Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিদ্যুৎ বিক্রিতে লোকসান বেড়েই চলছে

    ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪ ৫:৪৫ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় কয়েক বছর ধরেই বাড়ছে। যদিও ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছর তা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এর আগে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন ব্যয় ওঠানামার মধ্যেই ছিল। তবে দুই বছরে উৎপাদন ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েও লোকসানের বোঝা কমানো যায়নি। বরং তিন বছরের ব্যবধানে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুৎ বিক্রিতে লোকসান প্রায় পাঁচগুণ হয়েছে।

    পিডিবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছর বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি সরবরাহ ব্যয় ছিল পাঁচ টাকা ৭৫ পয়সা। সে সময় গড় বাল্ক মূল্যহার ছিল চার টাকা ৮৪ পয়সা। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রিতে পিডিবির লোকসান হতো মাত্র ৯১ পয়সা। আর ২০২২-২৩ অর্থবছর বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি সরবরাহ ব্যয় বেড়ে হয়েছে ১১ টাকা ৩৮ পয়সা। তবে গত অর্থবছর বিদ্যুতের গড় বাল্ক মূল্যহার বেড়ে হয়েছে পাঁচ টাকা ৯৮ পয়সা। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রিতে পিডিবির লোকসান দাঁড়িয়েছে পাঁচ টাকা ৪০ পয়সা।

    যদিও গত অর্থবছর দুই দফা বাল্ক মূল্যহার বাড়ানো হয়েছে। এতে গড় মূল্যহার বেড়ে হয়েছে যথাক্রমে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ছয় টাকা ২০ পয়সা ও ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ছয় টাকা ৭০ পয়সা। তবে অর্থবছরের শুরুতে বাল্ক মূল্যহার ছিল পাঁচ টাকা ১৭ পয়সা। এতে গত অর্থবছর ভারিত গড়ে বাল্ক মূল্যহার পড়ে পাঁচ টাকা ৯৮ পয়সা।

    এদিকে ২০২০-২১ অর্থবছর বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি সরবরাহ ব্যয় দাঁড়ায় ছয় টাকা ৪৮ পয়সা। সে সময় গড় বাল্ক মূল্যহার ছিল পাঁচ টাকা ১৭ পয়সা। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রিতে পিডিবির লোকসান হতো এক টাকা ৩১ পয়সা। আর ২০২১-২২ অর্থবছর বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি সরবরাহ ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় আট টাকা ৮১ পয়সা। ওই অর্থবছর বিদ্যুতের গড় বাল্ক মূল্যহার ছিল পাঁচ টাকা ১৭ পয়সা। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রিতে পিডিবির লোকসান হয় তিন টাকা ৬৪ পয়সা।

    প্রতিবেদনটি বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক দশকের মধ্যে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত ইউনিটপ্রতি বিদ্যুৎ বিক্রিতে পিডিবির লোকসান মোটামুটি কাছাকাছি ছিল। এর মধ্যে ২০১২-১৩ অর্থবছর বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি সরবরাহ ব্যয় ছিল পাঁচ টাকা ৬৪ পয়সা ও গড় বাল্ক মূল্যহার ছিল চার টাকা ৭০ পয়সা। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রিতে পিডিবির লোকসান হতো ৯৪ পয়সা। ২০১৩-১৪ অর্থবছর ইউনিটপ্রতি সরবরাহ ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ছয় টাকা ছয় পয়সা। গড় বাল্ক মূল্যহার চার টাকা ৭০ পয়সাই অপরিবর্তিতই ছিল। এতে প্রতি ইউনিট পিডিবির লোকসান বেড়ে দাঁড়ায় এক টাকা ৩৬ পয়সা।

    পরের অর্থবছর লোকসান সামান্য কমে দাঁড়ায় এক টাকা ৩৩ পয়সা। ওই অর্থবছর ইউনিটপ্রতি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যয় সামান্য কমে দাঁড়ায় ছয় টাকা তিন পয়সা। তবে গড় বাল্ক মূল্যহার ছিল একই; অর্থাৎ চার টাকা ৭০ পয়সা। তবে ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থবছর সবচেয়ে ভালো অবস্থায় ছিল পিডিবি। গড় উৎপাদন ব্যয় ওই সময় হ্রাস পাওয়ায় এবং বিদ্যুতের বাল্ক মূল্যহার সামান্য বাড়ানোয় ইউনিটপ্রতি লোকসান ন্যূনতম পর্যায়ে নেমে যায়। এর মধ্যে ২০১৫-১৬ অর্থবছর পিডিবির ইউনিটপ্রতি লোকসান হয় মাত্র ৩৬ পয়সা, যা এক দশকে সর্বনিম্ন। আর ২০১৬-১৭ অর্থবছর ইউনিটপ্রতি লোকসান দাঁড়ায় ৪৭ পয়সা।

    ২০১৫-১৬ অর্থবছর বিদ্যুতের গড় সরবরাহ কমে দাঁড়ায় পাঁচ টাকা ২৬ পয়সা ও ২০১৬-১৭ অর্থবছর পাঁচ টাকা ৩৭ পয়সা। আর ওই অর্থবছর বাল্ক মূল্যহার ছিল চার টাকা ৯০ পয়সা। পর পর দুই অর্থবছর পিডিবির লোকসান ন্যূনতম পর্যায়ে নামায় পরের অর্থবছর বাল্ক মূল্যহার কমিয়ে করা হয় চার টাকা ৮৪ পয়সা। এর মধ্যে ২০১৭-১৮ অর্থবছর ইউনিটপ্রতি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ছয় টাকা ১৩ পয়সা। তবে ২০১৮-১৯ অর্থবছর তা আবার কমে দাঁড়ায় পাঁচ টাকা ৮৫ পয়সা। ওই দুই অর্থবছর পিডিবির গড় লোকসান ছিল যথাক্রমে এক টাকা ২৯ পয়সা ও এক টাকা এক পয়সা।

    প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়ের তিনটি অংশ রয়েছে। এগুলো হলোÑজ্বালানি ব্যয়, স্থায়ী ব্যয়/ক্যাপাসিটি চার্জ এবং পরিবর্তনশীল (ভেরিয়েবল) ব্যয় তথা পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়। আর গড় উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে তিন শতাংশ সঞ্চালন লোকসান ও ১৫ পয়সা বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিলের অংশ যোগ করে নির্ধারণ করা হয় বিদ্যুতের গড় সরবরাহ ব্যয়। ফলে উৎপাদন ব্যয় যে হারে বাড়ে, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যয়ও একই হারে বৃদ্ধি পায়।

    অকা/জ্বা/সকাল/১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    বিদ্যুৎ বিক্রিতে লোকসান বেড়েই চলছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    এবার বাড়লো লঞ্চের ভাড়া

    বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফের উৎপাদন শুরু

    জ্বালানি দামের চাপ – কিলোমিটারে বাসভাড়া বাড়ল ১১ পয়সা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.