Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    শেয়ার বাজারে চলছে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সংকট

    মে ২৬, ২০২৪ ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ8
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    শেয়ার বাজারের এ সমস্যা অনেক দিনের। এখানে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সংকট চলছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির দুরবস্থা। সবকিছু মিলে শেয়ার বাজারে হতাশার কালো মেঘ ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। এমনটিই বলছেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিনই উধাও হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের কষ্টার্জিত পুঁজি।

    এদিকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটেও শেয়ার বাজারের জন্য কিছু নেতিবাচক খবর অপেক্ষা করছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা আরও বাড়বে। অনেকে এমন দুঃসংবাদ আঁচ করতে পেরে শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে বের হয়ে যাচ্ছে।

    জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক আল আমিন বলেন, শেয়ার বাজারের ব্যাপারে আপাতত কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। কারণ, আগামী বাজেট নিয়ে পত্রপত্রিকায় যেসব খবর আসছে, তার মূলকথা হলো-শেয়ার বাজার নিয়ে সরকারের কোনো ভাবনা নেই।

    তিনি বলেন, বাজারের অংশীজনদের দাবি ছিল-তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির করের পার্থক্য বাড়ানো। কিন্তু এই পার্থক্য এবার কমিয়ে আনা হচ্ছে। গণমাধ্যমে খবর এসেছে, প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে এ পার্থক্য হবে মাত্র আড়াই শতাংশ।

    কারণ, তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির কর কমানো হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, আইটি খাতে যে কর অব্যাহতি সুবিধা ছিল, সেটিও শেষ হয়ে যাচ্ছে। তৃতীয়ত, গেইন ট্যাক্স বা মূলধনি মুনাফার কর আরোপের কথা শোনা যাচ্ছে। এসব খবর সত্য হলে তা অবশ্যই শেয়ার বাজারের জন্য মোটেই ইতিবাচক নয়।

    আগামী অর্থবছরের বাজেটে পুঁজি বাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার আড়াই শতাংশ করে বাড়ানো হচ্ছে। যেসব কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার হস্তান্তর করেছে, বর্তমানে ওই কোম্পানির করহার ২০ শতাংশ।

    আগামী বাজেটে তা আড়াই শতাংশ বাড়িয়ে সাড়ে ২২ শতাংশ করা হচ্ছে। অন্যদিকে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে ১০ শতাংশের কম শেয়ার হস্তান্তর করেছে, তাদের করহার সাড়ে ২২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হচ্ছে।

    এর ফলে নতুন কোম্পানি পুঁজি বাজারে তালিকাভুক্তিতে নিরুৎসাহিত হবে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, শেয়ার বাজারে মূলধনি মুনাফার ওপর কর বসানো হবে। এক্ষেত্রে যেসব বিনিয়োগকারী বছরে শেয়ার বাজার থেকে ৪০ লাখ টাকার বেশি মুনাফা করে, তাদেরকে অতিরিক্ত মুনাফার জন্য ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। অর্থাৎ কোনো বিনিয়োগকারী সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ার বেচাকেনা করে ৪১ লাখ টাকা আয় করলে তাকে ১৫ হাজার টাকা কর দিতে হবে।

    বাজারে পতনের জন্য এটিই অন্যতম কারণ। কেননা, অনেক বড় বিনিয়োগকারী বাজার থেকে বেশি মুনাফা করে। এর মধ্যে অনেকে বেনামে শেয়ার কেনাবেচা অব্যাহত রেখেছে। তাই তাদেরকে কর দিতে হয় না। কিন্তু নতুনভাবে কর আরোপ করা হলে পর্দার আড়ালে থাকা রাঘববোয়ালরাও চিহ্নিত হয়ে যাবে। এছাড়াও দীর্ঘদিন পর্যন্ত কর অব্যাহতি সুবিধা পেয়ে আসছিল দেশের আইটি খাত। তবে আগামী অর্থবছরে এ সুযোগ আর থাকছে না। যদি নতুন করে এ সুবিধা বাড়ানো না হয়, তাহলে শেয়ারবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

    এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির অবস্থা বা সূচকগুলো ক্রমেই খারাপের দিকে ধাবিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে অর্থনীতির যে অবস্থা বিরাজ করছে তাতে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ফোরকাস্ট বা পূর্বাভাসও ভালো কোনো খবর দিচ্ছে না। এছাড়া ডলার সংকটের কারণে বিদেশি কোম্পানিগুলো মুনাফা নিতে পারছে না। এজন্য তারা ভালো লভ্যাংশও দিচ্ছে না।

    এছাড়াও বর্তমানে ব্যাংক আমানতের সুদের হার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বা আমানতকারীদের জন্য আকর্ষণীয়। তারল্য সংকটের কারণে আমানতের জন্য ব্যাংকগুলো হাহাকার করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও সুদের হারের সীমা তুলে বাজারের ওপর ছেড়ে দিয়েছে। এতে ইচ্ছামতো সুদের হার নির্ধারণ করছে ব্যাংক। অঘোষিতভাবে বেশকিছু ব্যাংক আমানতের বিপরীতে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে।

    ফলে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ স্বল্প মেয়াদে হলেও ব্যাংকে টাকা রাখছে। অন্যদিকে হঠাৎ করেই মার্কিন ডলারের দাম ৮ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে এক ডলার কিনতে ১১৮ টাকা লাগে। ডলারের এ দাম কোথায় গিয়ে থামবে, তা কেউ বলতে পারছে না। ফলে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ হিসাবে ডলার কিনছে।

    তারা বলছেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সার্বিক বিবেচনায় শেয়ার বাজারে জন্য ইতিবাচক কোনো খবর আপাতত মিলছে না। আর বাজার খারাপ হলে মূলত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবারও এর ব্যত্যয় হবে না। ●

    অকা/পুঁবা/সৈই/সকাল/২৬ মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    ফের দাম বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.