Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ৯ মাসে বড় অঙ্কের রাজস্ব ঘাটতি এবিআরের

    এপ্রিল ২৩, ২০২৪ ৭:২৬ অপরাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) রাজস্ব আদায়ে বেশ বড় অঙ্কের ঘাটতিতে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই ৯ মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এনবিআর আদায়ে পিছিয়ে আছে ২১ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা। এ সময়ে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করেছে এনবিআর। তবে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি থাকলেও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ৮১ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা চার লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। সে হিসাবে বাকি তিন মাসে এনবিআরকে এক লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে হবে।

    এনবিআর সূত্রে জানা যায়, গত ৯ মাসে শুল্ক আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৩ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে ৭৪ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ ৫ হাজার ৫৩ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে এক লাখ ৭০২ কোটি টাকা। এছাড়া আয়কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৩ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ৮৪ হাজার ৯০১ কোটি টাকা।

    লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শুল্কে ৯ হাজার ৭৯ কোটি টাকা, মূসকে ৪ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা ও আয়করে ৮ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা আদায় করতে পারেনি রাজস্ব বোর্ড। যদিও আলোচ্য সময়ে শুল্কে ১০ দশমিক ২১ শতাংশ, মূসকে ১৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ ও আয়করে ১৯ দশমিক ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ। এর মধ্যে শুল্কে ৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ, মূসকে ১৫ দশমিক ৪১ শতাংশ ও আয়করে ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়।

    এনবিআর বলছে, ‘অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও রাজস্ব আদায় পরিস্থিতি ভালো অবস্থায় আছে। প্রবৃদ্ধিও ভালো।’

    চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৪০ শতাংশ অতিক্রম করতে যাচ্ছে। কারণ রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ায় সরকার তহবিল সংগ্রহে ঋণ নেয়া অব্যাহত রেখেছে। গত সপ্তাহে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি আর্থিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ঋণ-জিডিপি অনুপাত ছিল ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ। কিন্তু ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে তা ৪১ দশমিক ৪১ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। গত এক দশকে ঋণ-জিডিপি অনুপাত ১৩ পার্সেন্টেজ পয়েন্ট বেড়েছে। আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৯ অর্থবছর শেষে এই অনুপাত ৪৩ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছাবে। সংস্থাটির মতে, এই অনুপাত ৫৫ শতাংশের নিচে রাখা কম ঝুঁকিপূর্ণ। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজস্ব প্রবৃদ্ধি না বাড়লে ও চলমান মার্কিন ডলার সংকট বজায় থাকলে এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

    গত এক দশকে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে, চলতি অর্থবছরে এটি ৮ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২০২৯ অর্থবছরে ১০ দশমিক ২ শতাংশে উন্নীত হবে। বাংলাদেশের তুলনায় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ঋণ-জিডিপির অনুপাত বেশি হলেও তাদের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বেশি। ভারতে ঋণ-জিডিপি অনুপাত ২০২৪ অর্থবছরে দাঁড়াবে ৮২ দশমিক ৫ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৮২ দশমিক ৭ শতাংশ। ২০২৩ অর্থবছরে দেশটির রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ছিল ২০ দশমিক ২ শতাংশ। উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। দিন দিন বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে। এমনকি ঋণ পরিশোধেও ফের ঋণ করতে বাধ্য হচ্ছে সরকার।

    অর্থনীতির বিশ্লেষকরা মনে করেন, উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হওয়ার এ পর্যায়ে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন ব্যয় তা খুব আহামরি নয়। মূলত অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ পর্যাপ্ত না হওয়ায় কারণেই এ টানাপড়েন। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশের রাজস্ব আহরণ সামর্থ্যরে অর্ধেকেরও কম। রাজস্ব আহরণ কাংখিত মাত্রায় না এগোনোর ফলে অবকাঠামো উন্নয়ন, হিউম্যান ক্যাপিটাল, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যয় কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় উন্নয়নে পর্যাপ্ত অর্থের জোগান অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হচ্ছে না।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    রাজস্ব

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রতিবন্ধকতা দূর করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

    এক স্বশিক্ষিত শিল্পীর সাম্রাজ্য: নরসিংদীর আলামিনের হাহাকার

    এমি অ্যাওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ২৫ মনোনয়ন ‘দ্য পিট’-এর, নজরে ‘হ্যাকস’ও

    ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে ধস
    লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৫০ কোটি টাকারও বেশি কম আদায়

    বিশ্বকাপে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ফিফা

    শাহজালালে ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ; নজরদারিতে বিমানের ৪ কর্মকর্তা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    অভিনব কায়দায় স্বর্ণ পাচার; পাচারকারী আটক

    ফিলাডেলফিয়ায় গুলিতে বাংলাদেশি চক্ষুচিকিৎসক নিহত

    ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর অনুমোদন
    এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে সব বিনিয়োগ সেবা

    নতুন আমদানি নীতির চূড়ান্ত অনুমোদন
    এলসির বিকল্পে সেলস কনট্রাক্টে আমদানির সুযোগ

    জাল নোট রাখলে শাস্তি, আসছে কঠোর আইন

    শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রতিবন্ধকতা দূর করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

    বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার

    একের পর এক রেকর্ডে নাম লেখাচ্ছেন এমবাপ্পে

    অবশেষে থামল মরক্কোর অবিশ্বাস্য জয়রথ

    মরক্কোর স্বপ্নভঙ্গ; ফাইনালের স্বপ্নে বিভোর ফ্রান্স

    ফ্ল্যাট বিক্রিতে ধস, আবাসন খাতে নেমেছে সংকট

    ভালো কোম্পানির শেয়ারে আসছে ‘ডে নেটিং’ সুবিধা

    বিকল্প অর্থায়নের নতুন উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ

    এক স্বশিক্ষিত শিল্পীর সাম্রাজ্য: নরসিংদীর আলামিনের হাহাকার

    ফের কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা

    সিজেএফডি’র নতুন সভাপতি মোবারক, সাধারণ সম্পাদক সবুজ

    কিংবদন্তি কণ্ঠ বনি টাইলারের বিদায়

    এমি অ্যাওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ২৫ মনোনয়ন ‘দ্য পিট’-এর, নজরে ‘হ্যাকস’ও

    সংবিধানে ফিরেছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার

    ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স বিধিমালায় যে জটিলতা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.