Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সবজি ও নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী

    অক্টোবর ১৭, ২০২১ ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ● 

    সাধারণ ক্রেতার ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে দেশের সবজি ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার।  সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও দাম কমার লক্ষণ নেই। ব্যবসায়িদের স্বেচ্ছচারিতার কাছে ক্রেতারা অসহায়। ক্রেতার জন্য অবশ্য খারাপ খবর সবজির বাজারে। খরচ সবচেয়ে বেড়েছে সবজিতেই। ছোট একটি পরিবারেও দৈনিক আলু, বেগুন, টমেটো ইত্যাদি মিলিয়ে পরিমাণে অন্তত এক কেজি সবজি লাগে। তাই সবজিতে যদি কেজি প্রতি ১০ টাকাও বাড়ে, তাহলে ক্রেতার দৈনিক সমপরিমাণ খরচ বাড়তি লাগে। সংসারের নিত্যদিনের শত প্রয়োজন মেটাতে দামের এ রকম ছোট ছোট বৃদ্ধিই এক হয়ে বোঝা হয়ে দাঁড়ায় অনেকের জন্য। বাজারে এখন বেশির ভাগ সবজির দাম ৬০ টাকা কেজির ওপরে। এর মধ্যে নিত্যদিন বেশি ব্যবহৃত সাধারণ কয়েকটি সবজির দাম ১০০ টাকার বেশি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায়ই দাম বেশি।

    বয়লার মুরগির দাম এখন নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে। দেশি ও সোনালি জাতের মুরগির দামও বেড়ে নিম্ন তো বটেই, অনেক মধ্যবিত্তেরও নাগালের বাইরে। মুরগির বাজার চড়া সপ্তাহ তিনেক ধরেই। চলতি সপ্তাহে তা আরো তেতে উঠেছে। বেড়েছে কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন, একসময় বাজারে মুরগির দাম কম এবং খাদ্যের দাম বেশি থাকায় দীর্ঘদিন লোকসান দেওয়ার পর অনেক খামারি উৎপাদন বন্ধ রেখেছেন। অন্যদিকে করোনার প্রকোপ কমে আসায় সামাজিক অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে ব্যাপক হারে। লোকের বাইরে খাওয়াও বেড়ে অনেকটা আগের মতো পর্যায়ে। এতে মুরগির চাহিদা অনেক বেড়ে যাওয়ায় দাম বেশি। ১৬ অক্টোবর রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে তা ১৭৫ টাকা পর্যন্ত দামে কেনা গেছে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বলছে, মাসখানেক আগেও ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকা কেজি দরে। আর মাস দুয়েক আগ পর্যন্ত দীর্ঘদিন দাম স্থির ছিল ১১৫ টাকার মধ্যে। গতকাল খামার পর্যায়ে ব্রয়লার বিক্রি হয়েছে ১৪৭ থেকে ১৫০ টাকা কেজি। সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে আরো বেশি। গতকাল খুচরা বাজারগুলোতে সোনালি জাতের মুরগি বিক্রি হয়েছে ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি। অথচ মাসখানেক আগেই বিক্রি হয়েছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা করে। এর আগের মাসে ছিল বেশি হলে ২৫০ টাকা। সোনালির দামও দীর্ঘদিন আটকে ছিল ২২০ টাকা কেজির মধ্যে। গতকাল খামার পর্যায়ে সোনালি মুরগি বিক্রি হয়েছে ২৬০ থেকে ২৬৫ টাকা কেজি দরে। একটাই স্বস্তির বিষয় হলো, মুরগির দাম বাড়লেও ডিমের দাম গত সপ্তাহের মতোই ১০৮ থেকে ১১০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হচ্ছে।

    বাজারে অনেক সবজির দেখা মিললেও দামে তার তেমন প্রতিফলন নেই। আগাম ফলন হওয়া শীতের অনেক সবজি বাজারে উঠেছে। কিন্তু এখনো বেশির ভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজির ওপরে। এর মধ্যে পাঁচটির বেশি সবজির দাম দেখা গেছে শত টাকার ওপরে। কাঁচা মরিচের দাম ১৬০ থেকে এলাকাভেদে প্রায় ২০০ টাকা কেজি পর্যন্ত। টমেটো ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১১০ টাকা এবং শিম ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি। এ ছাড়া গোল বেগুনের দাম বেড়ে এখন ১০০ থেকে ১১০ টাকায় উঠেছে। ২৫০ গ্রাম ওজনের ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ২৫ থেকে ৩০ টাকা করে। কেজি হিসাবে দাম দাঁড়ায় ১০০ টাকার বেশি। ধনেপাতা ১০০ গ্রাম কিনতেই লাগছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। অর্থাৎ তা-ও ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি।

    এর বাইরে বরবটি ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, করলা, মুলা, কাঁকরোল, শসা, ঢেঁড়স, পটল, লম্বা বেগুনসহ বেশ কিছু সবজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। আলু, পেঁপে, কচুর মুখিসহ গুটিকয়েক সবজি পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়।

    নিত্যপণ্যের দামও ঊর্ধ্বমুখী। এর মধ্যে আছে ভোজ্য তেল সয়াবিন ও পাম। চলতি সপ্তাহে সয়াবিন তেলের দাম কেজিপ্রতি আরো দুই টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে খোলা সয়াবিন তেল ছিল ১৪৭ থেকে ১৪৮ টাকা। দোকানিরা দাম চাইলেন ১৪৯ থেকে ১৫০ টাকা কেজি। খোলা পাম তেল বিক্রেতাদের ১৩৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেল। সপ্তাহখানেক আগেও তিন টাকা কম ছিল। বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৫৩ টাকা লিটার। বড় দানার মসুর ডাল আগের দাম ৮৫ থেকে ৯০ ও ছোট দানার ১০০ থেকে ১১০ টাকা রয়েছে। খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ৩২ থেকে ৩৫ টাকা এবং ময়দা ৪৩ থেকে ৪৫ টাকা কেজি করে। খোলা চিনি স্থির রয়েছে ৭৮ থেকে ৮০ টাকায়। তবে লাল দেশি চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৯০ টাকায়।

    #

    সর্বশেষ হালনাগাদ 5 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    পাইকারদের ‘কারসাজি’তে ডিমের বাজার

    ওয়ালটনের সর্ববৃহৎ আইকনিক কর্পোরেট অফিস নির্মাণ

    কোরবানির চামড়া সংরক্ষণে লবণ দেবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

    ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে প্লাজা ও কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস – ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.