Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারি ঋণ ব্যাংকিং খাতে চাপ বাড়াবে

    ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩ ৪:৩৬ পূর্বাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে তফসিলি ব্যাংক থেকে ২ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার, যা আগের মাসে ছিল ৮৬৩ কোটি টাকা। অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে খাত থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪,৫৯০ কোটি টাকা।

    ব্যাংকার এবং বিশ্লেষকরা বলছেন, ইতোমধ্যেই তারল্য সংকটে ভুগতে থাকা বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়া ব্যাংকিং খাতে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তারা আরো বলেন, এর ফলে আমানত এবং ঋণের বাধ্যবাধকতা পূরণে এ খাত বাজেভাবে প্রভাবিত হতে পারে। এতে ঋণ দানে আরও কঠোরতা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কমে যেতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে তারল্য সংকট আরও তীব্র হতে পারে।"

    তিনি আরো বলেন, "কর্তৃপক্ষের উচিত [এ পরিস্থিতি] সামাল দেওয়া। তাদের এটা নিশ্চিত করা উচিত যে তারল্য সংকট যাতে সামনে না বাড়ে এবং ঋণযোগ্য তহবিল যাতে না কমে।"

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি মাস শেষে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের নেওয়া মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২.০২ লাখ কোটি টাকা। গতবছরের ডিসেম্বর শেষে এ পরিমাণ ছিল ১.৮১ কোটি টাকা।

    অর্থাৎ এক মাসেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা।

    এসব ঋণ থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার মতো। অর্থাৎ, মূল্যস্ফিতি কমাতে দেশের মানি সার্কুলেশন থেকে জানুয়ারিতে এই পরিমাণ টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে পাঠিয়েছে সরকার।

    "কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে মাঝে মাঝে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে, তাই সরকার এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কমানোর চেষ্টা করছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপর নির্ভরশীলতা কমে যাওয়া ভালো," এ বিষয়ে বলেন অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান।

    গতবছরের ডিসেম্বর শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারের ঋণের পরিমাণ ছিল ১.২১ লাখ কোটি টাকা। জানুয়ারি শেষে তা দাঁড়িয়েছে ১.০২ লাখ কোটি টাকায়।

    গত এক মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বড় অঙ্কের ঋণ পরিশোধ করলেও চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের নিট হিসাবে দেখা গেছে, এই সময়ে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৪৬.৪৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া ঋণের ১১.৮৯ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। সে হিসাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া পুরো টাকাটাই দেশের মানি সার্কুলেশনে এসেছে।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক খাত থেকে ১,০৬,৩৩৪ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার টার্গেট ঠিক করেছিল সরকার। জানুয়ারি শেষে সরকার এই টার্গেটের ৩২.৫৩% ঋণ নিয়েছে এই খাত থেকে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে গত ১ বছরে সরকার ব্যাংক খাত থেকে মোট ঋণ নিয়েছে প্রায় ৯১ হাজার কোটি টাকা। রীতিমতো এর পুরোটাই সরকার নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে।

    সবমিলিয়ে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নেওয়া মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.০৫ লাখ কোটি টাকায়।

    সংশ্লিষ্টরা বলেন, সরকার ঘাটতি বাজেট মেটাতে ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিয়ে থাকে। ঋণের অধিকাংশই বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটে ব্যয় হয়।

    চলতি অর্থবছরে নন-ব্যাংকিং খাত থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছিল সরকার। এরমধ্যে সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ৩৫ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিএফআইসহ অন্যান্য খাত থেকে ছিল ৫ হাজার কোটি টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এনবিএফআইসহ অন্যান্য খাত থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ঋণ নেওয়া হয়েছে ৬,৭৮৬ কোটি টাকা।

    ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে সঞ্চয়পত্রের ঋণ বাড়ার বদলে উল্টো কমেছে ৩,১০৭ কোটি টাকা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ৪০ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে এবং আগের ঋণের ৪৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা ফেরত দিয়েছে।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ  

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নেওয়া সরকারি ঋণ বাড়ছেই

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.