Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বুধবার, ২৪ চৈত্র, ১৪৩২ | ৮ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ খেলাপি

    অক্টোবর ১৯, ২০২৩ ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ব্যাংক খাতে আদায় অনিশ্চিত খেলাপি ১ লাখ ২৫ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। ব্যাংকিং পরিভাষায় এটিকে ‘ব্যাড অ্যান্ড লস লোন’ বা মন্দ ঋণ বলা হয়। সাধারণত মন্দ ঋণ খুব সহজে আদায় হয় না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংকের আদায় অনিশ্চিত খেলাপি ঋণ ৫৯ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের প্রায় ২০ শতাংশ। বেসরকারি ৪৩টি ব্যাংকের এই ঋণ ৫৯ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ। বিদেশি ৯ ব্যাংকের আদায় অনিশ্চিত খেলাপি ঋণ ২ হাজার ৭১৪ কোটি বা ৪ শতাংশ এবং বিশেষায়িত তিন ব্যাংকের ৪ হাজার ৫৮ কোটি বা ১০ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

    জানা যায়, নানা ধরনের ছাড় দিয়েও খেলাপি ঋণ কমাতে পারেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। গত এপ্রিল-জুন সময়ে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২৪ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। ফলে জুন শেষে খেলাপি ঋণের অঙ্ক বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ১০ দশমিক ১১ শতাংশ। মার্চ শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। অথচ ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে, তখন দেশে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এখন তা দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়াল। অর্থাৎ ১৪ বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ৭ গুণ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, ৩১টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়েছে। কিছু ব্যাংক ঋণ পুনঃতফশিল করতে পারেনি। আবার কিছু ব্যাংকের ঋণ পুনঃতফশিল করার পর আবার খেলাপি হয়েছে।

    মেজবাউল হক আরও বলেন, একটি ব্যাংকে ৭০০ কোটি টাকার একটি ঋণ পুনঃতফশিল করা হয়। কিন্তু সেটির কিস্তি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তা আবার খেলাপি হয়ে পড়ে। এরকম কিছু বড় ঋণ পুনঃতফশিল হওয়ার পরও আবার কিস্তি দিতে ব্যর্থতার কারণে খেলাপি হয়েছে।

    আগে একটি ব্যবসায়ী গ্রুপের কোনো প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি হলে তাদের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ পাওয়ার সুযোগ ছিল না। এই নতুন আইনের কারণে সামনের দিনগুলোয় খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। করোনা মহামারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে কোনো ঋণ পরিশোধ না করেও খেলাপিমুক্ত ছিলেন গ্রাহকরা। ২০২২ সালে এসব নীতিছাড় তুলে দেওয়ার পর ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ার প্রবণতা দেখা দেয় চলতি বছরের শুরু থেকেই।

    এ অবস্থায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বেড়ে যেতে পারে, এ আশঙ্কায় বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুনে ব্যাংকঋণ পরিশোধে আবার ছাড় দেয়। ওই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জুনের মধ্যে ঋণের কিস্তির অর্ধেক টাকা জমা দিলেই একজন গ্রাহককে খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা যাবে না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের ফলে যেসব গ্রাহক ঋণখেলাপি হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে পড়েছিলেন, তারা অর্ধেক টাকা জমা দিয়েই নিয়মিত গ্রাহক হিসাবে থাকার সুযোগ পান। এ সুবিধা দেওয়া হয় শুধু মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে। ব্যাংক খাতের ১৫ লাখ কোটি টাকা ঋণের প্রায় অর্ধেকই মেয়াদি ঋণ। এত সুবিধা দেওয়ার পরও খেলাপি কেবল বাড়ছেই; বরং বারবার ছাড় দেওয়ার কারণে ভালো গ্রাহকও ঋণ পরিশোধে আগ্রহ হারাচ্ছেন বলে মনে করেন ব্যাংকাররা। তাদের মতে, এতে ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটে পড়ছে এবং নতুন ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা হারাচ্ছে। এদিকে চলতি বছরেই জাতীয় সংসদে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে খেলাপিরাও ঋণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। আগে একটি ব্যবসায়ী গ্রুপের কোনো প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি হলে তাদের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ পাওয়ার সুযোগ ছিল না। এ নতুন আইনের কারণে সামনের দিনগুলোয় খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

    মূলত বর্তমান সরকার ২০১৫ সাল থেকে ঋণখেলাপিদের জন্য বড় বড় ছাড় দিয়ে আসছে। ফলে খেলাপিরা বারবার ঋণ পুনঃতফশিল করে নিয়মিত দেখাচ্ছেন। এর মাধ্যমে তারা নতুন করে ঋণও নিচ্ছেন এবং নতুন করে খেলাপি হচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক গত আগস্টে আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলেছে, দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপির চেয়ে পুনঃতফশিল ঋণের পরিমাণ বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সাল শেষে দেশে পুনঃতফশিল করা ঋণের স্থিতি ছিল ২ লাখ ১২ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা, যা ব্যাংক খাতের মোট ঋণের ১৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। সুতরাং বাংলাদেশ ব্যাংক এখন খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১০ দশমিক ১১ শতাংশ দেখালেও প্রকৃত খেলাপির পরিমাণ অনেক বেশি। এর বাইরেও মামলার কারণে আটকা আছে আরও প্রায় এক লাখ কোটি টাকা। ফলে সব মিলিয়ে প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ হবে ৪ লাখ কোটি টাকার বেশি, যা মোট ঋণের প্রায় ৩০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পুনঃতফশিল করা ঋণ ও আদালতের স্থগিতাদেশ দেওয়া ঋণকে খেলাপি হিসাবে দেখানোর পক্ষে।

