Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি চার গুণ বেশি আমদানির চেয়ে

    এপ্রিল ৪, ২০২৫ ১:০৫ অপরাহ্ণ7
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ভারসাম্য এখন বাংলাদেশের পক্ষে রয়েছে। গত এক দশকে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে যত পণ্য আমদানি হয়, এর চেয়ে প্রায় চার গুণ বেশি রফতানি হয় সে দেশে। যদিও রফতানির সিংহভাগই তৈরি পোশাক। তবে এখনো বাংলাদেশি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ রয়েছে। এই ১৫ শতাংশের সঙ্গে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক বাড়তি হিসেবে যুক্ত হবে।

    গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি প্রায় আড়াই শ’ কোটি মার্কিন ডলার বেড়েছে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে পণ্য আমদানি বেড়েছে সোয়া শ’ কোটি ডলারের মতো। যে গতিতে দেশের রফতানি বেড়েছে, সেই গতিতে আমদানি বাড়েনি।

    সর্বশেষ ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ৮৩৬ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হয়েছে ২২১ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে গত বছর বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬১৫ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশের পক্ষে আছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি হয়েছে ৫৯৯ কোটি ডলারের পণ্য। তখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এসেছে মাত্র ৯৪ কোটি ডলারের পণ্য। ওই বছর বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছিল ৫০০ কোটি ডলারের মতো। এরপর বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রফতানি শুধু বেড়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি আরও বাড়িয়েছে।

    যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি বেশি, সেসব দেশেই বেশি পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প। সে বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থা ষষ্ঠ। অর্থাৎ বাংলাদেশের চেয়ে বেশি শুল্ক করা হয়েছে পাঁচটি দেশে। বাংলাদেশি পণ্য আমদানিতে ট্রাম্প শুল্কহার ঘোষণা করেছেন ৩৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ৪৮ শতাংশ আরোপ হয়েছে পূর্ব এশিয়ার দেশ লাওসের ওপর।

    বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে যত পণ্য রফতানি হয়, তার মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি হলো তৈরি পোশাক। ২০২৪ সালে দেশটিতে ৭০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে।

    এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাতীয় পণ্য, ওষুধ, প্লাস্টিক, মনোহারি পণ্য বেশি রফতানি করেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। প্রতিবছর ৮-১০ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাতীয় পণ্য, ২-৩ কোটি ডলারের ওষুধ, ১-২ কোটি ডলারের প্লাস্টিক পণ্য ও মুদি পণ্য রফতানি হয়।

    আবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তথ্য মতে, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৯১ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা রফতানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের কাঁচামাল রয়েছে ২৯ কোটি ডলারের। অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের পণ্য এসেছে ২৬২ কোটি ডলারের।

    যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি হিসাবের সঙ্গে বাংলাদেশের এনবিআরের হিসাবের পার্থক্যের কারণ সময়ের ব্যবধান। এনবিআর পণ্য খালাসের পর হিসাব করে, যুক্তরাষ্ট্র পণ্য রফতানির সময় হিসাব করে। হিসাবে পার্থক্যের আরেকটি কারণ হলো, তৃতীয় দেশ থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আসছে বাংলাদেশে, যা যুক্তরাষ্ট্রের হিসাবে দেখানো হয় না।

    এনবিআরের হিসাবে অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য আমদানি হওয়া ২৬২ কোটি ডলারের পণ্যের মধ্যে ১৩৩ কোটি ডলারের পণ্য আমদানিতে কোনো শুল্ক-কর দিতে হয়নি। যেমন গম ও তুলার মতো পণ্যে শুল্ক-কর নেই। এরপরও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া পণ্যে গড়ে ৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ শুল্ক-কর দিতে হয়েছে। সব মিলিয়ে কাস্টমস শুল্ক-কর আদায় করেছে ১ হাজার ৪১১ কোটি টাকা।

    গত বছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ হাজার ৫১৫টি এইচএসকোডের (পণ্যের শ্রেণিবিভাজন) পণ্য আমদানি হয়েছে বাংলাদেশে। এর মধ্যে আট ধরনের পণ্যই আমদানি হয়েছে ৬৭ শতাংশ।

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি পণ্যের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রড তৈরির কাঁচামাল পুরোনো লোহার টুকরা বা স্ক্র্যাপ। গত ২০২৩–২৪ অর্থবছরে এ পণ্য আমদানি হয় ৭৭ কোটি ৮৬ লাখ ডলারের, যা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া মোট পণ্যের প্রায় ২৭ শতাংশ। গড়ে ৪ শতাংশ শুল্কহার রয়েছে পুরোনো লোহার টুকরা বা স্ক্র্যাপ পণ্য আমদানিতে।

    দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি পণ্য হিসেবে এলপিজির উপাদান বিউটেন আমদানি হয়েছে ৩৩ কোটি ৩৮ লাখ ডলারের। এর ওপর গড় শুল্কহার হলো ৫ শতাংশ।

    তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি হয় সয়াবিন বীজ। এ পণ্য আমদানি হয়েছে ৩২ কোটি ডলারের। এটি আমদানিতে অবশ্য শুল্ক-কর নেই।

    চতুর্থ স্থানে রয়েছে বস্ত্রশিল্পের কাঁচামাল তুলা। এই পণ্য আমদানি হয়েছে ২৬ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের। এটিতেও শুল্ক-কর প্রযোজ্য নয়।

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানির তালিকায় আরও রয়েছে উড়োজাহাজের ইঞ্জিন, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), হুইস্কি, গাড়ি, গম, উড পাল্প, পুরোনো জাহাজ, সয়াকেক, কাঠবাদাম ইত্যাদি।
    বিশেষজ্ঞরা যা বলেন

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শুল্ক-কর কমিয়ে কৃত্রিমভাবে আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ টেকসই হওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং দেশে মার্কিন বিনিয়োগ আনা হলে সহজভাবে আমদানি বাড়বে। কারণ, মার্কিন উদ্যোক্তারা নিজ দেশ থেকে বাংলাদেশে যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ আমদানি করবেন। ‘শুল্ক আরোপের পর সব দেশই নানামুখী নীতি নিচ্ছে। আমাদের ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার বাইরে অন্য কোনো সুযোগ নেই। আমরা যেসব পণ্য রফতানি করি, তা যুক্তরাষ্ট্রের প্রান্তিক মানুষের জন্য। আবার তাদের তুলা ব্যবহার করছি। বিষয়টি যদি আমরা যুক্তি দিয়ে দাঁড় করাতে পারি এবং যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনায় নেয়, তাহলে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানিতে বিশেষ প্রণোদনা দিতে পারে সরকার।’

    ট্যারিফ কমিশন রফতানিতে কী ধরনের প্রভাব পড়বে, সেটি বিশ্লেষণ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক আরোপ বাংলাদেশের পণ্য রফতানির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় কি না, তা পর্যালোচনা করা হবে। ছুটির পর অফিস খুললে এ নিয়ে কাজ শুরু করবে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ঘোষণার রেশ দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বাজারবিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই পাল্টা শুল্ক বিশ্বকে বাণিজ্যযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এই শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও মন্দা পরিস্থিতি তৈরি করবে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

    যুক্তরাষ্ট্র বাড়তি শুল্ক আরোপের ফলে দুশ্চিন্তা বেড়েছে বাংলাদেশের। ইতিমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) এ নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এনবিআর ট্যারিফ লাইনে থাকা পণ্যগুলোর ওপর শুল্ক-কর হার পর্যালোচনা করছে বলে জানা গেছে।

    এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, এ ধরনের শুল্ক আরোপের পর করণীয় কী, তা নিয়ে কাজ শুরু করেছে এনবিআর। পুরো বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হবে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের শুল্ক-কর কমানোর বিষয়ে এনবিআরের পক্ষ থেকে কী করা যেতে পারে, তা-ও চিন্তা করা হচ্ছে। তিনি জানান, ৬ এপ্রিল এ নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) আলোচনা হবে। ●

    অকা/আখা/ফর/দুপুর/৪ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সমুদ্র অর্থনীতিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ

    ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে ধস
    লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৫০ কোটি টাকারও বেশি কম আদায়

    এফডিআইয়ে আফ্রিকার কাছেও পিছিয়ে বাংলাদেশ

    ইউসিবির ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন

    ৪৩ খাতে রফতানি প্রণোদনা অপরিবর্তিত

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন

    রাষ্ট্রপতি হোন দলমতের ঊর্ধ্বে, জনগণের আস্থার প্রতীক

    বাড়ছে নারী নির্যাতনের ভয়াবহতা

    চাঁদাবাজি: চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার

    নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান পেলো বাপেক্স

    শিল্পে গ্যাস–সংকট নিরসনে উদ্যোগের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    নদী-খাল পুনঃখননে দীর্ঘমেয়াদি পিপিপি মডেলের আহ্বান ডিসিসিআইর

    জিপিএইচ ইস্পাতকে ৫ কোটি জরিমানা

    মহেশখালীতে হচ্ছে চীনের নতুন এলএনজি টার্মিনাল

    শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ৮ বীমা কোম্পানির, শীর্ষে সিটি ইন্স্যুরেন্স

    এক ক্লিকেই করদাতার সব তথ্য
    এনবিআরকে নতুন রোডম্যাপ দিল আইএমএফ

    মুনাফা বেড়েছে রবি আজিয়াটা পিএলসির

    রূপপুরের অর্থ পরিশোধে বিকল্প লেনদেন রুপিতে চায় রাশিয়া

    বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের নগদ আদায় প্রায় ৭৬৯ কোটি টাকা

    প্রথমার্ধে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

    ইবিএল চেয়ারম্যান হলেন আনিস আহমেদ

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোয় সর্বনিম্ন স্তরে বাংলাদেশ

    কম দামে বাংলাদেশকে ইউরিয়া দিতে চায় রাশিয়া

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ৪৪০ কোটি টাকার ঋণ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.