Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    স্বাভাবিক হতে পারছে না পুঁজি বাজার

    অক্টোবর ৩, ২০২৫ ৮:২০ অপরাহ্ণ6
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দীর্ঘ দেড় যুগের অনিয়ম ও অব্যবস্থায় প্রায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া পুঁজি বাজারে এক বছরের বেশি সময় ধরে চলতে থাকা সংস্কারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে পারছে না। দেশের শিল্প ও সেবা খাতের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অর্থায়নের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এ খাতটি এ মুহূর্তে কিছু দ্রুত মুনাফালোভী মানুষের টাকা বানানোর হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। ফলে এখানে বিনিয়োগকারী, দেশী বা বিদেশী কেউই এ পুঁজি বাজারের সুফল পাচ্ছেন না।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুনর্গঠিত হওয়ার পর থেকে সংস্থাটির পক্ষ থেকে পুঁজি বাজার সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়। এটা করতে গিয়ে শুরুর দিকে সংস্থাটি নিজস্ব জনবল নিয়ে সঙ্কটের মুখে পড়ে। কারণ এর আগে দীর্ঘদিন সংস্থাটির অভ্যন্তরে একটি গ্রুপ বাজার ধ্বংসকারী একটি সিন্ডিকেটের সাথে সক্রিয় ছিল যারা নতুন কমিশনের নেয়া বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রমে বাধা তৈরি করছিল। এতে কয়েক সপ্তাহের জন্য অচল হয়ে পড়ে সংস্থাটি। পরবর্তীতে গ্রুপের পালের গোদাকে অব্যাহতির পাশাপাশি বেশ কয়েকজনকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। নতুন কমিশনের প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্র্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রত্যক্ষ সমর্থনের কারণে উদ্ভুত সঙ্কট থেকে মুক্তি পায় বিএসইসি। পরবর্তীতে সংস্কারকে এগিয়ে নিতে গিয়েও তখনকার বাজার পরিস্থিতি নতুন করে সঙ্কটের মুখে ফেলে কমিশনকে।

    রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাৎক্ষণিকভাবে বাজার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও সেখানে যুক্তির চেয়ে আবেগই কার্যকর ছিল বেশি। তারই ফলে মাত্র চার কর্মদিবসের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচকটির উন্নতি ঘটে প্রায় হাজার পয়েন্ট। একই সময় ২০০ কোটি টাকার লেনদেন পৌঁছে যায় দুই হাজার কোটির ওপরে। বিনিয়োগকারীদের এ আবেগ কিন্তু বেশি দিন টেকেনি। ৪ আগস্ট ডিএসই’র প্রধান সূচকটি অবস্থান করছিল পাঁচ হাজার ২২৯ দশমিক ২৬ পয়েন্টে। আর ১১ আগস্ট তা পৌঁছে যায় ছয় হাজার ১৫ দশমিক ৯০ পয়েন্টে। আর এই চার কর্মদিবসে বাজারটিতে ২০৭ কোটি টাকার লেনদেন পৌঁছে যায় দুই হাজার ১০ কোটি টাকায়। কিন্তু এর পরপরই বাজারে শুরু হয় নেতিবাচক প্রবণতা।

    পরবর্তীতে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে এসে নতুন কমিশন গঠিত হয়। নতুন কমিশন দীর্ঘদিনের এ অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার মধ্যে নিজেদের খেই হারিয়ে ফেলে যা প্রভাব পড়ে বাজারে। পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ সঙ্কটের উত্তরণ ঘটিয়ে বাজার ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজাতে বেশ কিছু সময় ব্যয় হয়। ওই সময়ের মধ্যেও অতীতের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে কিছু কিছু শাস্তির উদ্যোগ নেয়ায় পুঁজি বাজারের স্টেক হোল্ডারদের একটি বড় অংশ কমিশনের সাথে অসহযোগিতার মনোভাব দেখায় যা সংস্কারের কাজকে আবার বাধাগ্রস্ত করে। একই সময় ধারাবাহিক পতনের মুখে পড়ে যায় দেশের দুই পুঁজি বাজার। বিনিয়োগকারীরা দিনের পর দিন রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ ধারণ করলে সঙ্কট নিরসনে এগিয়ে আসেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এ উদ্যোগে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ পুঁজি বাজার সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের একটি বড় অংশ বৈঠকে উপস্থিত থেকে সঙ্কট উত্তরণে কার্যকর বেশ কিছু পরামর্শ গ্রহণ করা হয়। এসব পরামর্শের আলোকে প্রধান উপদেষ্টা সাতটি নির্দেশনা দেন। এ পর্যায়ে প্রধান তিনি সংক্রান্ত বিষয় তদারকির জন্য নতুন সহকারী নিয়োগ দেন যেটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রমে কিছুটা হলেও গতি ফিরিয়ে আনে। আর প্রধান উপদেষ্টার নেয়া উদ্যোগে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সঞ্চার হয় যা সাময়িকভাবে বাজার পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি ঘটায়।

