Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাজেটের আকার যত বাড়ছে ততই বাড়ছে সরকারের ঋণের পরিমাণ

    অক্টোবর ৩১, ২০২৩ ৪:০৭ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    রাজস্ব আদায়ে নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধি সরকারের ব্যয় নির্বাহে চাপ বাড়াচ্ছে। এতে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ করে চলতে হচ্ছে সরকারকে। কখনও এ ঋণ নেয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে, কখনও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে। কখনও বা সঞ্চয়পত্র বিক্রির মাধ্যমে সরাসরি জনগণের থেকেও ঋণ বাড়াচ্ছে সরকার। এ ছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদেশি ঋণও নেয়া হচ্ছে। বাজেটের আকার যত বাড়ছে, ঋণের পরিমাণও তত বাড়ছে।

    মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতেও ঋণের পরিমাণ বাড়ছে বছর বছর। এতে পাঁচ বছরেই সরকারের ঋণ বেড়ে দ্বিগুণ ছাড়িয়ে যাবে বলে প্রাক্কলন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থ বিভাগের এক প্রতিবেদনে তা উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছর সরকারের ঋণ দাঁড়াবে দুই দশমিক ১৩ গুণ বা ২১৩ শতাংশ।

    প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ২০২০-২১ অর্থবছর সরকারের ঋণের পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেয়া ঋণের পরিমাণ ছিল সাত লাখ ২৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা আর বিদেশি ঋণ ছিল চার লাখ ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। পরের অর্থবছর সরকারের ঋণ বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকায়। অর্থাৎ ২০২১-২২ অর্থবছর সরকারের ঋণ বেড়েছে এক লাখ ৯৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। ওই অর্থবছর শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ ছিল আট লাখ ৪৭ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ও বিদেশি ঋণ চার লাখ ৯১ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

    ২০২২-২৩ অর্থবছর সরকারের ঋণ আরও বেড়ে দাঁড়ায় (সাময়িক হিসাব) ১৫ লাখ ৭৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এ হিসাবে গত অর্থবছর বিদেশি ঋণ বেড়েছে দুই লাখ ৩৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। গত অর্থবছর শেষে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের নেয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ লাখ ৯৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকা আর বিদেশি ঋণ পাঁচ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

    এদিকে আগামী তিন অর্থবছরের জন্যও সরকারের ঋণ প্রক্ষেপণ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে চলতি অর্থবছর শেষে সরকারের ঋণ বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছর সরকারের ঋণ বাড়তে পারে দুই লাখ ৫৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছর শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ দাঁড়াতে পারে ১১ লাখ ৩৯ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ও বিদেশি ঋণ ছয় লাখ ৯৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

    প্রক্ষেপিত হিসাব অনুযায়ী, আগামী অর্থবছর শেষে সরকারের ঋণ দাঁড়াতে পারে ২১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছর সরকারের ঋণ বাড়তে পারে দুই লাখ ৮৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এ হিসাবে আগামী অর্থবছর শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ দাঁড়াতে পারে ১৩ লাখ সাত হাজার ১০০ কোটি টাকা ও বিদেশি ঋণ আট লাখ ১০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।

    এদিকে আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে সরকারের ঋণের প্রক্ষেপণ করা হয়েছে ২৪ লাখ ৩৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ওই অর্থবছর সরকারের ঋণ বাড়তে পারে তিন লাখ ২০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এ হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ দাঁড়াতে পারে ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা ও বিদেশি ঋণ ৯ লাখ ৪১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছর সরকারের ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৩২ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ। এক্ষেত্রে ২০২০-২১ অর্থবছর সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ-জিডিপি অনুপাত ছিল ২০ দশমিক ৫ শতাংশ, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছর বেড়ে হবে ২৩ দশমিক ৬ শতাংশ। একইভাবে বিদেশি ঋণ-জিডিপি অনুপাত ২০২০-২১ অর্থবছরের ১১ দশমিক ৯ থেকে বেড়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছর দাঁড়াবে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

    পাঁচ বছরে অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি উভয় ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলেও দুই ধরনের ঋণের অনুপাত পরিবর্তন হবে। ২০২৫-২৬ অর্থবছর গিয়ে অভ্যন্তরীণ ঋণের অনুপাত কিছুটা কমবে ও বিদেশি ঋণের অনুপাত কিছুটা বাড়বে। তথ্যমতে, ২০২০-২১ অর্থবছর সরকারের মোট ঋণের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণ ছিল ৬৩ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছর গিয়ে হবে ৬১ দশমিক ৪ শতাংশ। অপরদিকে ২০২০-২১ অর্থবছর সরকারের বিদেশি ঋণের অনুপাত ছিল ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ, ২০২৫-২৬ অর্থবছর যা দাঁড়াবে ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

    অকা/প্র/ সকাল/৩১ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    বাজেটের আকার যত বাড়ছে ততই বাড়ছে সরকারের ঋণের পরিমাণ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ‘সম্পর্ক’ মুগ্ধ করল কলকাতার দর্শকদের

    এমবাপ্পে কোথায় থামবে, কে জানে!

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রাজধানীর মিরপুর-১৩ এ গুলিতে যুবদল কর্মী নিহত, আহত ২

    রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ও অতঃপর…

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় যারা

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে ১৮৪ শতাংশ

    শেয়ারবাজারে বড় পতন থামাল মিউচুয়াল ফান্ড

    সপ্তাহের শেষদিনে শেয়ারবাজারে বড় পতন

    দেশে প্রথমবারের মতো ক্রস-বর্ডার নীতিমালা

    ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে কারাগারে প্রিন্স মামুন

    ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

    অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি

    রফতানি আয় সময়মতো না আনলে মিলবে না ইডিএফ সুবিধা

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

    এবার কমলো সোনার দাম

    উৎসে কর তদারকির ক্ষমতা স্থগিতের দাবি শীর্ষ ৮ চেম্বারের

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.