    ২০১৯ সালে অর্থমন্ত্রী হয়েই আ হ ম মুস্তফা কামাল দেশের ইতিহাসে ঋণখেলাপিদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধাটি দেন। সেসময় ২ শতাংশ কিস্তি দিয়ে খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ রাখা হয়। নতুন নিয়মে ঋণ পরিশোধের জন্য ১০ বছর সময় দেওয়া হয়, এর মধ্যে প্রথম এক বছর কোনো কিস্তি দিতে হয়নি। সেই সুযোগ নেওয়া বেশির ভাগই পরে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে।

    অথচ অর্থমন্ত্রী ২০১৯ সালের জানুয়ারিতেই এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, আর এক টাকাও খেলাপি ঋণ বাড়বে না। তখন দেশে খেলাপি ঋণ ছিল ৯৩ হাজার ৯১১ কোটি টাকা। সেই খেলাপি বেড়ে এখন দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। কেবল পরিমাণে নয়, শতাংশ হারেও বেড়েছে। আর আইএমএফ-এর দেওয়া পদ্ধতি অনুযায়ী পুনঃতফশিল ও মামলায় আটকে থাকা ঋণ হিসাবে নিলে পরিমাণ ও শতাংশ হারে খেলাপি ঋণ বেড়েছে বহুগুণ।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণের যে হিসাব দিচ্ছে, তা প্রকৃত তথ্য নয়। কারণ, প্রকৃত খেলাপি ঋণ আরও বেশি। মামলার কারণে অনেক ঋণকে খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। আবার অবলোপন করা ঋণও খেলাপির হিসাবে নেই। এ দুই ঋণকে বিবেচনায় নিলে প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। যতদিন ঋণখেলাপিদের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করে আলাদাভাবে বিচারের ব্যবস্থা করা যাবে না, ততদিন খেলাপি ঋণও কমবে না।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ১৯ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    অর্থনীতি টাকা বাণিজ্য বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ খেলাপি ব্যাংক সুদ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    খেলাপি ঋণের পাহাড়, অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ

    ইসলামী ব্যাংকে তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইন্টারব্যাংক বাজারের উদ্যোগ

    অতিরিক্ত তারল্য সামলাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ বিল উদ্যোগ

    বড় ঋণে বড় ঝুঁকি: ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের বিস্ফোরণ

    রেমিট্যান্সে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

    ক্রেডিট কার্ড লিমিট বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    খেলাপি ঋণের পাহাড়, অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ

    তালিকায় সাবেক সদস্য কামরুল ও সুলতান মোল্লা
    আইডিআরএ চেয়ারম্যানের শূন্য পদে অযোগ্য ও দুর্নীতিবাজদের জোর লবিং

    দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩.০৩ শতাংশে

    বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও লোকসানের ঝুঁকি
    যুদ্ধের অভিঘাতে শিল্পে ‘কস্ট-পুশ’ সংকট

    মূল্যস্ফীতিতে স্বস্তির ইঙ্গিত, তবুও আয়-ব্যয়ের চাপ কাটেনি

    দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা

    মার্চে রফতানিতে বড় ধাক্কা – টানা পতনের অষ্টম মাস

    অপেক্ষা আরও পাঁচ মাস
    আইপিও স্থবিরতা কাটছে না

    ইসলামী ব্যাংকে তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইন্টারব্যাংক বাজারের উদ্যোগ

    শেয়ার বাজারে গতি আনতে কর সংস্কারের প্রস্তাব ডিএসইর

    রফতানি কমে আমদানির চাপে বাড়ছে বাণিজ্য ঘাটতি

    অতি ধনীদের জন্য বাড়তি কর, তামাকেও আসছে মূল্যচাপ

    জ্বালানি অনিশ্চয়তায় শিল্পের ভরসা: ছাদে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ

    অতিরিক্ত তারল্য সামলাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ বিল উদ্যোগ

    জিরো ওয়েটিং টাইমে ফিরল চট্টগ্রাম বন্দর

    আইপিও খরায় স্থবির দেশের শেয়ার বাজার

    সন্ধানী লাইফের মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর

    অসময়ে কৃষি ঋণ

    বড় ঋণে বড় ঝুঁকি: ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের বিস্ফোরণ

    আস্থাহীনতায় শেয়ার বাজার ছাড়ছেন বিনিয়োগকারীরা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.