    ১১ মে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু তারপরও বাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরতে আরো কিছু সময় নেয়। ২৮ মে ডিএসই সূচক নেমে আসে সাম্প্রতিক সময়ের সর্বনিম্ন অবস্থান চার হাজার ৬১৫ পয়েন্টে। তবে জুন মাসের শুরু থেকে উন্নতি ঘটে বাজার পরিস্থিতির। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ সেপ্টেম্বর ডিএসই সূচকটি সাম্প্রতিক সময়ের সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার ৬৩৬ দশমিক ১৫ পয়েন্টে এবং অনুরূপভাবে বাজারটির লেনদেন পৌঁছে যায় এক হাজার ৪৪০ কোটি টাকায়।

    এদিকে নানা কাটখড় পুড়িয়ে বাজারগুলো ইতিবাচক ধারায় ফেরার শুরুতে বাজার আচরণ স্বাভাবিক থাকলেও দীর্ঘদিন ঘাপটি মেরে থাকা বাজার খেলোয়াড়রা আবার কারসাজিতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। আবার স্বাভাবিকতা হারাতে থাকে বাজার। এখনকার পুঁজি বাজারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ স্বল্প মূলধনের কোম্পানিগুলো। কোনো কারণ ছাড়াই মৌল ভিত্তির দিক থেকে অনেক পিছিয়ে থাকা এসব কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিই এ সঙ্কট তৈরি করেছে। দ্রুত মুুনাফালোভী ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ কোম্পানিগুলোর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়ে মুনাফা লুটে নিচ্ছে যা দীর্ঘদিন ধরে মন্দায় আটকে থাকা বাজার থেকে বিনিয়োগকারীদের আবার হাত গুটিয়ে নিতে বাধ্য করছে। যেখানে বাজারের মৌল ভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলো প্রতিনিয়ত দরপতনের শিকার হচ্ছে সেখানে এসব স্বল্প মূলধনের কোম্পানির দৌরাত্ম্য বিনিয়োগকারীদের বাজার বিমুখ করে তুলছে। যদিও এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা পুঁজি বাজার কর্তৃপক্ষের কোনো আইনগত সুযোগ নেই তবুও এ অস্বাভাবিক অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে বিনিয়োগকারীদের বাজারমুখো করার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও পুঁজি বাজার কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ নেয়া জরুরি মনে করছেন পুঁজি বাজারসংশ্লিষ্টরা। ●

    অকা/পুঁবা/ফর/রাত/৩ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 6 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    বৈদেশিক ঋণের চাপ: সামনে কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

    জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর স্থির রাখার কৌশল সরকারের

    ধীর পুনরুদ্ধারের পথে অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি ৪% পূর্বাভাস

    মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে দারিদ্র্যের নতুন ঝুঁকি

    বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহারে চাপে শেয়ার বাজার

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে প্লাজা ও কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    ডলারের দামে লাগাম টানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ

    মেধাও হোক ঋণের জামানত

    ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি আলতাফ হুসাইন

    ব্যাংক ঋণ বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদে ঊর্ধ্বমুখী চাপ

    বৈদেশিক ঋণের চাপ: সামনে কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

    জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর স্থির রাখার কৌশল সরকারের

    ব্যাংক মালিকানা পুনরুদ্ধার: সংস্কার নাকি সংকটের নতুন দ্বার?

    সন্ধানী লাইফ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যাংক্যাসুরেন্স কার্যক্রম উদ্বোধন

    ইরানে ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা

    ধীর পুনরুদ্ধারের পথে অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি ৪% পূর্বাভাস

    খামারির ক্ষতি, বাজারে দামের আগুন

    মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে দারিদ্র্যের নতুন ঝুঁকি

    নীতি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় কমেছে বিদেশি বিনিয়োগ

    বৈশ্বিক উত্তেজনার মাঝেও স্থিতিশীল ডলার বাজার

    বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহারে চাপে শেয়ার বাজার

    খেলাপি ঋণের পাহাড়, অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ

    তালিকায় সাবেক সদস্য কামরুল ও সুলতান মোল্লা
    আইডিআরএ চেয়ারম্যানের শূন্য পদে অযোগ্য ও দুর্নীতিবাজদের জোর লবিং

    দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩.০৩ শতাংশে

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.