Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    মঙ্গলবার, ৩ চৈত্র, ১৪৩২ | ১৭ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর নতুন অধ্যায়ের সূচনা

    এপ্রিল ২, ২০২৫ ১১:১৫ অপরাহ্ণ32
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ীরা। তবে এ সুযোগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশকে প্রস্তুতি নিতে হবে বলে মনে করেন তারা।

    মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে যান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

    সফরে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি ও কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। বিনিয়োগ বাড়ানো, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ উভয় দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দুই দেশের সরকারপ্রধান। ড. ইউনূসের এ সফরের সফলতা ও প্রাপ্তি নিয়ে কথা বলেন দেশের ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা। সফর ঘিরে যে আশার সঞ্চার হয়েছে তা কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের প্রতি জোর দেওয়ার কথা বলেন তারা।

    পোশাক শিল্প আরও এগিয়ে যাওয়ার আশা
    বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মাদ হাতেম বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর আমরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছি। এর সফলতার বিষয়েও আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। চীনা সরকার যেভাবে ইতিবাচকভাবে সম্পর্ক উন্নত করার জন্য এগিয়ে এসেছে, তা আমাদের জন্য খুবই ভালো।’ ‘চীন আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক অংশীদার। আমরা তাদের থেকে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা নেই। কাঁচামাল আমদানিরও সবচেয়ে বড় বাজার। চীন থেকে বিনিয়োগ সরে আসছে। আমরা বিনিয়োগপ্রত্যাশী। চীন সরকার তাদের ব্যবসায়ীদের উৎসাহী করবে এখানে বিনিয়োগ করতে। এটা আমাদের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখছি।’

    তিনি বলেন, ‘এ সম্পর্কের সূত্র ধরে চায়নার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের আরও উন্নতি ঘটবে, যেটা শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিশাল ভূমিকা রাখবে। আমাদের তৈরি পোশাক শিল্পে বিশেষ করে কৃত্রিম তন্তু ও টেকনোলজিনির্ভর খাতে ইনভেস্টমেন্ট আসবে এবং আমাদের সেক্টর সামনে আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা করছি।’

    বিনিয়োগে উৎসাহী করা বড় সুযোগ
    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ-চীনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করার জন্য এ সফরে অনেক বিষয় আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- বাজার সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, নতুন ঋণ ও আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি প্রভৃতি। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তার দেশের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে উৎসাহী করার কথা বলেছেন। এটা আমাদের জন্য একটা বড় সুযোগ।’ ‘আমরা যত তাড়াতাড়ি তাদের ব্যবসার সুযোগ করে দিতে পারবো, তত তাড়াতাড়ি এখানে আসবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার বিভিন্ন খাত রয়েছে। শুধু একটি বিশেষ অঞ্চল নয়, তাদের বিভিন্ন বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের সুযোগ করে দিতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এটা হলে আমরা চায়নিজ বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হবো। পাশাপাশি আমাদের রিফর্ম ও ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও উন্নত করতে হবে, যাতে চীনা বিনিয়োগ এখানে আসে এবং সেটাকে কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারি, রফতানি আরও বড় করতে পারি।’

    চীনা বিনিয়োগকারীদের সুযোগ-সুবিধার কথা ভাবতে হবে
    অর্থনীতিবিদ মাশরুর রিয়াজ বলেন, ‘ড. ইউনূসের চীন সফর ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক উৎসাহব্যঞ্জক। এত বড় একটা অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সুপার শক্তির সঙ্গে বাংলাদেশের বৈঠক হওয়া দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার জন্য এ সফর সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।’ চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে একটা ভালো দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ সফরের ফলে তা আরও গভীরতর হবে। সফরের সময় টেকনিক্যাল ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক একটি চুক্তি সই হয়েছে। আমি মনে করি এটাও একটা ওয়েলকাম স্টেপ। দুই দেশের মধ্যে ইকোনমিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর যে সুযোগ রয়েছে তা কাজে লাগানোর একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হবে।’ ‘দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো চায়নিজ ইকোনমিক জোনের কাজের গতি ত্বরান্বিত করা। অন্যদিকে, কমপক্ষে ৩০টির মতো চীনা বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা আমাদের জন্য একটা বড় আশার আলো দেখাচ্ছে।’

    বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ প্রকাশ করার মানে এই নয় যে তারা অবশ্যই আসবে। তাদের আসা নির্ভর করবে আমরা তাদের জন্য কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিতে পারবো তার ওপর। এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ তাদের জন্য কতটা সহায়ক হবে। আমাদের উচিত হবে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করা ও তাদের সুষ্ঠুভাবে ব্যবসা করার জন্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া। তাহলে চীনের বিনিয়োগ এখানে আসবে।’

