Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক ঋণে সুদহার বেধে দেয়ায় সুফল পাচ্ছে অর্থনীতি

    মার্চ ১৪, ২০২২ ১২:১২ অপরাহ্ণ6
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ ডেস্ক ●

    ব্যাংক ঋণে সুদহার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সুদহারের সীমা বেঁধে দেওয়ার বিষয়টি তুলে দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এ সুপারিশের পক্ষে যুক্তি হিসেবে তারা বলেছে, উন্মুক্ত বাজার ব্যবস্থায় ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যবসার খরচ কমিয়ে আনা ও জনগণকে সুফল দিতেই সুদহার নির্দিষ্ট করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আইএমএফের আর্টিকেল ফোর-এর প্রতিনিধি দলের দেওয়া এক সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে এমন প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রতিবেদনটি নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে আইএমএফ।

    তবে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক ও অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলছেন, বাংলাদেশের বাস্তবতায় আমানতে ও ঋণের সুদহার বেঁধে দেওয়া যৌক্তিক ছিল। এভাবে আরও কয়েক বছর চলতে দেওয়া উচিত। তিনি মনে করেন, সুদ হার বেঁধে দেওয়ার সুফল পাচ্ছে ব্যাংক ও উদ্যোক্তারা। সুদ হার বেঁধে দেওয়ার কারণে করোনার মধ্যেও ব্যাংকগুলো লাভ করতে পেরেছে। একইভাবে ঋণের হার কমে যাওয়ার কারণে উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে উৎসাহিত হয়েছে। এতে অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুক্তবাজারের চেয়ে বেঁধে দেওয়া নিয়মই ভালো কাজ করছে।  

    এর আগে ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ধরনের ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশ বেঁধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।  ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী ‘জনস্বার্থে’ ব্যাংকগুলোকে এই নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই নির্দেশনার মধ্যে ১৯৯০ সালের আগের ব্যাংক ব্যবস্থায় ফিরে যায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার ফলে ২০২০ সালের  এপ্রিল থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি ভোক্তা ঋণ, এসএমই খাত, আবাসনসহ সব ধরনের ঋণের সুদ হার কমে আসে। ওই বছরের মাসের এপ্রিল মাসের আগ পর্যন্ত অনেক ঋণে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ কার্যকর ছিল।

    এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যর আলোকেই কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি দেশের মানুষের স্বার্থে এমনটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, উন্নত দেশের মূল্যস্ফীতি ও আমানতের সুদহার আমাদের মতো না। এছাড়া ব্যবসায়িক খরচ কমিয়ে আনতে হলে এর বিকল্প আর কিছু ছিল না।

    ২০২০ সালের শুরুতে ঋণের সুদ হার বেঁধে দেওয়া সার্কুলার বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখ করে, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ হার দেশের ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পসহ ব্যবসা ও সেবা খাতের বিকাশে প্রধান অন্তরায় হিসেবে দাঁড়ায়। ব্যাংক ঋণের সুদ উচ্চমাত্রার কারণে সংশ্লিষ্ট শিল্প, ব্যবসা ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। ফলে শিল্প, ব্যবসা ও সেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ঋণ গ্রহীতারা যথাসময়ে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে করতে পারেন না। এতে ব্যাংক খাতে ঋণ শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয় এবং সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। এমন প্রেক্ষাপটে সুদ হার বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সার্কুলারে বেশ কিছু লক্ষ্যও তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে রয়েছে- শিল্প, ব্যবসা ও সেবা প্রতিষ্ঠানসমূহের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে অধিক সক্ষমতা অর্জন, শিল্প ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ঋণ পরিশোধে সক্ষমতা এবং কাঙ্ক্ষিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত  জানিয়েছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। অবশ্য সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা ব্যবসায়ী মহলের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।

    এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআই-এর সাবেক সহ-সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, দেশে শিল্পায়নের জন্য ব্যাংক ঋণের সুদ ৯ শতাংশে নামিয়ে আনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়েছি। তিনি উল্লেখ করেন, ৯ শতাংশে নামিয়ে আনার এই সিদ্ধান্তের কারণে  অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হয়েছে।

    অবশ্য ব্যবসায়ী মহলের দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ১৪ মে গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে সে নির্দেশ অনুযায়ী তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবীর ঋণের সুদের হার কমাতে নানামুখী উদ্যোগ নেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়। এর আলোকে অর্থমন্ত্রী চিঠি দেন বাংলাদেশ ব্যাংককে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২০ সালের শুরুতে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে।

    তবে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে পৃথিবীর কোনও রাষ্ট্রেই সুদহার বেঁধে দেওয়া হয় না বলে জানিয়েছেন আইএমএফে একসময়ে অর্থনীতিবিদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ  ড. আহসান এইচ মানসুর। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ও ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান মানসুর বলেন, সুদহার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন। বাজার বলে দেবে সুদহার কত হবে। এটি ব্যাংক ও ব্যবসায়ীদের ওপর ছেড়ে দেওয়া ভালো।

    #
    অকা/ব্যাংখা/ বিকেল, ১৪ মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    ব্যাংক ঋণে সুদহার বেধে দেয়ায় সুফল পাচ্ছে অর্থনীতি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.