকট চলছে। এ কারণে আমদানি যেমন সংকুচিত করা হয়েছে, তেমনই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও কমেছে। পাশাপাশি ডলারের দাম বেড়ে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে। দুই বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার প্রায় ৩২ থেকে ৫৩ শতাংশ অবমূল্যায়ন হয়েছে। দুই বছর ধরেই আমদানি কমেছে গড়ে ১৮ শতাংশ করে। ২০২২ সালের আগস্টে এক মাসে সর্বোচ্চ ৯৫০ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল। এখন তা কমে প্রতিমাসে গড়ে খোলা হচ্ছে ৪৭০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার এলসি। এভাবে ডলারের ওপর চাপ কমানো হচ্ছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্স ও রফতানি বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১১ শতাংশ। রফতানি আয় মে পর্যন্ত বেড়েছে ২ শতাংশ। গত মে মাসে এ খাতে আয় কমেছে ১৬ শতাংশ। তবে রফতানি শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বাড়তে শুরু করেছে। আগামী দিনে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে রফতানি আয়ে। 

    বিশ্বব্যাংক সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ঝুঁকির মুখে রয়েছে। চলতি বছরে ৩ শতাংশের কম বাড়বে রেমিট্যান্স। গত বছর ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। এছাড়া বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ রয়েছে। গত মে থেকে ক্রলিং পেগ পদ্ধতি চালু করে ডলারের দাম একদিনে ৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আইএমএফ-এর শর্ত অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যে ডলারের বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু করতে হবে। তখন এর দাম আরও বেড়ে গিয়ে টাকার মান কমিয়ে দেবে। আইএমএফ-এর মতে, বাংলাদেশের টাকা অতিমূল্যায়িত। এর মান আরও কমাতে হবে।

    এ প্রসঙ্গে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, আগের চ্যালেঞ্জগুলো তো রয়েই গেছে। মূল্যস্ফীতি, ডলার সংকট, বিনিয়োগ বাড়ানো ও রাজস্ব আয় বাড়ানো। এগুলোর পাশাপাশি এলডিসি থেকে উত্তরণের ফলে ২০২৬ সাল থেকে আরও কিছু চ্যালেঞ্জ আসবে। সেগুলোও এখন থেকে মোকাবিলা করতে হবে। অর্থ পাচার, হুন্ডি, খেলাপি ঋণ- এগুলোও চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখা দেবে। এ অর্থবছরেও সরকারকে খুব সতর্কতার সঙ্গে এগোতে হবে। বাড়াতে হবে বিনিয়োগ। নজর রাখতে হবে সুদের হার যাতে বেশি না বাড়ে। ডলারের প্রবাহ বাড়িয়ে টাকার মানকে স্থিতিশীল রাখাটা জরুরি।

    চলতি মাসের শেষদিকে আগাম মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আইএমএফ-এর শর্তে এতে বাজারে টাকার প্রবাহ কমানোর নীতি গ্রহণ করা হবে। ফলে ঋণের সুদের হার আরও বাড়বে। ব্যাংকে তারল্যের প্রবাহও কমবে। ফলে ঋণের খরচ বেড়ে যাবে।

    একদিকে ডলারের দাম, ঋণের সুদ, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ব্যবসায় খরচ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। কিন্তু অর্থনৈতিক মন্দায় মানুষের আয় বাড়ছে না। উলটো মূল্যস্ফীতির হার বাড়ার কারণে আরও কমে যাচ্ছে। এতে ভোক্তার ভোগের সক্ষমতা কমেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়ে উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন না। ফলে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা যেমন কমছে, তেমনই ব্যাংক খাতে তারল্য সংকটের কারণে জোগানও কমেছে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগও কমেছে। ফলে উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। বেকারদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কর্মসংস্থান হচ্ছে না।

    এদিকে চলতি অর্থবছরের মুদ্রানীতিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর মধ্যে শিল্প খাতে ডলারের জোগান, কম সুদে ঋণ বিতরণ এবং অন্যান্য নীতিসহায়তা দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে মুদ্রানীতিতে বেশকিছু পদক্ষেপ থাকছে। তবে তা কতটুকু অর্জন করা সম্ভব, সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ, বিদায়ি অর্থবছরের মুদ্রানীতির বেশির ভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

    অর্থনৈতিক মন্দা, বিনিয়োগ হ্রাস, ডলার সংকট ও সংকোচনমুখী মুদ্রানীতির কারণে আমদানি যেমন কমেছে, তেমনই সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতিও কম। ফলে সরকারের রাজস্ব আহরণও কম হচ্ছে। কয়েক বছর ধরে রাজস্ব আয় কম হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না। এতে সরকারের ব্যয় যেমন কমেছে, তেমনই কমেছে বিনিয়োগও। রাজস্ব আয় না বাড়ায় সরকারকে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে। ব্যাংকগুলোয় তারল্য সংকট থাকায় চাহিদা অনুযায়ী সরকারকে ঋণের জোগানও দিতে পারছে না। মূল্যস্ফীতি বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ছাপানো টাকায়ও ঋণ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সরকারের আর্থিক সংকট প্রকট হচ্ছে। এ সংকট কাটাতে সরকার বিভিন্ন সেবার মূল্য ও ফি বাড়াচ্ছে। এতে ভোক্তার ওপরও চাপ বাড়ছে। 

    সম্প্রতি প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহে বাধা, দেশীয় মুদ্রার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন, সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের দাম কমলেও বাংলাদেশ এর সুবিধা পাচ্ছে না। অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দামের ঊর্ধ্বমুখী সমন্বয় এবং বাজার ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে মূল্যস্ফীতির হার বাড়ছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির এসব উপকরণের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে রয়েছে শুধু টাকার মান স্থিতিশীল রাখার বিষয়টি। বাকিগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষে এককভাবে মূল্যস্ফীতির হার কমানো সম্ভব নয়। এজন্য সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে।

    আইএমএফ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এখন বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সামনে এগোতে হচ্ছে। অর্থনীতিকে করোনা মহামারির আগের অবস্থায় নিতে আরও দুই বছর অপেক্ষা করতে হবে। ●

    অকা/প্র/সৈই/সকাল/৪ জুলাই, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

     

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.