    মাশরুর রিয়াজ বলেন, ‘আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চীনে আমাদের যে চলমান ঋণ রয়েছে তার সুদের হার কমানোর বিষয়ে বিবেচনা করার কথা বলেছে, যা বাংলাদেশের জন্য খুবই ভালো। এক্ষেত্রে এই বিবেচ্য বিষয়টি যাতে আমরা কাজে লাগাতে পারি সেজন্য নতুন করে উদ্যোগ নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটা অর্জন করতে হবে।’

    চায়না আমাদের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জানিয়ে বলেন, ‘এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সামনে আমাদের জিএসপি সুবিধা থাকবে না। এক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে শুধু এফটিএ করলেই হবে না, আমরা ইতোমধ্যে ডিউটি ফ্রি সুবিধা পাচ্ছি কিন্তু এর সুবিধা কাজে লাগাতে পারছি না। কাজে লাগানোর জন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। তা না হলে আমরা লাভবান হতে পারব না।’

    নীতি যেন পরিবর্তন না হয়
    পরিবেশ উন্নত করার পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন বলে মনে করেন ব্যবসায়ী ফাহিম মাশরুর। তিনি বলেন, ‘চীনের সঙ্গে ব্যবসা বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ রয়েছে। আমি এ সফরকে পজিটিভলি দেখি।’ ‘চীন বিভিন্ন বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। আমাদের উচিত এই আগ্রহগুলো কাজে লাগিয়ে প্রকৃতভাবে বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করা। চীনের বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে নিশ্চয়তা দিতে হবে যে সরকারই আসুক তারা নীতির পরিবর্তন করবে না এবং সম্পর্কের ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে উভয় দেশের স্বার্থে।’

    দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য
    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে বাংলাদেশ-চীনের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ছিল এক হাজার ৮৫০ দশমিক ৪০ কোটি ডলারের। চীন থেকে এক হাজার ৭৮২ দশমিক ৬৬ কোটি ডলারের আমদানির বিপরীতে দেশটিতে বাংলাদেশের রফতানি ছিল ৬৭ দশমিক ৭৩ কোটি ডলার। বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল এক হাজার ৭১৫ কোটি ডলার। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশ ৩৪১ দশমিক ৭৫ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। আর বাংলাদেশ থেকে চীনে রফতানি ছিল প্রায় ১০ কোটি ডলার।

    চীন থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে তুলা। ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ২২৫ কোটি ডলারের তুলা আমদানি করেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি হয়েছে নিউক্লিয়ার রেক্টর ও বয়লার- যার মূল্য ছিল ২১৫ কোটি ডলার। ইলেক্ট্রনিক্স ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র আমদানি হয়েছে ১৭২ কোটি ডলারের।

    বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) এবং রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে এবং চীনে রফতানি করেছে ৪৬১ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। গত অর্থ বছরে চীন থেকে মোট আমদানি মূল্য ছিল ১৬ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার, অন্যদিকে রফতানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৭১৫ মিলিয়ন ডলার। ●

    অকা/বাণিজ্য/ফর/রাত/২ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 12 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ঈদ আগেই রেমিট্যান্সে জোয়ার

    ব্লু-চিপ শেয়ারে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন আগ্রহ

    শেয়ারবাজারে নারীর আগ্রহ কমছে

    এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দাম বাড়াচ্ছে ব্যাংকগুলো

    ব্যাংক ঋণে ঢাকার আধিপত্য, দুই বিভাগেই প্রায় ৮৭ শতাংশ

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ক্রেডিট কার্ড লিমিট বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ

    ঈদ আগেই রেমিট্যান্সে জোয়ার

    ব্যাংক ও বীমার নিরাময়

    আমদানি বাড়লেও রমজানে ফলের দাম কেন কমছে না

    ব্লু-চিপ শেয়ারে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন আগ্রহ

    আতঙ্কে কেনাকাটা, বাজারে তেল–চিনির চাপ

    শেয়ারবাজারে নারীর আগ্রহ কমছে

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দাম বাড়াচ্ছে ব্যাংকগুলো

    ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস – ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও তেলের দামে বাংলাদেশের নতুন মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা

    দুদকের জালে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
    এমডি ফরমান ও রাফাত উল্লাহের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগ (১ম পর্ব)

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল

    মজুত থাকলেও খাতুনগঞ্জে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে কেন?

    কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পুরস্কার অর্জন

    ব্যাংক ঋণে ঢাকার আধিপত্য, দুই বিভাগেই প্রায় ৮৭ শতাংশ

    এলপি গ্যাস বাজারে অস্থিরতা, চড়া মূল্য দিচ্ছেন ভোক্তারা

    হরমুজ প্রণালী ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    ইইউ বাজারে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.